তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় চলতি মৌসুমে করলার ফলন ও দামে খুশি কৃষকরা

নওগাঁয় চলতি মৌসুমে করলার ফলন ও দামে খুশি কৃষকরা
[ভালুকা ডট কম : ১০ ডিসেম্বর]
দিগন্ত জোড়া মাঠ শুধু করলা আর করলার ক্ষেত। করলার গাছের সবুজ রঙে ছেঁয়ে গেছে তেপান্তরের মাঠ। যতদুর দৃষ্টি যায় শুধু করলার ক্ষেত আর করলার ক্ষেত। বারো মাসি সজবি হচ্ছে করলা। তবে শীত কালে এই সবজির বিশেষ চাহিদা রয়েছে। বর্তমানে করলার দাম ও ফলনে খুশি জেলার করলা চাষীরা। এই জেলায় উৎপাদিত করলা নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে বর্তমানে দেশের অন্যান্য স্থানে চালান হচ্ছে বিশেষ করে রাজধানী ঢাকায়।

ধান উৎপাদনের পাশাপাশি জেলার মান্দা ও পত।পত্নীতলা উপজেলায় রের্কড পরিমাণ জমিতে করলার চাষ হয়েছে। এছাড়াও নওগাঁ সদরের কিছু অংশ ও বদলগাছী উপজেলাতেও সবজি চাষের জন্য বিখ্যাত। এই সব অঞ্চলে উৎপাদিত সবজিগুলো স্থানীয় প্রয়োজন মিটিয়ে চালান হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। তবে চলতি মৌসুমে জেলায় করলার বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিবিঘা জমিতে ৭ থেকে ৮মন হারে করলার ফলন হয়েছে যা বিগত বছরের তুলনায়। করলা ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের আক্রমন কম হওয়ায় ও সঠিক ভাবে বালাইনামক প্রয়োগ করায় এবার করলার ফলন ভালো হয়েছে বলে কৃষকরা জানান। ফলনের পাশাপাশি বর্তমানে বাজারে করলার দাম ভালো হওয়ায় খুশি কৃষকরা। এভাবে বাজারে সবজির দাম অব্যাহত থাকলে কৃষকরা আগামীতে সবজি চাষে আরো বেশি ঝুঁকবে বলে আশা কৃষকদের।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা, চলতি মৌসুমে জেলার ১১টি উপজেলায় মোট ৩শত ৪০হেক্টর জমিতে করলার চাষ হয়েছে। এর মধ্যে মান্দা ও পত্নীতলা উপজেলায় ৫ হেক্টর জমিতে করলার আবাদ করা হয়েছে যা বিগত বছরের তুলনায় দ্বিগুন।

বদলগাছী উপজেলার বেগুনজোয়ার গ্রামের করলা চাষী মো: বাতেন বলেন, এবার আমি ৫বিঘা জমিতে করলার চাষ করেছি। নিয়মিত জমিতে বালাইনাশক প্রয়োগ করায় গত বছরের তুলনায় এবছর ফলন খুব ভালো হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবছর করলার দামও ভালো। বর্তমানে বাজারে প্রতি মন করলা ৭শত থেকে ৮শত টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

নওগাঁ সদরের চন্ডিপুর গ্রামের করলাচাষী আব্দুল হাকিম বলেন, আমি সপ্তাহে দুইবার করে করলার ক্ষেতে বালাইনাশক স্প্রে করেছি। তাই ক্ষেতে এবার পচানি রোগের তেমন আক্রমণ হয়নি। এছাড়াও পোকা-মাকড়ের কোন আক্রমন না হওয়ায় এবার ফলনও ভালো হয়েছে।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনোজিত কুমার মল্লিক বলেন, কৃষকরা করলার জমিতে বালাইনাশক থিয়োভিট স্প্রে করায় পাতা কুচকে যাওয়া রোগ না হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে। আর এখন জেলায় উৎপাদিত করলা পাশের জেলাগুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৫৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই