তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

শিশুর পেটে কৃমি হলে করণীয়

শিশুর পেটে কৃমি হলে করণীয়
[ভালুকা ডট কম : ২৬ জুলাই]
গ্রাম-গঞ্জ ও শহর-বন্দরের আবালবৃদ্ধবনিতা সবার পেটেই কৃমি হতে পারে। প্রতিদিন একটি কৃমি আমাদের খাদ্যনালী থেকে ০.২ মিলি রক্ত চুষে নেয়। কৃমি হলো এক ধরণের পরজীবি যা খাদ্যনালীতে বাস করে। কৃমির ডিম মানুষের মুখের মাধ্যমে পেটে প্রবেশ করে। আবার কিছু লার্ভা হিসেবে পায়ের ত্বকের মাধ্যমে প্রবেশ করে। কৃমি অনেক সময় মানুষের যকৃত এবং অন্য অঙ্গেও আক্রমণ করতে পারে।

কৃমির প্রকারবেধ: গোল কৃমি, সুতা কৃমি, বক্র কৃমি ও ফিতা কৃমি।

কৃমি যেভাবে ছড়ায়:
দূষিত খাবার এবং পানি গ্রহণ।
আক্রান্তের মলের মাধ্যমে
মাটি থেকে পায়ের চামড়ার ভিতর দিয়ে ঢুকে।

কৃমিতে মানুষের জটিলতা :
কৃমির কারনে শিশুর অপুষ্টি, রক্তশূন্যতা, এলার্জি, চুলকানি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, পেট ফাঁপা, পেটে ব্যথা, আমাশয়, জণ্ডিস ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়।

চিকিৎসা :
শীত ও গ্রীষ্মকাল সবসময়ই কৃমিনাশক খাওয়ানো যায়। শিশুদের সরকার কর্তৃক বছরে দুইবার প্রদত্ত কৃমিনাশক খাওয়াতে হয়। এছাড়া চিকিৎসকের পরামর্শক্রমেও প্রতি ছয়মাসে একবার কৃমিনাশক ঔষধ খাওয়ানো যায়। শিশুর পাশাপাশি বাড়ীর সবাইকে কৃমি নাশক ঔষধ খাওয়াতে হবে। কৃমিনাশক ভরা পেটে খেতে হয়।

কৃমি প্রতিরোধ :
খাবার ও পানি নিরাপদ হওয়া।
হাত পরিষ্কার করে ধুতে হবে।
শাক সবজি ধুয়ে রান্না করা।
খাবার ঢেকে রাখতে হবে।
পায়খানা ব্যবহার করতে হবে।
হাতের নখ ছোট রাখতে হবে।
জুতা বা স্যান্ডেল পড়তে হবে।



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

নারী ও শিশু বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৪৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই