তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

শার্শায় জীবনের ঝুকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করছে শিশুরা

শার্শায় জীবনের ঝুকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করছে শিশুরা
[ভালুকা ডট কম : ২০ জানুয়ারী]
যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হচ্ছে দীর্ঘ দিন ধরে। যে কোন মূহুর্তে পরিত্যক্ত ভবন ধ্বসে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।ডিজিটাল বাংলাদেশের শিক্ষাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান শাসনামলে এমন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজও থাকতে পারে এটা বিশ্বাস করা যায় না।

১৯৪২ সালে উলাশী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার সময় বর্তমান পরিত্যক্ত ভবনটি নির্মিত হয়। উপজেলার ৯নং উলাশী ইউনিয়নের স্বনামধন্য এই বিদ্যাপিঠের পুরাতন ভবনটি ২০১২ সালে উপজেলার শিক্ষা অফিস কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করার পর আজও নতুন কোন বিকল্প ভবনের মুখ দেখেনি সেখানকার শিক্ষার্থীরা। ফলে বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেনীর কোমলমতি শিশু-শিক্ষার্থীদের সেই পরিত্যক্ত ভবনে ক্লাস করতে হয় বছর জুড়ে। আর পরিত্যক্ত ভবনে জায়গার সংকুলান না হওয়ায় স্কুল মাঠের গাছ তলায় জরাজীর্ন টিনশেডের নীচে ঠাঁই হলো তৃতীয় শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের। অন্য দুইটি ভবনের ৪টি কক্ষের ১টি অফিস কক্ষ এবং ৩টি ৪র্থ ও ৫ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুম।

এবিষয়ে উলাশী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান জানান, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১১জন শিক্ষক এবং প্রায় ৫০০ জন শিক্ষার্থী আছে। এ জন্য ১০টি শ্রেনী কক্ষের প্রয়োজন কিন্তু আছে মাত্র ৩টি। শ্রেনী কক্ষের অভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পরিত্যক্ত ভবনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হচ্ছে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে। যে কোন মূহুর্তে পরিত্যক্ত ভবন ধ্বসে ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। বারবার ভবনের জন্য তাগিদ দেওয়া সত্বেও শিক্ষা অফিস থেকে আশ্বাস পাওয়া গেলেও ৬বছরে ভবনের মুখ দেখা মেলেনি। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর মেধা তালিকায় মেধাবী শিক্ষার্থীরা স্থান করে নেয়। এমন প্রতিকুল পরিবেশ থাকা সত্বেও ২০১৭ সালে ৪জন শিক্ষার্থী ট্যালেন্টপুলে মেধা তালিকায় নাম লিখিয়েছিল।

শার্শা উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ দিন ধরে উপজেলার উলাশী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হচ্ছে, এটা অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। প্রতি বছর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবনের  জন্য উর্ধতন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট পরিত্যক্ত ভবনের ছবিসহ বারবার আবেদন করার পরও কেন নতুন ভবনের বরাদ্দ আসছে না তা আমাদের বোধগম্য নহে।  #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শিক্ষাঙ্গন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই