তারিখ : ১৪ নভেম্বর ২০১৮, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকা থেকে মনোনয়ন পেলে গণজোয়ার সৃষ্টি হবে-ডা.সেলিম

ভালুকা থেকে মনোনয়ন পেলে গণজোয়ার সৃষ্টি হবে-ডা.সেলিম
[ভালুকা ডট কম : ০২ নভেম্বর]
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ -১১(ভালুকা) আসনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী দেশ বরেণ্য কিডনী রোগ বিশেষজ্ঞ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ডা.কেবিএম হাদিউজ্জামান সেলিম। তিনি ভালুকা আ’লীগের প্রবাদ পুরুষ পরিচিত বীর মুক্তিযোদ্ধা কেবিএম আছমত আলীর ছেলে। কেবিএম নামের বিশেষণটি দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু নিজে।

ডা. কেবিএম সেলিম বলেন,বাবার রাজনীতির ধারায় আমি স্কুল জীবনেই ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হই। আমি ১৯৮৯-১৯৯২ সাল পর্যন্ত ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (ম.চি.ম.হা) ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলাম। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনোনীত (ম.চি.ম.হা) ছাত্র সংসদে জি,এস পদে নির্বাচন করি। এ ছাড়াও আমি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ(স্বাচিপ)ওবাংলাদেশ মেডিক্যাল এসোসিয়েশন (বিএমএ) এর আজীবন সদস্য।আমি বাংলাদেশ রেনাল এসোসিয়েশনের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান কার্যকরী পরিষদের সদস্যসহ প্রস্তবিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক।

আমি ভালুকায় সুদীর্ঘ ২৩বছর যাবত প্রতি শুক্রবার চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে  সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। গরীব দুঃস্থদের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাসহ  বিভিন্ন সহায়তা অব্যাহত রেখেছি। এ ছাড়াও ব্যক্তিগত উদ্যোগে  শত শত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক,সেবক-সেবিকা ও প্যাথলজিস্টদের সমন্বয়ে  বিশাল বিশাল ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের মাধ্যমে প্রায় ৪০- ৫০হাজার মানুষকে বিনামূল্যে বিভিন্ন পরীক্ষা- নিরীক্ষাসহ চিকিৎসাসেবা দিয়েছি যা ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে। ২৩ বছর যাবত ভালুকায় চিকিৎসা সেবা দেওয়ার কারণে ভালুকার প্রায় প্রতিটি পরিবারের  সাথে আমার প্রাণের সখ্যতা গড়ে উঠেছে ।

ডা. কেবিএম হাদিউজ্জামান সেলিম আরও বলেন,আমার বাবা কেবিএম আছমত আলী ১৯৪৮সালে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন,১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ১৯৬৬ সালে ৬ দফা,  ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যূণ্থাণ,১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৫৫-১৯৯৬সাল পর্যন্ত থানা ও ময়মনসিংহ জেলায় আ'লীগের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের সময় বার বার জেল-জুলুম ও সীমাহীন নির্যাতনের শিকার হন। ১৫আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে ঘাতকদের হাতে শহীদ হওয়ার খবর বাবার কানে আসার সাথে সাথেই নির্বাক হয়ে যান। বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য হওয়ায় আমার বাবা ও বড় চাচা আহাম্মদ আলী সরকারকে গ্রেফতার করে ১১ দিন পর্যন্ত সেনা বাহিনীর অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতন করে  জেলে পাঠায় ।

আমার বাবার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন এবং আমার ব্যক্তিগত সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা ও মানব সেবার বৈশিষ্ট্যের কারণে ভালুকার লাখ লাখ জনতার যে আস্থা ও বিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছে তা সব সময় দৃশ্যমান। তারই ধারাবাহিকতায় আমার উপর প্রবল চাপের সৃষ্টি হয় আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ’লীগ থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য। তাই আমি দীর্ঘদিন যাবত ভালুকার প্রত্যন্তাঞ্চলে গণ-সংযোগ, সভা-সমাবেশ, উঠান বৈঠক সহ বিশাল বিশাল  ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল উন্নয়ন কার্যক্রম ও নৌকার পক্ষে প্রচার- প্রচারণা চালিয়ে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি করার লক্ষ্যে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।

ভালুকার লাখ লাখ মানুয়ের বিশ্বাস ও আস্থা আমার দীর্ঘ দিনের পরীক্ষিত রাজনীতির পথ পরিক্রমায় পারিবারিক ঐতিহ্যগত ত্যাগ-তিতীক্ষা,শিক্ষাগত যোগ্যতা, পরিচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যের গুণাবলী ও সততায় জনপ্রিয়তার যে শীর্ষমাত্রা রয়েছে তা বিবেচনায় নিয়ে আমাদের প্রাণের নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যদি আমাকে যোগ্যতম মনে করে মনোনীত করেন তাহলে ভালুকার জনগণ গণজোয়ার সৃষ্টি করে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে আমাকে বিজয়ী করবে ইনশাল্লাহ। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই