তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০১৯, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ নীরব

বেনাপোল বন্দরের ট্রাক টার্মিনালে এসিড ও ভারী পন্য রাখায় বন্দরের আসপাশে বসবাসরত মানুষেরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে,বন্দর কর্তৃপক্ষ নীরব
[ভালুকা ডট কম : ২২ জানুয়ারী]
বেনাপোল বন্দরের ভারতীয় ট্রাক টার্মিনালে এসিড ও ভারী পন্য রাখায় বন্দরের আসপাশে বসবাসরত কয়েক হাজার মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এসিডের বিক্রিয়ায় বাড়ী ঘর ধ্বসে পড়ার আশংকা করছেন ভুক্তভোগী মানুষ। দীর্ঘদিন এলাকার মানুষ বিষয়টি অভিযোগ আকারে বন্দর কর্তৃপক্ষকে জনালেও কোন কাজ হয়নি। অসংখ্য মানুষ এসিডের বিক্রিয়া ও শব্দ দুষনে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ছেন।

বন্দরের ভারতীয় ট্রাক টার্মিনালের গা ঘেষে বসবাসকারী বদরুল আলম ও আব্দুল জব্বার জানান, বন্দরের ভারতীয় ট্রাক টার্মিনালে ভারতীয় পন্য বোঝাই ট্রাক রাখার কথা থাকলেও সেখানে নিয়ম বহির্ভূতভাবে রাখা হচ্ছে  আমদানিকতৃ এসিড ও ভারী লৌহ জাতীয় দ্রব্য। সেখানে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের জন্য নির্মান করা হয়েছে বাথরুম । বাথরুম করা হলেও ড্রেনের মধ্যে প্রকাশ্যে পায়খানা ও প্রস্রাব করছে ড্রাইভাররা। ফলে বৃস্টির পানির সাথে মল মুত্র ও এসিড গিয়ে পাশ্ববর্তী বাড়িঘরে ঢুকে পড়ে নস্ট হচ্ছে পরিবেশ। ট্রাক টার্মিনালে পন্য রাখায় রাত দিন চব্বিশ ঘন্টা ভারী পণ্য সহ এসিড জাতীয় পন্য লোড আনলোড করা হচ্ছে। রাতে বিকট শব্দে বন্দরের পাশ্ববর্তী লোকজন নির্ঘূৃম রাত কাটাচ্ছে।

বিশেষ করে বড় বড় ৪০/৫০ টনের আমদানিকৃত সিআরকয়েল ও বোল্ডার আনলোডের সময় বিকট শব্দে ভুকম্পন দেখা দেয়। ফলে বৃদ্ধ, রোগী ও শিশুরা আতংকে রাত কাটায়। অনেক সময় ট্রার্মিনালের অভ্যন্তরেই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। তখন এলাকাবাসী বাড়ি ঘর ছেড়ে চলে যায় নিরাপদ আশ্রায়ে। বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রাচীর দিয়ে গোটা এলাকাবাসীকে ঘিরে ফেলা হয়েছে। দীর্ঘদিন দাবি করেও কোন ফল হয়নি তাদের। ফলে কয়েক হাজার পরিবার মানবেতন জীবন যাপন করছেন। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে গত ২০১৪ সালের ২ ডিসেম্বর বেনাপোল পৌর সভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন ও বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী সংগঠন সিএন্ডএফ এজেন্টস এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমানসহ ১৯৪ টি পরিবার স্বাক্ষরিত একটি আবেদন করা হয় বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে ।

বিষয়টি বিবেচনায় এনে ২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী বন্দরের পরিচালক নিতাই চন্দ্র স্বাক্ষরিত বন্দরের পাশ্ববর্তী ৯.৫৬ একর জমি অধিগ্রহনের জন্য বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে একটি সুপারিশপত্র প্রেরন করেন। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারী এলাকাবাসী বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক আব্দুল জলিলের সাথে মানবিক বিষয়টি তুলে ধরে সমাধান চাইলে তিনি এক সপ্তাহের মধ্যে সব সমস্যা সমাধান করা হবে বলে আশ্বস্থ করেন। কিন্তু অদ্যবধি এর কোন সুরাহ হয়নি। ফলে এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভ ও উওেজনা বিরাজ করছে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক আব্দু জলিল জানান, বিষয়টি মানবিক বিবেচনা করে বন্দরের উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করি অচিরেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৬৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই