তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকার সংরক্ষিত বন ভূমিতে শতাধিক পাকা বাড়ী

ভালুকার সংরক্ষিত বন ভূমিতে শতাধিক পাকা বাড়ী
[ভালুকা ডট কম : ১৪ জানুয়ারী]
ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী বিটের অধিনে অবৈধ ভূমি দখলকারীরা নির্মান করছে শতাধিক পাঁকা বাড়ী ফলে উজার হয়ে যাচ্ছে সংরক্ষিত বনাঞ্চল। সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, হবিরবাড়ী রেঞ্চ অফিসের সীমানা ঘেসে ঐ গ্রামের ছিদ্দিকুর রহমান নির্মান করছে ১৮৫ দাগে বহুতলা বিশিষ্ট পাঁকাবাড়ী।

এছাড়াও একই দাগে পাঁকাবাড়ী নির্মান করছে জসিম উদ্দিন, লাল মিয়া, মজিবুর রহমান, জামিল উদ্দিন, ছানোয়ার হোসেন,মরিয়ম বেগম। একই মৌজায় লবন কোঠা গ্রামে ৮৭ দাগে সংরক্ষিত বন ভূমিতে পাঁকাবাড়ী নির্মান করছে ঐ গ্রামের হাজী মোসলেম উদ্দিন, সোহাগ মাষ্টার, বাবুল মিয়া, সিরাজ উদ্দিন, আজিজুল ইসলাম, ৮৫ দাগে পোল্ট্রি ফার্ম নির্মান করছে তোফাজ্জল হোসেন। একই মৌজায় হবিরবাড়ী গ্রামের ২০৩ দাগে শাহিন মিয়া ও ইব্রাহীম হোসেন পাঁকাবাড়ী নির্মান করছে। এ অবৈধ দখলদার পাঁকাবাড়ী নির্মানকারীদের কাছ থেকে স্থানীয় বন কর্মচারীরা হাতিয়ে নিচ্ছে ২০ হাজার থেকে লক্ষাদিক টাকা পর্যন্ত। এই টাকার ভাগিদার হন জেলা পর্যায়ের বন কর্মকর্তারা, ফলে সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার ভূমি রাজস্ব। এই ভাবে স্থানীয় বন কর্মচারীরা হবিরবাড়ী বিটের সংরক্ষিত বন ভূমি নাম মাত্র মূল্যে তুলে দিচ্ছে অবৈধ দখলদারদের হাতে।

ভালুকা উপজেলায় ভালুকা ও উথুরা রেঞ্জের অধিনে ৫ টি বিটে প্রায় ২৪ হাজার একর সংরক্ষিত গেজেট ভূক্ত বনভূমি থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে বন বিভাগের হিসাবনুযায়ী তা ৮ হাজার একরে দাড়িয়েছে। বাকী ১৬ হাজার একর বনভূমি চলে গেছে অবৈধ দখলদারদের হাতে। এ সব পাঁকাবাড়ী নির্মান প্রসঙ্গে ভালুকা রেঞ্জের রেঞ্জার মোজাম্মেল হোসেন বলেন, এই সংরক্ষিত বনভূমি পর্যায়ক্রমে অবৈধ দখলদারদের হাতে চলে যাচ্ছে। তবে তিনি বলেন, বর্তমানে যারা সংরক্ষিত বন ভূমিতে পাঁকাবাড়ী নির্মান করছে তাদের বিরোদ্ধে বন আইনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। প্রকাশ: হবিরবাড়ী মৌজার ১৮৫, ১১৯ ও ৯ দাগে সংরক্ষিত বনভূমিতে গড়ে উঠেছে অপরিকল্পিত শহর। এ বিষয়টি দেখার মত বন বিভাগের কোন দ্বায়িত্বশীল কর্মকর্তা নেই।

পাঁকাবাড়ী নির্মানকারীরা জানান, বন কর্মচারীদের চাহিদানুযায়ী টাকা দিয়ে তারা এ সব স্থায়ী পাঁকাবাড়ী নির্মান করছেন। এলাকাবাসীর মতে সাবেক প্রধান বন সংরক্ষক দূনীর্তির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত বনের রাজা খ্যাত ওসমান গনির উত্তরসূরীরা এখনো বন বিভাগে কর্মরত রয়েছে। এদের কারনে ভালুকার গেজেট ভূক্ত সংরক্ষিত বনভূমি অবৈধ ভাবে শিল্পপতি ও ভূমি দস্যুদের হাতে চলে যাচ্ছে। এতে করে পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্নকভাবে বিগ্নিত হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে সরেজমিনে তদন্ত করে এসব সংরক্ষিত বনভূমি উদ্বার ও অবৈধ দখলদারদের বিরোদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই