তারিখ : ১৮ জুন ২০১৮, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

পুলিশ কনস্টেবল বহিঃস্কার হওয়াই গার্মেন্ট কর্মীকে হুমকী

পুলিশ কনস্টেবল বহিঃস্কার হওয়াই গার্মেন্ট কর্মীকে হুমকী
[ভালুকা ডট কম : ২০ জানুয়ারী]
পুলিশ কনস্টেবলের প্রেমের ফাঁদে পড়ে নির্যাতিত গার্মেন্ট কর্মীর খবর পত্রীকায় প্রকাশ  হওয়াই সাময়ীক ভাবে বহিঃস্কার হয়েছেন পুলিশ কনস্টেবল মাসুদুর রহমান। ইতিমধ্যে মাসুদুর রহমানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে ফের অভিযোগ দায়ের করেছেন গার্মেন্ট কর্মী রত্না আক্তার(২১)।

১৯ ডিসেম্বর বুধবার পুলিশ হেডকোয়ার্টারের (সিকিউরিটি সেল) সদরদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান ঐ কিশোরি। যার কারনে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে ঐ কিশোরী অভিযোগ করেছেন। কিশোরি জানান, উক্ত কনস্টেবলের বিরুদ্ধে সে অভিযোগ করায় ঐ কিশোরিকে বিভিন্ন ভাবে হুমকী দিচ্ছেন অভিযোগ তুলে নেয়ার জন্যে। কিশোরী বলেন, মাসুদ তার চাকরি থেকে সাময়িক বহিঃস্কার হওয়াই আমাকে বার বার হুমকী দিচ্ছে। আমাকে সে ছাড়বেনা, মেরে ফেলারও ভয় দেখাচ্ছে বলে কিশোরি সাংবাদিকদের জানান। কনস্টেবল মাসুদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও অবহিত করেন।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর  হালুয়াঘাট স্থানীয় প্রেসক্লাবে প্রথম দফায় অভিযোগের পর ২৭ সেপ্টেম্বর দৈনিক মানবজমিন পত্রিকায় “কনস্টেবলের প্রেমের ফাঁদে গার্মেন্ট কর্মী” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হলে পুলিশ হেড কোয়ার্টার থেকে তদন্তের ভার আসে গাজীপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের বিশেষ শাখায় পুলিশ পরিদর্শক (ডি আই ও-২) মমিনুল ইসলামের কাছে। পাশাপাশি উক্ত পুলিশ কনস্টেবলকে সাময়িকভাবে বহিস্কার করা হয়। বহিস্কারের বিষয়টি নিশ্চিৎ করেছেন অভিযুক্ত কনস্টেবল মাসুদ নিজেই। ।মাসুদ শেরপুর জেলার শ্রীবর্দী উপজেলার গড়জরিপাড়া গ্রামের আব্বাহাজল ওরফে জয়নাল আবেদিনের পুত্র। সে  ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানায় চাকরি করতেন। সেই সময়ে পরিচয় হয় গার্মেন্টকর্মী রত্নার সাথে।

রত্না জানান, প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে প্রতারনার আশ্রয় নেয় মাসুদ। বিয়ের প্রলোভন দেখায় এবং এক বৎসর যাবৎ তার সঙ্গে দৈহিক মেলামেশা করে। একপর্যায়ে কেটে পড়ে। পরে কোন উপায়ান্তর না পেয়ে অভিযোগ করেন প্রথমে সংবাদ মাধ্যম আর দ্বিতীয় দফায় পুলিশ হেডকোয়ার্টারে। গার্মেন্টকর্মী রত্না আরও বলেন, মাসুদ যখন আমার কাছ থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে তখন খবর নিয়ে জানতে পারি, ইতিমধ্যে সে আরও দুটি বিয়ে করেছে। তার পুত্র সন্তানও রয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল মাসুদ বহু মেয়ের সাথেই প্রেমের ফাঁদ পেতে তাদেরকে সর্বশান্ত করেছে। যার কারনে এর পূর্বেও চাকরি থেকে মাসুদকে বহিস্কার হতে হয়েছে বলে জানান রত্না।

পুনঃঅভিযোগের বিষয়ে কনস্টেবল মাসুদের সাথে মুঠোফোনে কথা বললে রত্নার সাথে তার দৈহিক মেলামেশা ছিলো তা স্বীকার করে বলেন, ভাগ্যে যা লিখা আছে তাই হবে। আমি রত্নাকে বিশ্বাস করতাম। এতোবড় ক্ষতি রত্না করবে তা কখনো ভাবিনি আমি। মাসুদ বলেন রত্নার সাথে যা হয়েছে তা দুজনের সম্মতিক্রমেই হয়েছে। এছাড়া রত্নাকে সে হুমকী দিচ্ছে তা অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে রত্নার অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা গাজীপুর পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ ইন্সপেক্টর মমিনুল হক বলেন, কনস্টেবল মাসুদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষ পর্যায়ে। খুব শীগ্রই তা পুলিশ হেড কোয়ার্টারে দাখিল করা হবে বলে তিনি জানান।  #






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

নারী ও শিশু বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ২০৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই