তারিখ : ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

অপরাধী মন না থাকলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই-প্রধানমন্ত্রী

অপরাধী মন না থাকলে উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
[ভালুকা ডট কম : ০৩ অক্টোবর]
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই মর্মে আশ্বস্ত করেছেন যে,যেসব সাংবাদিক মিথ্যে কথা লেখেন না, নিরাপত্তা আইন নিয়ে তাদের উদ্বেগের কিছু নেই। সম্প্রতি পাস হওয়া এই আইনে মিথ্যে সংবাদ পরিবেশন করার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ (বুধবার) বিকেলে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ আশ্বাস দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারও যদি অপরাধী মন না থাকে তবে তার উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। যাদের বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার করে লেখা হয়, মানহানি করা হয় তাদের বিষয়টি ভাবা হয় না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে এমন মিথ্যে সংবাদ যার বিরুদ্ধে করা হয় তাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান রাখার পক্ষে মত দেন প্রধানমন্ত্রী। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা নোংরামি করে বেড়ায়, তাদের ঠেকাতেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন নোংরামি গোটা বিশ্বের জন্যই বড় ধরনের সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। আমাদের সাংবাদিকরা এসব ঘটনা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা করি।

জাতিসংঘ সফর সম্পর্কে:'বিশ্ব নেতারা চান আবারও যেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফিরে আসি' শেখ হাসিনা বলেন,যাদের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছে সবাই আমাকে শুভকামনা জানিয়েছেন। আবারও ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে আগ্রহী মার্কিন প্রেসিডেন্টসহ বিশ্বনেতারা। তারা চান আবারও যেন তাদের সঙ্গে আমার দেখা হয়। নির্বাচনের ব্যাপারে কোনও পরামর্শ নয় বরং উৎসাহ পেয়েছি। বিশ্বনেতারা আশা করেছেন, আবারও যেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফিরে আসি। আগামীতেও তারা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাছে পান। বিশ্ব নেতাদের আমি বলে এসেছি, জনগণ আমাদের ভোট দিলে আসব, না চাইলে নাই।

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,মাইনোরিটি থেকে আমরাই প্রথম তাঁকে বানিয়েছি প্রধান বিচারপতি। তিনি সেটির সম্মান রাখতে পারেননি। এটি নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। এস কে সিনহা কেন বিএনপি ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলেছে আমাকে যেন সমর্থন না দেয়, আমি জানি না। আমি কারো সমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় আসতে চাই না। আমার সমর্থন জনগণ।

জাতীয় ঐক্য নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটা জোট হচ্ছে আমি খুশি। তাদের জোট সম্প্রসারিত করার জন্য যা যা লাগে আমি সব করতে রাজি। আর জোট হচ্ছে বড় বড় মানুষ নিয়ে। সেখানে কোনো ছোট ছোট মানুষ নেই। এটি নির্বাচনের জন্য ভালো। কিন্তু তাঁরা কেউ নির্বাচনে আসবে কিনা বা কাজ করবে কিনা সেটি নিয়ে কিছু সন্দেহ আছে।

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রধানমন্ত্রী বলেন,নির্বাচন অবশ্যই হবে, কারণ বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন চায়। বাংলাদেশে এত দল, কোন দল আসবে কোন দল আসবে না সেটি তাদের দলীয় বিষয়। এটি নিয়ে আমাদের কিছু করার নেই। তবে আমরা আশা করি সব দল এবার নির্বাচনে আসবে, যদি কেউ না আসে সেটি তাদের একান্ত বিষয়।

শেখ হাসিনা জানান, নিউইয়র্কে ছয় দিনের সফরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনে ভাষণ দেওয়া ছাড়াও তিনি বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগ দেন। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও'র সঙ্গেও তার  দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। জাতিসংঘের বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নিয়ে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। নিউইয়র্কে সফরের দ্বিতীয় দিন ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে শরণার্থী সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে শেখ হাসিনা এক বছরের বেশি সময় ধরে চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিনটি প্রস্তাব বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরেন। সাধারণ পরিষদে ভাষণের আগে ২৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব ‘পূর্ণ সমর্থন ও সব ধরনের সহযোগিতার’ প্রতিশ্রুতি দেন।।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৪৩ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই