তারিখ : ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় আক্রান্ত ফসলের মাঠ পরিদর্শনে গবেষক দল

ভালুকা ডট কম ও দৈনিক সংবাদে খবর প্রকাশের পর
ভালুকায় আক্রান্ত ফসলের মাঠ পরিদর্শনে গবেষক দল
[ভালুকা ডট কম : ১৫ নভেম্বর]
ভালুকায় আমনের শীষে চিটা,দিশেহারা কৃষক, শিরোনামে ভালুকা ডট কম ও দৈনিক সংবাদে সচিত্র খবর প্রকাশের পর ১৩ নবেম্বর মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ধান গবেষনা  ইন্সটিটিউট গাজীপুর হতে একটি গবেষক দল ভালুকার বাঁওয়া গ্রামে আক্রান্ত ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেন।

তারা হলেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কীটতত্ব বিভাগ বাংলাদেশ ধান গবেষনা  ইন্সটিটিউট গাজীপুর মনিরুজ্জামান কবির, উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা উদ্ভিদ শারির তাত্বিক বিভাগ গাজীপুর ড.মামুনুর রশীদ, উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা উদ্ভিদ রুপতত্ব বিভাগ গাজীপুর ড. বদরুন নেছা, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক খামারবাড়ী ময়মনসিংহ তৌফিক আহম্মেদ খান।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বিরুনিয়া ইউনিয়নের মাহমুদপুর ব্লকের বাঁওয়া গ্রামে তারা কৃষকদের সাথে নিয়ে চিটায় আক্রান্ত কয়েকটি ধানক্ষেতে চিটা ও ভাল শীষের পরিমান নির্ণয় করেন। কৃষক সিরাজ মিয়ার চিটায় আক্রান্ত ক্ষেতে ধানের ১০টি গোছার একক ধরে প্রতিটি গোছার চিটা ও ভাল শীষের সংখ্যা গননার পর গড় নির্ণয় করেন। গবেষক দল জানান সিরাজ মিয়ার ক্ষেতে তারা ৩০ শতাংশ ধানে চিটা বা মরা শীষ দেখতে পেয়েছেন।

ধানের শীষে চিটা হওয়ার কারন সম্পর্কে তারা জানান যে কোন ধানের পরাগায়ন সময় সকাল ৯ টা হতে ১১ টা,এসময় অতিরিক্ত তাপমাত্রা, ক্ষেতে কীটনাশক স্প্রে করা ও ঝড়োহাওয়ার কারনে ধান চিটা হয়। ব্রীধান ৫১ জাতের ধান বেশী তাপমাত্রার কারনে পরাগায়ন নষ্ট হয়ে শীষ চিটা হয়ে যায়, এছাড়া ঝড়ো হাওয়া, অসময়ে কীটনাশক ব্যবহার ধানের শীষে চিটা হতে পারে এটি কোন রোগ বালাই নয়। এজন্য আতংকিত হওয়া কিংবা কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। ফসল রক্ষায় এ বিষয়গুলি সমন্ধে কৃষকদেরকে মাঠ পর্যায়ে পূর্ব ধারনা দিতে কৃষি কর্মকর্তাদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ রাখেন।

এলাকার ধানক্ষেতে গবেষক দলের উপস্থিতি টের পেয়ে বেশ কিছু কৃষক জড়ো হয়। কৃষকরা এক এক করে সবাই ফসলে চিটা ও সমস্যার কথা জানালে কাজল মিয়া, শাহজাহান, জামাল উদ্দীন,আঃ গফুর সহ বেশ কয়েকজনের ক্ষেত তারা ঘুরে ঘুরে দেখেন।এ সময় গবেষক দল ধানের প্রকারভেধে পাশাপাশি আইলের দুধারে একদিকে ভাল ফলন অপরদিকের ক্ষেত চিটা আক্রান্ত, ব্রাউন স্পট ও পুষ্টিহীনতার প্রভাব দেখতে পান। এর আগে কৃষক সিরাজের ৮ কাঠা জমির ধানে পাতামোড়ানো পোকার উপস্থিতি নিরুপন করেন তারা। ভালুকা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত কৃষি ককর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ, উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা এনামুল হক, সংশ্লিষ্ট ব্লকের উপ সহকারী কৃষি ককর্মকর্তা হাবিবুল বাহার গবেষক দলকে সহযোগিতা করেন। #



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৪২ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই