তারিখ : ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মানববন্ধন

ভালুকায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে মানববন্ধন
[ভালুকা ডট কম : ২১ জুলাই]
ভালুকা উপজেলার কাচিনা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবু বকর সিদ্দিক বাবুলের সহযোগিতায় এক বিধবা নারীর অবৈধ গর্ভপাত ঘটানোসহ বিভিন্ন অনিয়নের অভিযোগে শুক্রবার বিকালে উপজেলার তালাব গ্রামে স্থানীয় জনগণের উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী একটি মানববন্ধন হয়। ওই এলাকার বাসিন্দা বিধবা আবেদা সুলতানা বাদি হয়ে তালাব এলাকার সাইফুল ইসলাম ও বাবুল মেম্বার সহ ৭জনকে আসামী করে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা (নং-৩০) দায়ের করেছেন।

সূত্রে জানা যায়,তালাব গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন মিন্টু ২০১৭ সালে মারাযান। মিন্টু মারা যাওয়ার পর পার্শ্ববর্তী কাদিগড় গ্রামের সাইফুল ইসলামের সাথে মিন্টুর বিধবা স্ত্রী আবেদা সুলতানার সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অবৈধ সম্পর্কের সূত্রধরে আবেদা সুলতানা ১৩সপ্তাহের অন্তঃস্বত্বা হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুলের সহযোগীতায় সাইফুল ইসলাম আবেদা সুলতানাকে ময়মনসিংহ শহরের রংধনু প্যাথলজিতে নিয়ে অজ্ঞান করে ভালুকা উপজেলার ধামশুর গ্রামের বাসিন্দা ডা. আশরাফ উদ্দিনের স্ত্রী ডা.শামীম আরা বেগমকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ১জুলাই গর্ভপাত ঘটায়। পরবর্তীতে সুস্থ হয়ে আবেদা সুলতানা গত ৭জুলাই সাইফুল ইসলামের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের জন্য চাপ দেন। এ সময় সাইফুলের আত্নীয় হেলিম কারী,আব্দুল মজিদ মুন্সী,মোর্শেদা বেগম,হেমায়েত হোসেন ও মামুন তালুকদার তাঁকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এ ঘটনায় আবেদা  সুলতানা বাদী হয়ে তার ভাই জাহাঙ্গীর আলম (সাবেক মেম্বার)এর সহযোগীতায় ৭জনের নাম উল্লেখ করে ১৪জুলাই ভালুকা মডেল থানায়  একটি মামলা করেন।

এ গর্ভপাতের ঘটনা ,বাবুল মেম্বারের বিভিন্ন অপকর্ম ও অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় জনগণ ক্ষোব্ধ হয়ে একটি মানব বন্ধন করেন। মানববন্ধনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জয়নাল আবদীন,আলী হোসেন,আলমগীর হোসেন,কামাল উদ্দিন, আশরাফুল আলম,আলাল উদ্দিন, খোকন,নূরুল ইসলাম ও আব্দুর রশিদ।ইউপি সদস্য আবু বকর সিদ্দিক বাবুলের মোবাইল ০১৭১৪-***৩০৩ নম্বরটি বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

কাচিনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুশফিকুর রহমান লিটন জানান, এ ঘটনায় বাবুল মেম্বারকে স্থানীয় কয়েক জন দালাল ও বাজে লোক জড়িয়েছে। বাবুল মেম্বার তিনি এ ঘটনার সাথে কোনো ভাবেই জড়িত নয়। মামলার বাদী আমাদেরকে জানিয়েছেন তিনি বাবুল মেম্বারকে জড়িয়ে মামলা করেননি। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে আপষ মীমাংসার চেষ্টা চলছে।

মামলার তন্তকারী কর্মকর্তা ভালুকা মডেল থানার এস,আই নবী হোসেন জানান,আবেদা সুলতানা বাবুল মেম্বারকে মামা বলে ডাকেন। মেম্বারের সাথে ওই মহিলার যোগযোগ ছিলো অনেক সময় তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যেতো। কিন্তু মেম্বারের সাথে তার কোনো অবৈধ সম্পর্ক ছিলো তা বলা যাচ্ছে না। সাইফুল ইসলামের সাথে আবেদা সুলতানার অবৈধ সম্পর্ক ছিলো এটা সত্য। গর্ভপাতের বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। যদি অবৈধ গর্ভপাত করানো হয়ে থাকে তাহলে ডাক্তারও ছাড় পাবেন না।#




সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৪৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই