তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

সাপাহারে প্রধান রাস্তার দু’পাশে আমের হাট বসায় যানজট

সাপাহারে প্রধান রাস্তার দু’পাশে আমের হাট বসায় যানজটের সৃষ্টিতে ভোগান্তিতে এলাকাবাসী,প্রয়োজন আলাদা আমের হাট
[ভালুকা ডট কম : ০৫ জুলাই]
আমের দ্বিতীয় রাজ্য হচ্ছে নওগাঁর ঠাঁ ঠাঁ বরেন্দ্র অঞ্চল পোরশা, সাপাহার, পত্নীতলা উপজেলা। আর এই আম বিক্রয় করার প্রধান হাট বসে সাপাহার উপজেলা সদরে। আম কেনার যত মোকাম ও আড়ৎ অবস্থিত এই শহরের প্রধান রাস্তার দু’পাশ দিয়ে।

পুরো আম মৌসুমে সাপাহারে সদর রাস্তার দু’পাশে বসে আম কেনা-বেঁচার হাট। আর এই কারণে সড়কে যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ব্যাঘাত সৃষ্টি হওয়ায় চলাচলে উপজেলার সাধারণ জনগনের ও পথচারিদের দুর্ভোগে চরম আকার ধারণ করেছে। আমের রাজধানী নওগাঁর সাপাহারে পরিকল্পিতভাবে আম কেনা বেচার জন্য নির্দিষ্ট কোন বাজার গড়ে না ওঠায় চরম যানজটের শিকার হয়ে সাপাহার উপজেলাবাসী এখন নাকাল হয়ে পড়েছে।

উপজেলার রাস্তার দুই পাশে গড়ে ওঠা আড়ৎ ও রাস্তার উপর আম কেনা-বেঁচা করায় প্রায় প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত সাপাহার-নওগাঁ সড়কের উপজেলার জিরো পয়েন্ট হতে গোডাউন পাড়া মোড় প্রায় ২ কিলোমিটার পথ যানজটে বন্ধ হয়ে থাকে। প্রতিদিন সাপাহার উপজেলাসহ পোরশা ও পত্নীতলা উপজেলার কিছু অংশের শত শত এলাকার হাজার হাজার মন আম সাপাহারে এনে একটি মাত্র রাস্তায় বিক্রি করতে গিয়ে এই যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

ব্যস্ততম এই রাস্তাটি দিয়ে নজিপুর, মহাদেবপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, ঢাকা পথে প্রতিনিয়ত দূরদূরান্তের যানবাহন সকাল বিকাল চলাচল করে কিন্তু রাস্তার দুই পাশে আম বাজার গড়ে ওঠার কারনে প্রতিবছর আম মৌসুমে রাস্তায় যানজটের কারনে অনেক সময় বিশাল যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজটের কারনে উপজেলার সাধারণ মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এবং স্কুল কলেজেরে ছেলে-মেয়েদের রাস্তা পারাপারে খুব কষ্ট হয়। চাকরিজীবীদের সঠিক সময়ে অফিসে ও ছাত্র-ছাত্রীরা স্কুল কলেজে পৌছানো সম্ভব হয়ে ওঠে না। ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তার উপর রিক্সা, ভ্যান, বাস, ট্রাক, ট্রলি, ভটভটি সাইকেল, মোটর সাইকেল দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছে নিজ নিজ গন্তব্যস্থলে পৌছানোর জন্য।

সাপাহার-নওগাঁ চলাচলে সাপাহার উপজেলার প্রধান সড়কের দুই পাশে অবাধে আম আড়ৎ গড়ে ওঠায় একাধিক বার দূর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে এবং ছোট বড় কিছু কিছু দূর্ঘটনায় মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। যা ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের জন্য ঝুকিপূর্ণ ।

স্থানীয় প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ এই আম বাজার সরিয়ে নিয়ে মানুষের মৃত্যু ঝুকি কমিয়ে নিরাপদ করতে পারে। কিন্তু  রাস্তার দুই পাশে হরহামেশায় আড়ৎ গড়ে ওটা ও রাস্তার উপর আম কেনা-বেচার কারনে যে হারে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এতে করে উপজেলাবাসী চরম দুর্ভোগে পড়েছে প্রশাসনের জনবল গিয়েও যানজট নিরসন করতে হিমশীম খেয়ে পড়েছে ।

কর্তৃপক্ষের কাছে এলাকাবাসীর ও সচেতন মহলের দাবী আম বাজারটা যদি প্রধান সড়ক বাদ দিয়ে বাজারের বাইরে অন্য কোন এলাকায় গড়ে তোলা হয় তাহলে এতটা দুর্ভোগে পোহাতে হবে না। তার সাথে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানান অতি অল্প সময়ের মধ্যে উপজেলায় আম সংরক্ষনাগার স্থাপনের।

সাপাহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: শামসুল আলম শাহ বলেন আম বাজারের কারণে রাস্তার দু’পাশের জানজট নিরসনে আমিসহ আমার সঙ্গীয় ফোর্স সব সময় সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত কাজ করে যাচ্ছে। তবে শহরের বাহিরে আলাদা জায়গায় যদি এই আম বিক্রয় করার আলাদা ব্যবস্থা করা যায় তাহলে ব্যস্ততম এই শহরে আর যানজটের সৃষ্টি হবে না।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩১ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই