তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০১৮, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

মোর্শেদ আলমের প্রতিবাদ সভার উত্তরে যা বললেন হাজী সানি

মোর্শেদ আলমের প্রতিবাদ সভার উত্তরে যা বললেন হাজী সানি
[ভালুকা ডট কম : ১৭ আগষ্ট]
ভালুকা উপজেলা বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক মোর্শেদ আলম আদালত থেকে জামিন পাওয়া নিয়ে ভালুকার রাজনৈতিক অংগ ও কিছু চাটুকার গুটি কয়েকজন সাংবাদিকদের মাঝে সমালোচানর ঝড় বৈইছে। এ নিয়ে ফেইস বুক বন্ধু, পাঠক ও সাধরণ মানুষ বিভ্রান্তির মাঝে পড়েছে।বিশেষ করে ভালুকা ডট কম নিউজের পর মোর্শেদ আলমের ভালুকার ব্যক্তিগত অফিসে এক প্রতিবাদ সভারও আয়োজন করা হয়। বন আদালত প্রকৃত পক্ষেই কি মোর্শেদ আলমের জামিন কি না মুঞ্জুর করে ছিল কিনা?জামিনটা তিনি কোন আদালত থেকে পেয়েছে  এ সব বিভ্রান্তি দূর করার জন্যই আজকের এই লেখা। লেখাটি পড়ে যদি কোন ব্যক্তি কষ্ট পেয়ে থাকেন আমার কিছু করার নেই কারণ আপনার বাঁকা ও বিরূপ মন্তব্যেই উত্তর হিসাবে লিখাটি প্রকাশ করছি।

জানাযায়,হবিরবাড়ি মৌজার ৭৫৪নং দাগে ৫০শতাংশ বনের জমি দখলের অভিযোগ গত ৩১/০৭/২০১৬ইং তারিখ তৎকালীন বিট অফিসার শরিফুর রহমান খান চৌধুরী একটি মামলা করেন যার নম্বর ৯০৩। মামলায় সমন পেয়ে মোর্শেদ আলম আদালতে হাজির না হওয়ায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেন।তিনি দীর্ঘ দিন পলাতক থাকার পর ১৬আগস্ট সকালে তিনি ময়মনসিংহ বন আদালতে জামিন চেয়ে আত্নসর্মপন করে হাজির দাখিল করেন।তার পক্ষের কৌশলী ছিলেন অ্যাডভোকেট সঞ্জিত কুমার সরকার। আদালতের বিজ্ঞ ম্যাজিস্টেট হাফিজ আল আসাদ মোর্শেদ আলমের জামিন না মুঞ্জুর করেন। তাৎক্ষণিক মোর্শেদ আলমের কৌশলী অ্যাডভোকেট সঞ্জিত কুমার সরকার আঙ্গীকারনামা দিয়ে ময়মনসিংহ দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করলে শুনানির পর বিজ্ঞ দায়রা জজ আদালতের হাকিম ডা.আমির উদ্দিন আহাম্মেদ অন্তবর্তীকালীন জামিন দেয়। ম্যাজিস্টেট কোর্টে জামিন না মুঞ্জুর হওয়ার পর দায়রা জজ কোর্ট থেকে জামিন পাওয়ার আগ পর্যন্ত মোর্শেদ আলম কোথায় ছিলেন ? এ প্রশ্ন টা পাঠকদের কাছে রইল। দুটি সংবাদই আমি নিজ দায়িত্বে প্রকাশ করেছি কোন সংবাদাদাতা বা কোন প্রতিনিধি সংবাদটি করেননি।

এ কথা গুলো প্রমান করার জন্য নিন্মে কিছু কথা তুলে ধরা হলো :
ভালুকা ডট কম এর “ভালুকা বিএনপির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোর্শেদ আলম কারাগারে” সংবাদ প্রকাশ করার পর মোর্শেদ আলমের ভালুকার ব্যক্তিগত অফিসে একটি সভার আয়োজন করেন। সভার বক্তাদের বক্তব্য ফেইস বুকে সরাসরি সম্প্রচারও করা হয়। আমি সবার কথা বলতে চাই না শুধু মাত্র এক/দুজন নেতার বক্তব্যের ব্যাপারে কয়েকটি কথা বলছি।

মজিবুর রহমান মজু প্রকৃত পক্ষে কার পক্ষের লোক ,তিনি কি মোর্শেদ আলমের ভালো চান, না মন্দ চান ? এত বড় বড় বক্তব্য দিয়েন না কারণ আপনি হলেন ভালুকা বিএনপির বিষ ফুড়া যার মাঠে যান তার সব শেষ ,লোকশ্রুতি রয়েছে ভালুকার বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে যে দুটি মামলা হয়েছে তার আসামীর তালিকা নাকি আপনি মজু করে দিয়েছেন। কেন আপনার বিরুদ্ধে আজকে পর্যন্ত একটি রাজনৈতিক মামলাও হয়নি। দ্বৈত খেলায় নেমেছেন! আপনাকে প্রায় সময় সেলফিতে দেখা যায় বর্তমান উপজেলার পরিষদ চেয়ারম্যানের ও উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের সাথে। ওয়াহেদ টাওয়ারের উদ্বোধনীর মিষ্টি খাওয়ার অনুষ্ঠানের উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদকের সাথে ছবি ফেইস বুকে ভাইরাল হয়ে ছিল।

মজুকে প্রশ্ন করে বলছি। আপনার কি মনে আছে মোর্শেদ আলমের সাথে বিদ্রোহ করে আপনি যে পাঁচ রাস্তা মোড়ে হামিদ কারীর মার্কেটের একটি অফিসে ভালুকার সাংবাদিকদের ডেকে নিয়ে ভালুকার বিএনপির তৃতীয় গ্রুপের আত্নপ্রকাশ করেছিলেন। এখন যে মোর্শেদ আলমের সাথে মিশে গেছে আপনি কি তার ভাল চান না রাজনীতিতে ডুবাতে এসেছেন ?ভালুকা ডট কম এবং তার সাংবাদিকদের নিয়ে উস্কানি মূলক বক্তব্য দিয়ে কার উপকার করতে চাচ্ছেন?

প্রতিবাদে ভাষা আছে, অনেকই গঠন মুলক প্রতিবাদ করেছে। আপনি যে ভাবে বক্তব্য দিয়েছে ভাষা গুলো শ্রুতিমধুর ছিলনা। মজু আপনি হলে জাতীয় পর্যায়ে নেতাদের হামলায় আহত হওয়া নেতা। আপনার মুখের ভাষার জন্য বিএনপির চেয়ারপার্সনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে গত ইউপি নির্বাচনের আগ মুহুর্তে স্বদলীয় নেতার কর্মীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন মনে আছে ?। ওই সময় ঢাকার প্রথম সারির পত্রিকার সংবাদের খোরাক হয়ে ছিলেন আপনি মজু।

আরেক বিশেষ ব্যক্তির কথা না বলে পাচ্ছি না তিনি হলেন আমাদের এনটিভির ভালুকা প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন। আলমগীর হোসেন আপনি এক সময় জাতীয় পার্টির নেতা ছিলেন। এখন বিএনপিতে এসে গ্রুপিং এর রাজনীতি অংশগ্রহন শুরু করেছেন। আপনার পরিচয় কি সাংবাদিক, না রাজনৈতিক নেতা?আপনার ফেইস বুকের ব্যক্তিগত আইডিতে যে স্ট্যাটাস দিয়েছেন তা আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আপনি যদি রাজনৈতিক নেতা হিসাবে ভালুকা ডট কম এর সংবাদটির প্রতিবাদ করে থাকেন তাহলে আমার কোন কথা নেই। আর যদি সাংবাদিক হিসাবে কথা বলে থাকেন আমার কিছু কথা আছে। ভূয়া,মিথ্যা ও বানোয়াট কাকে বলে তার সংজ্ঞা জানেন? জেনে সাংবাদিকতা করবেন। যদি জেনে থাকেন তাহলে আমি যে প্রমান পত্র গুলো দিলাম তা কোনটি মিথ্যা,বানানোয়াট ও কোনটি উদ্দেশ্যে প্রনোদিত। সাংবাদিকতা ও চাটুকারিতা এক পেশা নয়।

এই লেখাটির ২য় পর্বে শুধু ভালুকা উপজেলা বিএনপির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক, ময়মনসিংহ (দক্ষিণ) জেলা বিএনপি’র সহ সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ আলমের বক্তব্যের উত্তর থাকবে ।#(চলবে)






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

সম্পাদকীয় বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫২৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই