তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

হালুয়াঘাট পৌর নির্বাচন নিয়ে হিন্দু কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

হালুয়াঘাট পৌর নির্বাচন নিয়ে হিন্দু কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
[ভালুকা ডট কম : ২৪ মার্চ]
আগামী ২৯ শে মার্চ আসন্ন হালুয়াঘাট প্রথম পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে হিন্দু কমিউনিটিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায় থেকে দীর্ঘ চল্লিশ বছর পরে পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে অংশ নিয়েছেন বাবু প্রশান্ত কুমার সাহা। তিনি মোবাইল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।

হিন্দু কমিউনিটি সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের দাবী হচ্ছে তাদের সম্প্রদায়ের ২২ শতাধিক ভোট রয়েছে। এখান থেকে কাছাকাছির একটি সংখ্যার ভোট তারা পাবেন বলে তারা বিশ্বাস করেন।  আবার তাদের মাঝেও কেউ কেউ বলছেন, হিন্দু কমিউনিটি সম্প্রদায়ের লোকজন যুগ যুগ ধরে নৌকার সমর্থক হিসেবে পরিচিতি লাভ করে আসছে। সকল ভোটার যে তাদের তা কখনো হতে পারেনা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হালুয়াঘাট পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারন সম্পাদক ও সাবেক অধ্যাপক জয়দেব দত্ত বলেন, হিন্দু কমিউনিটির মাঝে এখনো যতেষ্ঠ একতা রয়েছে। কেউ কেউ হয়তো দলীয় পদধারী বা কোন স্বার্থের মোহে নৌকার সমর্থনে থাকতে পারে। আমরাও নৌকার লোক ছিলাম। তবে যেহেতু দীর্ঘদিন পরে আমাদের মাঝখান থেকে দলমত নির্বিশেষে একজন ভালো মানুষ পেয়েছি, তার জন্যে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, মুসলমান সম্প্রদায়েরও ব্যপক সাপোর্ট রয়েছে। আমরা আশাবাদী যে, সকল হিন্দু সম্প্রদায়সহ সকলে বাবু প্রশান্ত কুমার সাহাকে ভোট দিবে এবং আমার বিশ্বাস সে বিজয়ী  হবে, তিনি আরও বলেন, প্রশান্ত কুমার সাহা মেয়র পদে উত্তীর্ণ হয়ে ভালো মানুষ হিসেবে পরীক্ষা দিবে।

অপরদিকে যুবলীগের আহবায়ক কমিটির যুগ্ন আহবায়ক সম্রাট ঘোষ বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই হিন্দু কমিউনিটির লোকজন নৌকার হয়ে কাজ করে আসছে। প্রশান্ত কুমার সাহা দাবী করতে পারে যে, হিন্দু কমিউনিটির সকল ভোট সে পাবে। কিন্তু তার দাবীটা আদৌ সত্য নয়। ছাত্রলীগ নেতা প্রভাকর সরকার বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। হিন্দুরা সারাজীবনই নৌকার ছিলো। কেউ যদি সাম্প্রদায়িকতার দাবী করে সেটা পুরোপুরি বাস্তবায়ন কখনো হতে পারেনা। তবে হিন্দুদের অনেকেই প্রশান্ত কুমার সাহাকে সমর্থন করেছে। আবার অনেকেই নৌকার পক্ষেও আছে। পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক সমির কুমার সরকার লিটন বলেন, আমি মনে করি হিদু সম্প্রদায়ের ভোট দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। কেউ যদি পুরোপুরি তা দাবী করে তা আদৌ সত্য নয়।

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ৪ শ’ ২৭ জন। পুরুষ ভোটার ৭ হাজার ২ শ’ ২৭ ও মহিলা ভোটার ৭ হাজার ২শ’ জন। প্রথম বারের মত এ পৌর নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ থেকে নৌকা প্রতীকে নিয়ে নির্বাচন করছেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সম্পাদক খাইরুল আলম ভূঞা। তবে এ দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল মোতালেব ও উপজেলা আওয়ালীগের সদস্য প্রশান্ত কুমার সাহা। বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল হামিদ। কিন্তু এ দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রার্থী হয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি নাদিম আহমদ। এছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন সদ্য বিদায়ী সাবেক সদর ইউপি চেয়ারম্যান সালেহ আহাম্মদ।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

নির্বাচন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই