তারিখ : ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় কলা চাষে ভাগ্য ফিরলো সুলতানের

ভালুকায় কলা চাষে ভাগ্য ফিরলো সুলতানের
[ভালুকা ডট কম : ০৯ অক্টোবর]
পতিত চালা বর্গা নিয়ে কলার আবাদ করে ভাগ্য ফিরালেন ভালুকার ডাকাতিয়া ইউনিয়নের আউলিয়ার চালা গ্রামের সুলতান আহম্মেদ। নিজের জমির সাথে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন জাতের কলার আবাদ করে ছেলে মেয়ের লেখাপড়া সংসারের খরচ চালিয়ে বিল্ডিং বাড়ী সহ জমি কিনে মোটামোটি ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন তিনি।

শনিবার আউলিয়ার চালা বাজারে গিয়ে দেখাযায় ক্ষেত থেকে ভ্যানগাড়ী ভরে কলার ছড়ি এনে জরো করা হচ্ছে বিক্রির জন্য। এ সময় কথা হয় কলা চাষী সুলতান আহম্মেদের সাথে। সাবেক ইউপি মেম্বার ডাকাতিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ১ নং ওয়ার্ড  সাধারণ সম্পাদক কলা চাষী সুলতান জানান প্রায় ২০ বছর যাবৎ তিনি কলা চাষ করে ব্যপক ভাবে সফল হয়েছেন। এ বছর তিনি ২২ একর জমিতে ১৯ হাজার ৫০০ গাছ লাগিয়েছিলেন। জমি তৈরী, চারা রোপন, সার, সেচ ও শ্রমিক খরচ বাবদ প্রায় ২৪ লাখ টাকার মত সর্বমোট খরচ হয়েছে। চলতি মৌসুমে সবরি, চাপা,অমৃত সাগর ও রঙ্গীন সাগর কলার চাষ করেছেন। স্থানীয় বাজারে বর্তমানে একটি ছড়ি ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা ঢাকার কাওরান বাজারে ৩২০ টাকা হতে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়ে থাকে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও রোগ বালাই না হলে খরচ বাদ দিয়ে এ বছর ২৫ লাখ টাকার মত মুনাফা পাবেন বলে তিনি আশা করছেন।

তিনি জানান প্রতি বছর কলা উঠানো শেষ হলে পৌষ মাসে ক্ষেত তৈরী করে চারা রোপন করে থাকেন। সেচের জন্য প্রতি চালায় একটি করে সাবমার্সিবল নলকূপ বসিয়েছেন। ঠিকমত সেচ, সার, কীটনাশক ও পরিচর্যার জন্য শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। চারা রোপনের এক বছরের মাথায় কলা বিক্রির যোগ্য হয়ে যায়। তিনি জানান কলা চাষ করে লাভের টাকায় তিনি বাড়ীতে বিল্ডিং দিয়েছেন। প্রায় দেড় একর জমি ক্রয় করেছেন। মেয়ে শিউলীকে বি এ পাশ করানোর পর বিয়ে দিয়েছেন। ছেলে ছোলায়মান (১৪) দশম শ্রেণীতে লেখাপড়া করছে। বর্তমানে স্ত্রী সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে দিন যাপন করছেন। এত বছর যাবৎ কলা চাষ করছেন নিজস্ব প্রযুক্তিতে। তার দেখাদেখি ওই গ্রাম ও আশাশের গ্রামে আরও শতাধিক যুবক কলা চাষে সফলতার মুখ দেখেছেন।

তিনি জানান সরকারী সাহায্য ও কৃষি বিভাগের আধুনিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা পেলে অর্থকরী ফসল হিসাবে কলাচাষ ব্যাক্তির লাভের পাশাপাশি জাতীয় ভাবে কৃষি উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। এ বছর ভালুকা উপজেলার মল্লিকবাড়ী, উথুরা, ডাকাতিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে আঁখ ও সবজি চাষের পাশাপাশি কলার আবাদ হয়েছে প্রচুর। উপযোগি হওয়ায় চারিদিকে চাষীরা ছড়ি কেটে বাজারজাত করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৪২ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই