তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

কালিয়াকৈরে কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

কালিয়াকৈরে কলেজে অধ্যক্ষ নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ
[ভালুকা ডট কম : ১৬ মে]
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বড়ইবাড়ী এ কে ইউ ইনষ্টিটিউশন ও কলেজের অধ্যক্ষ পদে প্রার্থী নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ওই পদে ইন্টারভিউর পর নিয়োগের জন্য বাছাই প্রার্থী সোলায়মান সিকদারের বিরুদ্ধে ভৃতপুর্ব চাকুরীকালীন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, দুনীর্তি, অসদাচারন ও দাপ্তরিক দায়িত্বে অবহেলার কারনে জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপরেজিষ্টার পদ থেকে চাকুরীচুত্য করা হয়।

নানা অনিয়মের বিষয়টি কলেজ ব্যবস্থাপনা কমিটিকে জানানোর পরও তার নিয়োগের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। অধ্যক্ষ নিয়োগের ঘটনায় এলাকায় চরম উওেজনা বিরাজ করছে।বিশেষজ্ঞ সদস্য অধ্যক্ষ নির্বাচনী বোর্ড ও ডিজির প্রতিনিধি ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ জেরিন সুলতানা বলেন, ডিজির প্রতিনিধি হিসেবে আমি ৮জন প্রার্থীর ইন্টারভিউ নিয়েছি। তাদের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রার্থীর প্যানেল করে দিয়েছি। তাদের ভাইভা হবে পরে নিয়োগ হবে। প্রার্থীর বিরুদ্ধে কোন অনিয়ম অভিযোগ থাকলে সেটা গর্ভনিংবডি দেখবে।

জানা যায়, কালিয়াকৈর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বড়ইবাড়ী এ কে ইউ ইনষ্টিটিউশন ও কলেজের অধ্যক্ষ পদের জন্য ৯ জন প্রার্থী অধ্যক্ষ পদের জন্য আবেদন করেন। গত ৬-০৫-১৮ইং তারিখে ওই কলেজে প্রার্থীদের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন প্রার্থী নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। নিয়োগ বোর্ডে ছিলেন বিশেষজ্ঞ সদস্য অধ্যক্ষ নির্বাচনী বোর্ড ও ডিজির প্রতিনিধি ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ জেরিন সুলতানা, কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিষদের সভাপতি এ কে এম সিরাজুল ইসলাম, সদস্য তাজুল ইসলাম খান, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুশীল চন্দ্র সরকার। নিয়োগ পরীক্ষায় সোলায়মান সিকদার নামের প্রার্থী প্রথম হয়। কিন্তু আবু সাইদ নামে এক ব্যাক্তি প্রার্থী সোলায়মান সিকদারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ লিখিত আকারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও ডিজির প্রতিনিধি বরাবর দেওয়া হলেও তাকে ইন্টারভিউর পর নিয়োগ প্রক্রিয়া চুড়ান্ত করেছে। অভিযোগে বলা হয় সরকারী নিয়ম অনুযায়ী এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষকের ইনডেক্স নাম্বার থাকে। যার মেয়াদ থাকে দুবছর। সোলায়মান সিকদারের চাকুরীরত সাবেক কলেজের ২০১৫ইং সনের জুলাই ও নভেম্বর এবং ২০১৬ সনের জানুয়ারী ও মার্চ পর্যন্ত এমপিওতে তাহার ইনডেক্স নাম্বার নেই।

সোলায়মান সিকদারের বিরুদ্ধে ভৃতপুর্ব চাকুরীকালীন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, দুনীর্তি, অসদাচারন ও দাপ্তরিক দায়িত্বে অবহেলার কারনে জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপরেজিষ্টার পদ থেকে চাকুরীচুত্য করা হয়। নিয়োগ বোডের কাছে প্রার্থী সোলায়মান সিকদারের নানা দুর্নীতি বিষয় প্রমানসহ জমা দেওয়ার পরও নিয়োগ বোর্ড তরিঘরি করে সোলায়মান সিকদারকে নিয়োগের প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন। বিষয়টি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সভাপতি গভনিং বডি বড়ইবাড়ী এ কে ইউ ইনষ্টিটিউশন ও কলেজ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বড়ইবাড়ী এ কে ইউ ইনষ্টিটিউশন ও কলেজ, সদস্য নিয়োগ বোর্ড ও অধ্যক্ষ নির্বাচনী বোর্ডকে অবহিত করার পরও একজন দুর্নীতিবাজ শিক্ষকের নিয়োগের ঘটনায় সকলেই হতবাক।

অভিযুক্ত সোলায়মান সিকদার বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়। আমার ইনডেক্স নাম্বার আছে। একটি পক্ষ সংক্ষুদ্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়ন্ত্র করছে।কলেজের গর্ভনিংবডির সভাপতি সিরাজ সিকদার বলেন, নিয়ম অনুযায়ী সোলায়মান সিকদারকে অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার কাগজপত্র যাচাইবাছাই করে পাওয়া গেছে। #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শিক্ষাঙ্গন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই