তারিখ : ২৪ জুন ২০১৮, রবিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

সাংসদ ইসহাক হোসেন তালুকদারের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন

সাংসদ ইসহাক হোসেন তালুকদারের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন
[ভালুকা ডট কম : ১৪ নভেম্বর]
বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব গাজী ইসহাক হোসেন তালুকদার একজন অবিষ্মরণীয় ক্ষণজন্মা কর্মযোগী মানুষের নাম। সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের প্রাতঃস্মরণীয় জননেতা। অতি সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত জনদরদী, স্বল্পভাষী, বিনয়ী, রুচিশীল ভদ্রলোক ও দুরদর্শী এই নেতার গণমুখী টেকসই উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকান্ড ইতিহাসের পাতায় ও এলাকাবাসীর অন্তরে অম্লান থাকবে চিরদিন।

জন্ম ও পরিচয় ঃ
          তিনি ১৯৫০খৃষ্টাব্দের ১৮ জুন সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ধামাইনগর ইউনিয়নের বাকাই গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তাঁর পিতা মরহুম ইস্রাফিল হোসেন তালুকদার, মাতাঃ মরহুমা তুষ্টু বেগম।

শিক্ষা ও কর্মজীবন ঃ
বাকাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে তার শিক্ষা জীবন শুরু হয়। বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার ছোনকা হাইস্কুল থেকে তিনি ১৯৬৮ খৃষ্টাব্দে এসএসসি পাশ করা পর ভর্তি হন রাজশাহী নিউ ডিগ্রী কলেজে। সেখানে কৃতীত্বের সাথে পাশ করার পর ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। এরপর ১৯৭৮ খৃষ্টাব্দে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শন বিভাগে অনার্সসহ তিনি মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন। এর আগে ১৯৭৪ খৃষ্টাব্দের ১১ ডিসেম্বর চাপাই নবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার হরিপুর গ্রামের বিশিষ্ট সমাজসেবক মরহুম সাইদুর রহমানের সুশিক্ষিত কন্যা মনোয়ারা সুলতানার সাথে তিনি পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। ১৯৮৪ খৃষ্টাব্দে বিপুল ভোটে ইসহাক হোসেন তালুকদার ধামাইনগর ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। শৈশব থেকে তার লালিত জনসেবা করার স্বপ্ন-সাধ বাস্তবে পুরণের যাত্রা শুরু হয় এখান থেকে।

রাজনীতিঃ
ইসহাক হোসেন তালুকদার ছাত্র ইউনিয়ন অগ্নিকন্যা মতিয়া চৌধুরীর গ্র“পে ১৯৬৮ খৃষ্টাব্দে অংশ গ্রহন ও ১৯৬৯ এর গণআন্দোলনে সক্রিয় অংশ গ্রহন করেন। ১৯৭০ খৃষ্টাব্দের নির্বাচনে আ’লীগের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ ও মাঠ পর্যায়ে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭১ খৃষ্টাব্দে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন। ১৯৭২ খৃষ্টাব্দের আ’লীগের সাথে বিশেষভাবে যুক্ত থেকে দৃঢ়তার সাথে কাজ করতে থাকেন। ১৯৭৯ খৃষ্টাব্দে পাবনা পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর (বর্তমানে সিরাজগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ১৯৮১ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত ঐ পদে বহাল থাকেন। ১৯৮০ খৃষ্টাব্দে ধামাইনগর ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। ১৯৮৪ খৃষ্টাব্দে বিপুল ভোটে ধামাইনগর ইউপি’র চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ইসহাক হোসেন তালুকদার ৯ম জাতীয় সংসদের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্ম সংস্থান স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয় পাঠাগার কমিটির সদস্য ছিলেন। ১০ম জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিরও তিনি সদস্য ছিলেন। তার প্রতিষ্ঠিত বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, বিভিন্ন সামাজিক ও শ্রমজীবি সংগঠনের উপদেষ্টা হিসাবে থেকে শত শত প্রতিষ্ঠানের সমৃদ্ধি সাধনে তিনি নিরলস কাজ করে গেছেন। ১৯৭০ খৃষ্টাব্দের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আ’লীগের বর্ষিয়ান নেতা মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে রওশনুল হক মতি মিয়ার জন্য গণসংযোগে এলাকায় অগ্রণী ভুমিকা পালন করে তিনি আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের বিশেষ নজরে আসেন। স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তিনি এলাকায় ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৯৮৬ খৃষ্টাব্দে জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি পদ লাভ করেন এবং একই বছরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম এমপি নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৮৬ থেকে ২০১৪ খৃষ্টাব্দের পর্যন্ত আ’লীগের পক্ষ থেকে মোট ৫বার মনোনয়ন লাভ করেন। মাঠ পর্যায়ে কতিপয় উচ্চাভিলাষী কর্মীর দ্বি-মুখী নীতির কারণে তিনি ২বার অতিসামান্য ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন এবং ৩ বার বিপুল ভোটের ব্যবধানে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮১ খৃষ্টাব্দে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তন করে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর সংসদের ভিতর ও বাইরে আ’লীগের চলমান আন্দোলনে নতুন রূপ নেয়। এসময় আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখায় তিনি শেখ হাসিনার অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসাবে নির্ণিত হন। ১৯৯৬ সালের ৬ মার্চ তদানিন্তন বিএনপি সরকারের প্রহসন মূলক নির্বাচনকে প্রতিহত করতে রায়গঞ্জের ভূইয়াগাঁতী প্রাইমারী স্কুল কেন্দ্রে তার নেতৃত্বে ছাত্র-জনতা ও আ’লীগ নেতাকর্মীরা ঝাঁপিয়ে পড়েন। নির্বাচন অনুষ্ঠান প্রতিহত হয়। এসময় বিডিআরের গুলিতে ৪জন স্থানীয় ছাত্রনেতা আনন্দ, বুলবুল, জসমত ও রাণা নিহত হন। প্রতিবছর বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে ‘রক্তাক্ত ভূইয়াগাঁতী দিবস’ হিসাবে ঐ শোকাবহ দিনটিকে স্মরণ করা হয় এবং চান্দাইকোনা হাজী ওয়াহেদ-মরিয়ম অনার্স কলেজের সদর ফটকের দু’পাশে  প্রয়াত ছাত্রনেতাদের সমাধিতে ফুলেল শ্রদ্ধাঞ্জলি আর্পন করা হয়।

দাম্পত্য জীবনঃ
তার দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে মরহুমের সুযোগ্য সহধর্মিনী মনোয়ারা সুলতানা বলেন- মরহুম ইসহাক হোসেন তালুকদার ছিলেন-সর্বজনীন সেবব্রতী মানুষ। তাঁর ধ্যানই ছিল এলাকার জনগণ ও তাদের উন্নয়ন। তিনি নিজের স্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করেও দরিদ্র মানুষের জন্য কাজ করেছেন। অসহায় রোগাক্রান্ত মানুষের চিকিৎসা সেবার ব্যয়ভার বহন করাসহ কন্যাদায়গ্রস্থ পিতা-মাতাকে আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা দান করেছেন। জনসেবার জন্য সকালে বের হয়ে তিনি গভীর রাতে বাড়ি ফিরতেন। তার সাথে সকল স্তরের জনতা যেকোন সময়ে তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বলে প্রযোজনীয় সহযোগিতা নিতে পারতেন। তাকে কখনো সাধারণ মানুষের প্রতি তিনি বিরক্ত হতে দেখেননি। তিনি ছিলেন নির্বিরোধী মানুষ। বিরোধী দলের সমর্থকরাও তাকে সীমহীন সম্মান ও বিশ্বাস করতেন। তিনি গণমানুষের জন্য এতটাই উন্মুক্ত ছিলেন যে পরিবারের সদস্যদের জন্য তিনি কখনো প্রয়োজনীয় সময় দিতে পারতেন না। মিসেস ইসহাক তার দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের স্মৃতি চারণ করতে গিয়ে বলেন-৪০ বছরের দাম্পত্য জীবনে মাত্র ৪২ দিন তিনি স্বামীকে একান্তে পেয়েছেন। আর সে সুযোগ তার হয়েছিল এক সাথে হজ্বব্রতে যাওয়ার অছিলায়। তবে তিনি তার স্বামীকে জনসেবায় নিরলস মেধা ও শ্রম দেয়ার ক্ষেত্রে কখনো বাদ সাধেননি বরং নিরবিচ্ছিন্ন উৎসাহ যোগাতেন।

নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নের সংক্ষিপ্ত চিত্র  ঃ (২০০৯-২০১৪)
সিরাজগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকা রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় টেকসই উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়নের চেষ্টায় তিনি নিবেদিত প্রাণ ছিলেন। জনগণকে  প্রকৃত শিক্ষার মাধ্যমে সচেতন ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে পারলে টেকসই উন্নয়ন করা সম্ভব বলে তিনি বিশ্বাস করতেন। সেই লক্ষ্যেই কাজ করার অংশ হিসাবে গত সাড়ে ৬ বছরে নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ২শ’কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে- বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ ও সংস্কার, গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ, পুণঃ নির্মাণ ও ঈদগাহ মাঠ, কবরস্থান শ্মশান ঘাট, হাট-বাজার উন্নয়ন অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কার, মন্দির, মসজিদ সংস্কার ও মাটি ভরাট, খাল কাটা, কৃষি সেচ প্রকল্পের ড্রেন নির্মাণ, মজা পুকুর খনন, বিশুদ্ধ পানীয় জলের নিমিত্ত নলকূপ স্থাপন, কমিউনিটি ক্লিনিক মেরামত, হাসপাতাল ভবন ও কোর্য়াটার মেরামত, ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্র ও উপজেলা সার্ভার স্টেশন স্থাপন, স্যানিট্রেশন, পয়ঃ নিস্কাশন, আশ্রায়ন, গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ ও মাটি ভরাটসহ ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ। এছাড়াও অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির (ইজিপিপি) আওতায় প্রায় ১০০০টি প্রকল্প, কাবিখার আওতায় ৭২০ টি প্রকল্প এবং টিআরের মাধ্যমে মোট আড়াই হাজার প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। এতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০কোটি টাকা। স্থানীয় সরকারের (ইউনিয়ন পরিষদ) রাজস্ব আয়ের এক শতাংশের খাত থেকে নির্বাচনী এলাকার ১৭ টি ইউনিয়নে ৩ শতাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়েছে। এজন্য ব্যয় হবে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি), পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্প, জিবিআরপি ও জিবিআইসি প্রকল্প সহ ১১ টি কর্মসূচীর আওতায় ৮৮৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ, পুণঃ নির্মাণ, বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ ও সংস্কার সহ ৭৬২টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।

এছাড়াও কৃষি, স্যানিট্রেশন, পয়ঃ নিস্কাশন, ড্রেন নির্মাণ, নলকূপ স্থাপন, হাট উন্নয়নসহ প্রায় ২১১২ টি প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। চলমান রয়েছে আরো প্রায় ৩ কোটি টাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ। প্রায় সাড়ে ৪হাজার একর ফসলী জমি জলাবদ্ধতা মুক্ত করে আবাদযোগ্য করতে খাল খনন করা সহ আন্ডারড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। এলাকার চাহিদার চেয়ে প্রায় ৩৬ হাজার মেঃ টন খাদ্য শস্য বেশি উৎপাদন হয়েছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার প্রায় শূণ্যের কোটায় নেমে এসেছে। বর্তমান সরকারের সময়কালে এই এলাকায় প্রায় ১০০ টি গ্রাম বিদ্যুতায়ন হওয়া সহ ২৮ হাজার পরিবার নতুন সংযোগ পেয়েছে।

তিনি একান্ত আলাপচারিতায় একটি হোটেলে কিছুদিন পুর্বে সাংবাদিকদের বলেছিলেন-“আমি যখন রাজনীতি করি তখন আ’লীগের নেতা। আর যখন সংসদ সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করি তখন আমি রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গার ৫লাখ মানুষের অভিভাবক ও সেবক। তিনি আরো বলেছিলেন -আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে ২০১৮ সালের মধ্যে তার নির্বাচনী এলাকার সকল পরিবার বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার শতভাগ রোধ হবে। কৃষি ও শিল্পখাতে বিষ্ময়কর উন্নয়ন হওয়াসহ বেকার সমস্যার সমাধান হবে। নাম মাত্র খরচে সরকারি তত্বাবধানে নিুবিত্তের বেকার যুবকেরা বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে।

তার রাজনৈতিক উত্তরসুরির বিষয়ে প্রশ্ন করলে - তিনি বলেছিলেন তার কনিষ্ঠপুত্র এ্যাড. ইমরুল হোসেন তালুকদার ইমনকে নিজের যোগ্য রাজনৈতিক উত্তরসুরি হিসাবে দেখে যেতে চান। তার এই স্বপ্ন সাধ তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধাসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের অনেকেই অবগত আছেন বলে তিনি জানিয়েছিলেন। গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যায় তার অকাল মৃত্যুর কারণে তিনি তা দেখে যেতে দেখে যেতে পারলেন না।

ইসহাক হোসেন তালুকদার ছিলেন- টেকসই উন্নয়নের সকল কর্মকান্ড সফলভাবে বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে একজন দক্ষ ও দুরদৃষ্টি সম্পন্ন কর্মযোগী প্রাতঃস্মরণীয় ক্ষণজন্মা পুরুষ। দেশপ্রেম, সততা, ভদ্রতা, বিনয়, কর্মনিষ্ঠতা ও জনকল্যাণ কাজে একাগ্রতায় দল ও দেশের জন্য তিনি ছিলেন একজন অন্যতম ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। তার অম্লান স্মৃতি এলাকাবাসী ও তার ভক্ত শুভানুধ্যায়ীরা  চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ রাখবে।  #

 






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ব্যাক্তিত্ব বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ২০৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই