তারিখ : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
[ভালুকা ডট কম : ০২ সেপ্টেম্বর]
গত ২৯ আগস্ট ২০১৮ বুধবার ভালুকা ডটকমে ভালুকায় ঔষধ কোম্পানীতে তিন দফা অভিযান ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা এক জনের জেল এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। সংবাদটি আমার নজরে এসেছে সংবাদের একাংশে আলমগীর হোসেনের মালিকানাধীন স্টার ল্যাবরেটরিজ নামে একটি ঔষধ কোম্পানীকে আমি সেল্টার দিয়ে ব্যবসা করিয়া আসিতেছি এবং লাভের টাকা দুজনে ভাগ বাটায়ারা করিয়া নিতেছি।

স্টার ল্যাবরেটরিজ একক মালিক আলমগীর হোসেন আমার এ ব্যবসার সাথে কোন যোগসাজেশ বা সম্পর্ক নেই। আমাকে জরিয়ে যে মিথ্যা সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে তা আদৌ সত্য নয়। সংবাদটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। একটি মহল আমার সম্মান হানি করার জন্য ভূয়া তথ্য দিয়ে এই সংবাদটি পরিবেশন করিয়েছে। প্রকাশ থাকে যে, আমার যদি কোন সম্পর্ক থাকতো তাহলে ভ্রাম্যমান আদালতে তা প্রমাণিত হতো। ভ্রাম্যমান আদালতে আমার কোন সম্পৃক্তা প্রমাণ করতে পারেনি। সংবাদটি শতভাগ মিথ্যা ও মানহানিকর।

রিয়াজ উদ্দিন
পিতা- মৃত আব্দুল মান্নান  
গ্রাম- জামিরদিয়া
উপজেলা- ভালুকা
জেলা- ময়মনসিংহ।

প্রতিবেদকের বক্তব্য
সংবাটিতে রিয়াজ আহাম্মেদের বক্তব্য দেয়া হয়েছে। তারপরও তিনি ভালুকা ডট কম এ একটি প্রতিবাদ লিপি পাঠিয়েছে।  সংবাদটিতে স্পষ্টই উল্লেখ করা হয়েছে রিয়াজ আহম্মেদের নামটিকে প্রকাশ করেছেন। কারখানার এডমিন ম্যানেজার গৌতম বনিক রানা উদ্ধৃত্তি দিয়ে সংবাদটি প্রকশ করা হয়েছে। যখন প্রশাসনের লোকজন কোম্পানিতে অভিযান চালায় তখন প্রশাসন,স্থানীয় সংবাদ কর্মী ও শত শত উপস্থিত লোকজনের সামনে কোম্পানিটির এডমিন ম্যানেজান বলেছেন,ভালুকার জামিরদিয়ার রিয়াজ আহম্মেদ ও জনৈক আলমগীর হোসেনের মালিকানায় পার্বতীপুর দিনাজপুরের নিউ ভেনটিস ল্যাব নামে লাইসেন্সে স্টার ল্যাবরেটরিজ নাম দিয়ে ভালুকার পল্লীতে হারবাল সহ দেশী বিদেশী বিভিন্ন ঔষধ এ কারখানায় তৈরী হচ্ছে। যখন ভ্রাম্যমান আদালত কোথাও অভিযান চালায় তখন প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মচারী সবার উপর জেল জরিমানা করেন না। সেই ক্ষেত্রে বৃটিশল অনুযায়ী নিয়মিত মামলা হলে সেখান থেকে রিয়াজ উদ্দিনের নাম বাদ পড়লে বলতে পাড়তেন তাঁর বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ব্যবস্থা নেয়নি।

আলমগীর হোসেনের মালিকানায় পার্বতীপুর দিনাজপুরের নিউ ভেনটিস ল্যাব নামে লাইসেন্সে স্টার ল্যাবরেটরিজ ঠিকানা দিনাজপূর জেলার পার্বতীপূর এলাকায় রিয়াজ আহম্মেদ নিজে সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেন তিনি কোম্পানিকে ৭বিঘা জমি কিনে দিয়েছি ক্রয় করে দিয়েছেন। রিয়াজ হবিরাবাড়ি মৌজার আরওআর দাগ নং ৭৭২ ও ৭৭৮। তার মাঝে একটি দাগে বনের জমি রয়েছে। প্রশ্ন হলো রিয়াজ যদি তাঁকে শেল্টার নাই দিয়ে থাকেন আলমগীর হোসেন দিনাজপূর এলাকা থেকে এসে বনের জমি দখল করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করে হার্বাল কোম্পানির আড়ালে তারা যৌন উত্তেজক ওষধসহ বিভিন্ন প্রকারের অনুমোদনবিহীন ওষধ বানাচ্ছিলেন। কোম্পানির গোডাউন থেকে ৬৮ প্রকারের ঔষধ জব্দ করা হয়। এরমধ্যে বিভিন্ন ধরনের যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল আছে ৪০ হাজার পিস। বিভিন্ন ধরনের শ্যাম্পু ও লোশন। ১ হাজার পিস চায়না, আমেরিকা, গুজরাট ইন্ডিয়া, হংকং, ইউকে, কোরিয়া, হাঙ্গেরী ও থাইল্যান্ডের নাম দিয়ে বিভিন্ন প্রকারের যৌন উত্তেজক ওষধ জব্দ করা হয়। দিনাজপুরের পার্বতীপূর থেকে একটি  হারবাল লাইসেন্স করে সেই লাইসেন্সে দিয়ে ভালুকা ব্যবসায় করার বৈধতা কত টুকু আছে। যদি থেকেই বৈধতা থেকেই থাকে তাহলে কেন ময়মনসিংহ ড্রগ সুপারকে অবগত না করে এখানে ব্যবসায় শুরু করেছেন।

কোম্পানির এডমিন ম্যানেজার,উপজেলা নির্বাহী অফিসার,জেলা ড্রাস সুপারের বক্তব্য প্রেক্ষিতেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। রিয়াজ আহাম্মেদ প্রতিবাদটি দিয়ে শাস দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা করছেন।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

পাঠক মতামত বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই