তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০১৮, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভোট বাতিলের দাবি ৭ মেয়র প্রার্থীর

ভোট বাতিলের দাবি ৭ মেয়র প্রার্থীর
[ভালুকা ডট কম : ৩০ জুলাই]
জাল ভোট, হামলা, ভোটে বাধাদানসহ অনিয়মের নানা অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বরিশাল ও সিলেটি সিটি করপোরেশনের সাত মেয়র প্রার্থী। আজ (সোমবার) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বিএনপির মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে সরোয়ার অভিযোগ করেন, গাজীপুর ও খুলনায় ভোটগ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হলেও বরিশালে ভোট শুরুই করা হয়নি। ৭০ থেকে ৮০টি কেন্দ্রে ভোট শুরু না হতেই ব্যালটে নৌকার সিল মেরে বাক্স ভর্তি করা হয়েছে। বিএনপি ও অন্য দলের কোনো প্রার্থীর এজেন্টদের ভোটকক্ষে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।  কোনো সরকারের আমলেই এমন নজিরবিহীন ভোট আমরা দেখিনি। এমন প্রহসনের নির্বাচন না করে এমনিতেই ঘোষণা দিয়ে নিয়ে যেতে পারত সরকার।’ সংবাদ সম্মেলনে সরওয়ার নৌকা প্রতীকে সিল মারা ১০ থেকে ১২টি ব্যালট সাংবাদিকদের দেখিয়ে বলেন, সদর গার্লস স্কুল কেন্দ্রে এভাবে ব্যালটে নৌকার সিল মেরে বাক্স ভর্তি করা হয়েছে।

এ ছাড়া, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) মেয়র প্রার্থী এ কে আজাদ, ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মেয়র প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস ভোট স্থগিত ও নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।

এদিকে, ইসলামী আন্দোলনের ওবাইদুর রহমান ও মনীষা চক্রবর্তী সমর্থকদের নিয়ে ‘প্রহসনের নির্বাচন মানি না মানব না’, ‘ভোট চুরির নির্বাচন মানি না মানব না’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বরিশাল সদর রোডে পৃথকভাবে মিছিল করছেন। এ সময় মনীষা অভিযোগ করেন, তিনি সদর গার্লস স্কুল কেন্দ্রে গিয়ে প্রকাশ্যে নৌকা প্রতীকে সিল মারতে দেখেন। প্রতিবাদ করলে তাঁর ওপর দুই দফায় হামলা করা হয়। অভিযোগ জানানোর পরও এই কেন্দ্রে নির্বাচন এখনো চলছে। এই কেন্দ্রের মতো সব কেন্দ্রেই নৌকায় সিল মারা হচ্ছে। বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট গ্রহণে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেছেন।  এদিকে, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বরিশালে ভোট স্থগিত চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন। তিনি সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেবেন বলে তার নির্বাচনী এজেন্ট জানিয়েছেন।

অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার মাহাবুব তালুকদার বলেছেন-‘আমি শুনেছি বরিশালে ভোটকেন্দ্র দখল হয়েছে। সেখানে একজন মেয়র প্রার্থীর সঙ্গে খারাপ আচরণও করা হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী ভোট বর্জনও করেছে। আমরা জেনেছি বরিশালে খুব বাজে অবস্থা। আমরা তদন্ত করে দেখছি। এসব বিষয় নিয়ে আমরা কমিশনে আলাপ-আলোচনা করেছি। কমিশন সভায় যে সিদ্ধান্ত হয়, তা পরে জানানো হবে।’ আজ (সোমবার) দুপুরে আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকা এই নির্বাচন কমিশনার এসব কথা বলেন।

এদিকে, সিলেটে মেয়র পদে বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে ভোট বাতিলের লিখিত আবেদন করেন। এতে তিনি ৪১টি কেন্দ্রের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেন। এর আগে নগরের কাজী জালালউদ্দিন বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শন করে নিজ কার্যালয়ে গিয়ে বলেন, এবার ভোট চুরির ঘটনা সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে। এমনটা সিলেটে আগে কখনো হয়নি। মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। ভোটাধিকার পুনরুদ্ধার আন্দোলনের ডাক দেবেন বলে তিনি জানান।

এছাড়া, মেয়র পদে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী মো. আবু জাফর ‘নজিরবিহীন কারচুপির’ অভিযোগ এনে সব কেন্দ্রের ভোট বাতিলের আবেদন করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আলীমুজ্জামানের কাছে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

নির্বাচন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই