তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

মুজিবুর রহমান মিল্কি আ’লীগের একজন প্রাণপুরুষ-নাজিম উদ্দিন এমপি

মুজিবুর রহমান মিল্কি আ’লীগের একজন প্রাণপুরুষ-নাজিম উদ্দিন আহমেদ এমপি
[ভালুকা ডট কম : ১৮ নভেম্বর]
বীরমুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান মিল্কি ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের একজন প্রাণপুরুষ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭১’র মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীতে আওয়ামীলীগের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রতিটি আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে গিয়ে বারবার কারাবরণ করেন তিনি। আওয়ামী রাজনীতিতে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ময়মনসিংহ জেলা আ’লীগের সাবেক সভাপতি প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মিল্কি সম্পর্কে এ কথাগুলো বলেন।

এর আগে শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন হৃদরোগে অক্রান্ত এই নেতাকে দেখতে যান তিনি। এসময় তার চিকিৎসাসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজ খবর নেন এবং রোগমুক্তি কামনা করেন।

মুজিবুর রহমান মিল্কি ছাত্রজীবনে ১৯৬৩ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগে যোগদান করেন। পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে ময়মনসিংহ আনন্দ মোহন সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহবায়ক নির্বাচিত হন। ১৯৬৬-৬৭ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এসময় এ কমিটির সভাপতি ছিলেন মাজহারুল হক বাকী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। ১৯৬৭-৬৮ সালে পুনরায় উক্ত কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। এ কমিটিতে সভাপতি ছিলেন ফেরদৌস আহমেদ কোরায়শী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন আব্দুর রাজ্জাক।

মুজিবুর রজমান মিল্কি ৬৬’র ছয় দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনে রাজপথে মিছিল করার সময় পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন এবং ছয় দিন কারাবরণ করেন। ৬৯’র গণ অভ্যুত্থানের সময় নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার হন এবং এসময় বিশ দিন কারাবরণ করেন তিনি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ১৯৭১ সালে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময় ১৯৭২ সনে কেন্দ্রিয় যুবলীগের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সনে ১৫ আগস্ট স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১২ নভেম্বর গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং এক বছর দশ মাস  আটদিন কারাবরণ করেন তিনি। এসময় তার জেল সঙ্গী ছিলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব এডভোকেট আব্দুল হামিদ, জাতীয় নেতা তোফায়েল আহমেদ, সৈয়দ আহমেদসহ আরো অনেকেই।

মুজিবুর রহমান মিল্কি ১৯৭৭ সনে ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৮-৮৯ সালে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ভাষা সৈনিক জনাব শামছুল হক ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নেতৃত্বাধীন কার্যকরী কমিটির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯০ সনে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় গভীর রাতে নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার এবং  নয়মাস কারাবরণ করেন তিনি। ১৯৯৭ সালে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি  আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন আহমেদ এর নেতৃত্বাধীন কার্যকরী কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ২০০৪ সনে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জনাব আলহাজ্ব অধ্যক্ষ মতিউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক  আব্দুল মতিনের নেতৃত্বাধীন কার্যকরী কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি।

মুজিবুর রহমান মিল্কি খালেদা নিজামী জোট সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এছাড়াও  ময়মনসিংহের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে অবদান রেখেছেন এই বর্ষীয়ান নেতা। (তথ্য প্রদানে- কামরুজ্জামান কাউছার, এমপি’র ব্যক্তিগত সহকারি)। #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই