তারিখ : ১৫ নভেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ঐক্যফ্রন্টের চিঠি;সমাধান প্রধানমন্ত্রীর হাতে-রিজভী

আবার সংলাপ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ঐক্যফ্রন্টের চিঠি;সমাধান প্রধানমন্ত্রীর হাতে-রিজভী
[ভালুকা ডট কম : ০৪ নভেম্বর]
দ্বিতীয় দফা সংলাপে বসতে সময় চেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ড. কামাল হোসেন সাক্ষরিত এ চিঠিতে স্বল্প পরিসরে আলোচনার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে।

আজ (রোববার) সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির কার্যালয়ের স্টাফ আলাউদ্দিনের হাতে চিঠিটি হস্তান্তর করে ঐক্যফ্রন্টের একটি প্রতিনিধি দল। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে শুকরানা মাহফিল থাকায় কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কোন নেতা ছিলেন না। প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা শফিক উল্লাহ ও বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ কয়েকজন। এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রথমবারের মতো সংলাপে অংশ নেয় ঐক্যফ্রন্ট।

এদিকে, চলমান সংকট নিরসনের চাবিকাঠি প্রধানমন্ত্রীর হাতে, এমনটাই জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একদিকে আলোচনা অন্যদিকে আন্দোলন, এটি আমার বোধগম্য নয়, প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এখনও সেই অর্থে জোরালো আন্দোলন শুরু হয়নি। সংলাপের মাধ্যমে সংকট নিরসন করতে পারলে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলনের পথে যাবে না। সংকট নিরসনের চাবিকাঠি আপনার হাতে। আজ (রোববার) দুপুর ১২টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন রিজভী।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ চলছে। সংলাপে সংকট সুরাহা না হওয়ার আগেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তোড়জোড় করছে নির্বাচন কমিশন, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সমাধানের আগে তফসিল ঘোষণা না করতে ইসির প্রতি আহবানও জানান এ বিএনপি নেতা। জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে বিএনপিসহ বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলার পর, এখন গণগ্রেফতার বাড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। জেলা, উপজেলায় বিএনপির সক্রিয় নেতা-কর্মীদের বেছে বেছে গ্রেফতার করা হচ্ছে। গণগ্রেফতারের সঙ্গে চলছে রমরমা অর্থ-আদায় বাণিজ্য।

রাজনৈতিক পরিচয় দেখে নির্বাচনী কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হচ্ছে, এমন অভিযোগ করে বিএনপির এ নেতা বলেন, সারা দেশে নির্বাচনী কর্মকর্তা বাছাই করছে পুলিশ। থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের দেয়া তালিকা ধরে পুলিশ কারা সরকারদলীয় সমর্থক, তাদের নাম চূড়ান্ত করছে। এমনকি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে যাচাই করছে, ফোন করে জিজ্ঞাসা করছে আপনি কোন দলের সদস্য। এমন কর্মকাণ্ডকে জনগণ ভোট কারচুপির পূর্বপ্রস্তুতি বলেই মনে করছে। সরকারের হুকুমেই এমন নজিরবিহীন কর্মকাণ্ড চলছে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই