তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাণীনগরে কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ,রক্ষা পাচ্ছে আমন ধান

রাণীনগরে কৃষকদের পাশে কৃষি বিভাগ,রক্ষা পাচ্ছে আমন ধান
[ভালুকা ডট কম : ২৫ সেপ্টেম্বর]
নওগাঁর রাণীনগরে অনু খাদ্যের অভাবে আমন ধানের পাতা হলুদ হয়ে পাতা মোড়া রোগের প্রার্দুভাব দিয়েছিল। এতে উপজেলার বিভিন্ন মাঠের কিছু জমির ধান রোগে আক্রান্ত হয়। কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রায় জমির ধানগুলো এখন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। তবে কৃষি বিভাগের পরামর্শে কিছু কিছু জমির ধান কৃষকরা আবার নতুন করে লাগিয়েছে।

আমন ধানগুলো আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আনতের রাণীনগর উপজেলা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: আমীর আলী, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো: সাজ্জাদ হোসেন সোহেল ও মো: বকুল ইসলামসহ সকল কর্মকর্তরা প্রতিদিনিই লিফলেট বিতরণ, কৃষক সমাবেশ, উঠান বৈঠক, পথসভা ও ইউনিয়নে গিয়ে চেয়ারম্যান-মেম্বারদের পরামর্শ দেওয়াসহ কৃষকদের দিচ্ছে নানা পরামর্শ।

জানা গেছে, উপজেলার কৃষকদের আয়ের উৎস্যই ধান থেকে। চলতি মৌসুমে রাণীনগর উপজেলায় ১৫ হাজার ৪শ’ ৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। ধানের মধ্যে রয়েছে বিনা সেভেন, বিআর- ৪৯,বিআর-৫১, বিআর-৫২ ও আতবসহ বিভিন্ন প্রজাতের ধান। দিন পনেরো আগে হঠাৎ করে রাণীনগর, পারইল, কালীগ্রাম, বড়গাছা ও একডালা ইউনিয়নে অনু খাদ্যের অভাবে আমন ধান গাছের পাতা হলুদ হওয়া অর্থাৎ পাতা মোড়া রোগ দেখা দেয়। পাতা হলুদ হওয়ার ৫ দিন থেকে ৮ দিনের মধ্যে জমির ধান মরে যাচ্ছিলো। প্রতি দিনই নতুন নতুন জমি এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

আক্রান্ত ধানগুলোর মধ্যে স্বর্ণা, বিআর-৪৯ এবং কাটারি ভোগ জাতের। কৃষকরা কৃষি বিভাগ থেকে পরামর্শ পেয়ে জমির ধানগুলো রক্ষা করতে পেরেছেন বলে কৃষকরা জানান। আর কিছু কিছু জমির ধান আবার নতুন করে লাগিয়েছে কৃষকরা। এতে তাদের বাড়তি খরচ গুণতে হয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা জানান, কিছু দিন আগে আমাদের আমন ধানের পাতা হলুদ হয়ে পাতা মোড়া রোগের আক্রমন দেখা দিয়েছিল। কিছু কিছু জমির ধানের পাতা হলুদ হয়ে মরে যাওয়ায় আবার নতুন করে ধান লাগাতে হয়েছে। আর এখন উপজেলার কৃষি বিভাগের পরামর্শে অন্যান্য জমির ধান প্রায় এখন এ রোগ থেকে মুক্তি পেয়েছে। তাই আমাদের ক্ষতি অনেকটাই কম হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: শহীদুল ইসলাম বলেন, উপজেলায় রোপা আমন ধানে অনু খাদ্যের অভাবে কিছু এলাকার জমিতে ধানের পাতা হলুদ হওয়া রোগের প্রার্দুভাব দেখা দিয়েছিলো। কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুসারে কৃষকরা বালাইনাশক ব্যবহার করার কারণে আক্রান্ত ধান গাছগুলো এখন প্রায় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। এছাড়াও কৃষি বিভাগ থেকে প্রতিনিয়ত কৃষকদের বিভিন্ন বিষয়ে সার্বক্ষনিক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তাই আমি কৃষক ভাইদের অনুরোধ করবো ফসলের যে কোন সমস্যা হলে কীটনাশকের দোকানে না গিয়ে কৃষি অফিস কিংবা মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৪৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই