তারিখ : ১৩ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার ৭ বছরের কারাদণ্ড

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার ৭ বছরের কারাদণ্ড
[ভালুকা ডট কম : ২৯ অক্টোবর]
সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আরও একটি দুর্নীতি মামলায় সর্বোচ্চ সাত বছর কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি বিশেষ আদালত। একইসঙ্গে ১০ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস কারাদন্ড ভোগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ২০১০ সালে দায়ের করা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি নামে আলোচিত এ মামলায় ট্রাষ্টের নামে কেনা ৪২ কাটা জমি বাজেয়াপ্তেরও আদেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়া, এ মামলায় অপর তিন আসামী-বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী, জিয়াউল হক মুন্না এবং মুনিরুল ইসলাম খানকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার (২৯ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত ঢাকার অস্থায়ী বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ডঃ আখতারুজ্জামান সোমবার বেগম জিয়ার অনুপস্থিতিতে এই আদেশ দেন।

এর আগে একই আদালত গত ৮ ফেব্রুয়ারী বিএনপি নেত্রীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং দুই কোটি ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে কারাগারে পাঠায়। সে মামলায় খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমানসহ অপর আসামিদের ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়। বিশেষ আদালতের রায় ঘোষণার আগে আজ সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার পরিচালনায় বিচারিক আদালতের এখতিয়ার আনুমোদন করে রায় ঘোষণা করেন।

আপিল বিভাগের আদেশের পর এক প্রতিক্রিয়ায় খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদিন বলেন, অতীতে কখনো দেখি নাই সরকার এভাবে রায় দেওয়ার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে গেছে। খালেদা জিয়া হাইকোর্টে কোনো প্রতিকার পাননি।আজকের রায়ের পর প্রমাণিত হলো, আপিল বিভাগসহ খালেদা জিয়া কোথাও ন্যায়বিচার পায়নি। এ ধরনের আদেশে আমরা ক্ষোভ প্রকাশ করছি। মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সেগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত বলে বর্ণনা করেছেন তার আইনজীবীরা। তারা বরাবরই বলেছেন, ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় খালেদা জিয়া কোন প্রভাব খাটিয়ে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের জন্য অর্থ জোগাড় করেন নি। বিএনপি নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সহায়তায় এই ট্রাস্ট ফান্ড গড়ে উঠেছে বলে আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি প্রদান করেছেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৪ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া আদালতে পরপর কয়েকদিন না আসার পরিপ্রেক্ষিতে তার অনুপস্থিতিতেও বিচার চলবে বলে বিশেষ জজ আদালত যে আদেশ দিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে করা রিভিশন আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। পরে হাইকোর্টের এই আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করেন খালেদার আইনজীবীরা। আজ ওই আবেদন খারিজ করে দেয় সর্বোচ্চ আদালত। চলতি বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে রিভিশন আবেদনটি করা হয়। এছাড়া, ২০ সেপ্টেম্বর তার অনুপস্থিতিতেও বিচার চলবে বলে আদেশ দেয় বিচারিক আদালত। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ -এর বিচারক আখতারুজ্জামান এই আদেশ দেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বর্তমানে বেগম জিয়া কারা কর্তৃপক্ষের হেফাজতে বংগবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিতসাধীন রয়েছেন।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই