তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাণীনগরে ব্যাংক বিদ্যুৎ বিল না নেওয়ায় ভোগান্তিতে গ্রাহকরা

রাণীনগরে ব্যাংক বিদ্যুৎ বিল না নেওয়ায় চরম ভোগান্তিতে গ্রাহকরা
[ভালুকা ডট কম : ১০ নভেম্বর]
নওগাঁর রাণীনগরে পল্লী বিদ্যুতের সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় বিদ্যুৎ বিল নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে সোনালী ও কৃষি ব্যাংক। ফলে ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার পথ পারি দিয়ে রাণীনগর সদরে এসে বিদ্যুৎ অফিসে এসে বিল প্রদান করতে হচ্ছে প্রত্যন্ত গ্রাম এলাকার গ্রাহকদের। এতে উপজেলার অর্ধ লক্ষাধীক গ্রাহক চরম ভোগান্তিতে পরেছেন।

অফিস সূত্রে জানা, রাণীনগর উপজেলায় আবাসিক, বাণিজ্যিকসহ প্রায় ৫৩ হাজার পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক রয়েছেন। মাস শেষে এসব গ্রাহকরা নিকটতম সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে বিল প্রদান করতেন। কিন্তু গত প্রায় দেড় মাস ধরে পল্লী বিদ্যুতের সঙ্গে ব্যাংকগুলোর চুক্তির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার কারনে ব্যাংকগুলো বিদ্যুৎ বিল নেয়া বন্ধ করে দেয়। এতে চরম ভোগান্তি ও বিপাকে পরেছেন গ্রাহকরা।

বিদ্যুৎ বিল দিতে আসা গ্রাহক জহির উদ্দীন, সাইদুল ইসলাম, রুহি বিবিসহ অনেকে জানান, পল্লী বিদ্যুতের বিল ও বকেয়া বিল প্রদানে কঠোর নিয়ম-কানুন জারি করার কারণে হাজারো ভোগান্তি উপেক্ষা করে ২০ থেকে ২৫ কিলোমিটার পথ পারি দিয়ে নির্ধারিত সময়েই বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।

তারা আরো বলেন, যদি ৫০ টাকাও বিল হয় আর কোন কারণে নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ করা না হয় তাহলে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। এরপর পুণরায় সংযোগ নিতে গেলে অতিরিক্ত ১২শত টাকা জরিমানা গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। ফলে বাধ্য হয়ে ৫০ টাকার বিল পরিশোধ করতে এক শত থেকে দের শত টাকা ব্যয় করে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।

বিশেষ করে বিল পরিশোধে শ্রমিক, দিনমজুর, ভ্যান চালক ও মহিলারা বেশি বেকায়দায় পরেছেন। দীর্ঘ লাইন ধরে অফিসে এসে বিল দিতে হচ্ছে। এতে করে দিনের বেশির ভাগ সময়ই নষ্ট হচ্ছে এই বিল দিতে এসে। বিল দিতে আসলে একদিকে যেমন অনেক অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে অন্য দিকে দিনের বেশি ভাগ সময় কেটে যাওয়ায় সারা দিনের উপার্জনও করতে পারছেন না তারা। এতে সব দিক দিয়েই চরম ক্ষতিতে পরছেন গ্রাহকরা।

রাণীনগর পল্লী বিদ্যুৎ সাব-জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আসাদুজ্জামান জানান, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার কারনে গত মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে ব্যাংকগুলো বিদ্যুৎ বিল গ্রহন বন্ধ করে দিয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই এশিয়া ব্যাংক এজেন্ট শাখা ও সিটি ব্যাংক এজেন্ট শাখার সঙ্গে চুক্তি অন্তে অনুমোদন হয়েছে। ইসলামি ব্যাংক এজেন্ট শাখার সঙ্গেও কথা চলছে। আগামী সপ্তাহের শুরু থেকেই রাণীনগর উপজেলায় চুক্তিবদ্ধ নিকটতম ব্যাংকগুলো বিল গ্রহন করবে। #



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৪২ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই