তারিখ : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

সড়ক পরিবহন আইন কোটা আন্দোলনের মতো আরেকটি প্রতারণা-ফখরুল

সড়ক পরিবহন আইন কোটা আন্দোলনের মতো আরেকটি প্রতারণা-ফখরুল
[ভালুকা ডট কম : ০৮ আগস্ট]
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন,প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতিফলন ঘটেনি। এতেও কোটা আন্দোলনের মতো একটি প্রতারণা করল সরকার। শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল বেপরোয়া গাড়ি চালিয়ে কাউকে চাপা দিয়ে হত্যা করলে ফাঁসির  শাস্তি। কিন্তু নতুন আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি রাখা হয়েছে মাত্র পাঁচ বছর। আজ (মঙ্গলবার) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২০ দলের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

বহুল আলোচিত সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ফলে দুর্ঘটনায় মানুষের প্রাণহানির জন্য সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজা, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড রেখে সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে যদি হত্যার উদ্দেশ্যে কেউ গাড়ি চালায় এবং সেটা প্রমাণিত হয়, তাহলে তা ফৌজদারি আইনের দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা অনুসারে বিচার হবে। সে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনের সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে দুর্ঘটনার প্রকৃতি কী ছিল।

সড়ক পরিবহন আইনের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন,প্রস্তাবিত সড়ক পরিবহন আইনের খসড়ায় অনেকগুলো অসঙ্গতি আছে। এক নম্বর অসঙ্গতি হচ্ছে পরিবহন মালিকদের সম্পর্কে খসড়া আইনে কোনো কিছু বলা নেই। দ্বিতীয়ত, দুর্ঘটনায় যদি কারো মৃত্যু ঘটে, সেখানে বলা হয়েছে- যদি হত্যার উদ্দেশ্যে হয় তাহলে মৃত্যুদণ্ডের ধারায় বিচার। কিন্তু নিয়মনীতির বাইরে গাড়ি চালিয়ে দুর্ঘটনায় যদি কেউ মারা যায় তার সর্বোচ্চ শাস্তি পাঁচ বছর। মির্জা ফখরুল বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময়ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, কোটা থাকবে না। কিন্তু পরে তিনি আদালতের দোহাই দিয়ে তাঁর সে ঘোষণা থেকে ফিরে আসেন।

বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন,নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতি ২০ দলের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ২০ দল আশা করেছিল, সরকার আন্দোলনকারীদের নয় দফা দাবি মেনে নেওয়ার যে ঘোষণা দিয়েছিল সেটি বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু সরকার তা না করে পুলিশ ও দলীয় সন্ত্রাসীদের দিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে। পুলিশ ও সরকারি দলের অঙ্গ  সংগঠনগুলো যে হামলা চালিয়েছে আমরা ২০ দলের পক্ষ থেকে তার তীব্র নিন্দা জানাই।

বৈঠকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বিশিষ্ট আলোকচিত্র শিল্পী শহিদুল আলম ও আন্দোলনকে  কেন্দ্র করে সারা দেশে যাদের আটক করা হয়েছে তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করেছে ২০ দল। এ ছাড়া ২০ দলের সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে ‘হয়রানিমূলক’ মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই