তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০১৮, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রিজার্ভ চুরির সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং প্রতিক্রিয়া

রিজার্ভ চুরির সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং প্রতিক্রিয়া
[ভালুকা ডট কম : ০৬ মে]
দু’বছর আগে ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমাকৃত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। হ্যাকড হওয়া অর্থের একটি অংশ এর মধ্যে শ্রীলংকা ও ফিলিপাইন থেকে ফেরত এসেছে। বাকি ৬৬ মিলিয়ন ডলার ফেরত পাওয়া এখনো অনিশ্চিত। বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির  ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির হিসাব ও বাজেট শাখার যুগ্ম পরিচালক জুবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে বাংলাদেশে একটি মামলা রুজু করেন।

মুদ্রা পাচার ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আজ বৃহস্পতিবার ধার্য ছিল। কিন্তু এ দিন মামলার তদন্ত সংস্থা সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় আবারো তারিখ পিছিয়ে দেয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর হাকিম এ কে এম মঈন উদ্দিন সিদ্দিকী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩ জুন পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে রিজার্ভের অর্থ চুরির দুই বছর পার হলেও বেশির ভাগ অর্থ আদায় এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে না পারা খুবই উদ্বেগজনক ঘটনা। এ প্রসংগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড: সালেহ উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় ইতিপূর্বে গঠিত তদন্ত  কমিটি সরকারের নিকট  রিপোর্ট জমা দিয়েছে । কিন্তু তার বিষয়বস্তু সম্পর্কে বা কারা জড়িত সে সম্পর্কে কিছুই তথ্য প্রকাশ না করার কারনে জনমনে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।  অন্যদিকে  সিআইডি তাদের প্রতিবেদন দিতে দেরী করার কারনে বিষয়টি ক্রমশ: দীর্ঘসূত্রিতায় জড়িয়ে পড়ছে। সব মিলিয়ে  চুরি যাওয়া অর্থ ফেরত পাবার ব্যাপরটিও অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।

২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি সুইফট সিস্টেম ব্যবহার করে ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়। এ অর্থের একটি বড় অংশ ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) মাধ্যমে ফিলিপাইনে চলে যায়। ফিলিপাইনের  আরসিবিসি ব্যাংক ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশকে কোনো অর্থ ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনা তাদের নেই। রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়িত্ব অস্বীকার করে তারা বলেছে,বাংলাদেশ ব্যাংকের অবহেলা ও অসাবধানতার’ দায় বাংলাদেশকেই নিতে হবে। ইতোমধ্যে চুরি হওয়া অর্থ ফিলিপাইন থেকে অন্য দেশে পাচার হয়ে গেছে।

গত মার্চ মাসে মার্কিন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই) জানিয়েছে, নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ থেকে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার “রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়” চুরি গেছে। রিজার্ভ চুরির ঘটনা তদন্তের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এফবিআই'র  কর্মকর্তা  ল্যামন্ত সিলার ফিলিপাইনে সাইবার নিরাপত্তা ফোরামের এক বৈঠকে বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা  ব্যাংকিং খাতে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় হামলার একটি উদাহরণ।#






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫২৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই