তারিখ : ২৪ জুন ২০১৮, রবিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

বংশগত রোগ থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে জানুন

বংশগত রোগ থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে জানুন
[ভালুকা ডট কম : ০৭ মে]
৮'মে মঙ্গলবার বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হবে। এবছর দিবসটির শ্লোগান হলো, ‘'বিয়ের আগে পরীক্ষা করলে রক্ত, সন্তান থাকবে থ্যালাসিমিয়া মুক্ত’'। থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তের রোগ। এ রোগে রক্তের কণিকা অতি দ্রুত ভেংগে যায় ও হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকে। থ্যালাসেমিয়া ধারণকারী মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেনস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়াতে ভুগে থাকেন। অ্যানিমিয়ার ফলে অবসাদগ্রস্ততা থেকে শুরু করে অঙ্গহানি ঘটতে পারে। থ্যালাসেমিয়া দুইটি প্রধান ধরনের হতে পারে: আলফা থ্যালাসেমিয়া ও বেটা থ্যালাসেমিয়া।

দেশের ১০ ভাগ মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিনের বাহক যার চার শতাংশ  থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। দেশে প্রতিবছর প্রায় ৭,৫০০ শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্ম গ্রহণ করে অর্থাৎ প্রতিদিন প্তায় ২০ জনের শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৩০,০০০ শিশু থ্যালাসেমিয়া রোগী। বিশ্বে থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক প্রায় ২৫ কোটি। বাংলাদেশে প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ মানুষ থ্যালাসেমিয়া রোগের বাহক। পার্বত্য অঞ্চলে এ হার আরও বেশি। বিশ্বে প্রতি বছর এক লাখ শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।

থ্যালাসেমিয়া কি?শরীরে ত্রুটিপূর্ণ 'হিমোগ্লোবিন জিনে'র কারণে থ্যালাসেমিয়া হয়। বাবা অথবা মা  কিংবা মা-বাবা উভয়েরই থ্যালাসেমিয়া জিন থাকলে বংশানুক্রমে সন্তানের মধ্যেও ছড়ায়।

থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ: জন্মের পর পরই এ রোগ ধরা পড়ে না। নবজাতক যেসব শিশুর এই সমস্যা থাকে তারা জন্মের সময় বেশ সুস্থ থাকে। তবে জন্মের প্রথম দুই বছরের মধ্যেই এর উপসর্গ দেখা যায়। অতিরিক্ত আয়রন, সংক্রমণ, অস্বাভাবিক অস্থি, প্লীহা বড় হয়ে যাওয়া, অবসাদ, দূর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, মুখ-মন্ডল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, অস্বস্তি, জন্ডিস, মুখের হাড়ের বিকৃতি, শারীরিক বৃদ্ধি কম, হলুদ প্রস্রাব, হৃৎপিণ্ডে সমস্যা ইত্যাদি।

থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা : রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগ নিরূপণ করা হয়। হিমোগ্লবিন ইলেক্ট্রোফরোসিসের দ্বারা থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।

থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসা :প্রতিমাসে রোগীকে রক্ত নিতে হয়। এখন পর্যন্ত অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপনই হলো এ রোগের একমাত্র চিকিৎসা। আমাদের দেশে অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন শুরু হলেও থ্যালাসেমিয়া রোগীদের এখনো শুরু হয়নাই। থ্যালাসেমিয়ায় আয়রন জাতীয় ওষুধ ও খাবার একদম নিষেধ।

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ: থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধের একমাত্র উপায় বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা। এর জিন বহনকারী নারী গর্ভধারণ করলে তার সন্তান প্রসবের আগে অথবা গর্ভাবস্থায় ৮ থেকে ১৪ সপ্তাহের মধ্যে প্রি-নেটাল থ্যালাসেমিয়া নির্ণয় করতে হয়। #






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

স্বাস্থ্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ২০৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই