তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় ছোট যমুনা নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন,ফসলী জমি ক্ষতির অভিযোগ

নওগাঁয় ছোট যমুনা নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন
[ভালুকা ডট কম : ১০ সেপ্টেম্বর]
নওগাঁর বদলগাছীতে ছোট যমুনা নদী থেকে অবাধে ড্রেজিং করে বালু উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে ফসলি জমি। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছে জমির মালিকরা।

অভিযোগ সূত্রে জানা, উপজেলার ভগবানপুর মৌজায় বেগুন জোয়ার গ্রামের মোঃ তকিমদ্দীনের ছেলে জনাব আলীর ৮৭শতক জমির কিছু অংশ নদীর গর্ভে তলিয়ে যায় কিছু অংশ আছে সেখানে ফসলী জমি হিসাবে ব্যবহৃত হয়। বালু ব্যাবসায়ীরা  ইজারা নেওয়ার ক্ষমতা দেখিয়ে নিয়ম বহির্ভূত ভাবে ইচ্ছে মতো সেখানে ড্রেজিং দিয়ে বালু উত্তোলন ও ট্রাক্টর দিয়ে বালু পরিবহন করে চলেছে। ট্রাক্টর চলাচলের কারনে হুমকির মুখে পড়েছে ফসলী জমি। তাছাড়া উপজেলার পাড়সোমবাড়ী বাজার খেয়া ঘাটে কোটি টাকা ব্যয়ে ছোট যমুনা নদীর উপর নির্মাণাধীন মুক্তিযোদ্ধা সেতু ও গুরুত্বপূর্ন স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। বিধি মোতাবেক ব্রীজ থেকে ১কিঃমিঃ দুর থেকে বালু উত্তোলনের কথা থাকলেও বালু ব্যবসায়ীরা সেখানেও কোন কিছুই তোয়াক্কা না করে উক্ত সেতুর  খুটির ৫-৬ শত গজ দক্ষিণে ড্রেজিং করে উত্তোলন করছে বালু।

এছাড়াও ড্রেজিং এর সাহায্যে উত্তোলিত বালু ফসলি জমির নিচেই গর্ত করে সেখানে ভরাট করছে ও জমির পাশ দিয়ে মাটি কেটে রাস্তা বাহির করে ট্রাকে করে অবাধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। গত বছর এই অপরাধে এখানে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে বালু উত্তোলন বন্ধ করে দিলেও এবছর আবারও এখানকার বালু খেকোরা ড্র্রেজিং করে বালু উত্তোলন করেই চলেছে।

এ বিষয়ে বেগুন জোয়ার গ্রামের সানাউল হক, ওয়াজেদ আলী, কৃষক রানা, শরিফুল ইসলামসহ এলাকাবাসী বলেন যে ভাবে বালু উত্তোলন করছে তাতে বর্ষা মৌসুমে নব নির্মানাধীন মুক্তিযোদ্ধা সেতু ও এর এলাকার মাঠের শতশত বিঘা ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। নিষেধ করলেও কোন কর্ণপাত করে না বালু ব্যবসায়ীরা। আমরা কৃষকরা বহুবার নিষেধ করেছি ফসলি জমির নিচে হতে বালু না তুলতে। কিন্তু তারা কোন কথাই শুনছে না।

এবিষয়ে বালু ব্যবসায়ী শিখর বলেন, মেসার্স তরফদার ট্রেডার্স নামী বালু লীজকারী প্রতিষ্ঠান এর মালিক সাঈদ হাসান এর নিকট থেকে আমরা পাঁচজন মিলে ৩০ লাখ টাকা দিয়ে ডেকে নিয়ে বালু উত্তোলন করছি, আমরা অন্যায় কিছু করিনি। তিনি আরো জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার গত ৬ সেপ্টেম্বর তার কার্যালয়ে আমাদেরকে ডেকে ব্রীজ থেকে দেখা যায় না এমন দূরত্ব বজায় রেখে বালু উত্তোলনের নির্দেশ দেন। আমরা সেই নির্দেশ মোতাবেক বালু উত্তোলন করছি।

বদলগাছী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুম আলী বেগ বলেন তাদের বালু ঋত্তোলন বন্ধ করার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবুও যদি তারা বালু উত্তোলন করে থাকে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩২ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই