তারিখ : ২৫ মে ২০১৯, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাণীনগর উপজেলাকে মডেল উপজেলায় পরিণত করতে চান রেজাউল

জনপ্রতিনিধি হয়ে রাণীনগর উপজেলাকে মডেল উপজেলায় পরিণত করতে চান রেজাউল ইসলাম
[ভালুকা ডট কম : ০৩ জানুয়ারী]
দেশের পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ডামাডোল বাজতে শুরু করেছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘোষনা দিয়েছেন। এ ঘোষণার পর থেকেই চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা।

বিশেষ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই বেশি তৎপর। নৌকা প্রতীকের সেই দৌড়ে নেমেছেন নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রায় ডজনখানিক মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীরা। তবে বিএনপি বা ঐক্যফ্রন্ট এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না বলে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা রয়েছেন অনেকটাই ফুরফুরা মেজাজে।

উপজেলা নির্বাচনের মাঠে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মাঝি হওয়ার দৌড়ে এখনো পর্যন্ত যে নামটি খুব জোরেসোরে শোনা যাচ্ছে তিনি হলেন উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক, জেলা আ’লীগের কার্যকরী সদস্য, আ’লীগের একজন নির্ভীক লড়াকু সৈনিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মো: রেজাউল ইসলাম। তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আ’লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।

ঐতিহ্যবাহী এক আদর্শবান আ’লীগ পরিবারের সন্তান এই রেজাউল ইসলাম। তিনি আ’লীগের জন্য এক নিবেদিত প্রাণ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মনে-প্রাণে ধারন করে শিক্ষাজীবনে ছাত্রলীগে যোগদান করার মধ্যে দিয়ে তার আ’লীগের রাজনীতির জীবনে প্রবেশ করা। তার পরিবারের সকল সদস্যরাই আ’লীগের রাজনীতি করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত। দলের সিনিয়র নেতাদের আর্শিবাদ তার মাথার উপর বলেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে উপজেলার রাজনৈতিক মহলে। তিনি প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গনসংযোগ, পথ সভা, উঠান বৈঠক করে চলেছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা, ক্লিন ইমেজের এই নেতা ইতোমধ্যেই সুধী সমাবেশ ও বিভিন্ন মতবিনিময় সভায় অংশ নিচ্ছেন। নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে সাধারণ মানুষের কাছে ছুটে চলেছেন দিনরাত। উপজেলার প্রায় প্রত্যেকটি ইউনিয়নে পথসভাও করতে দেখা গেছে তাকে। নিজের প্রার্থিতা জানান দিয়ে তিনি ওইসব এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন ও দোয়া প্রার্থনা করছেন।

মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী রেজাউল ইসলাম বলেন, মাঠের সক্রিয়তা, জনপ্রিয়তা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হলে আমিই এগিয়ে থাকবো। কারণ আমি ও আমার পরিবার বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে মনে গেথে নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত আ’লীগের রাজনীতি করে আসছি। আ’লীগের রাজনীতি করতে করতেই আজ জীবন শেষের দিকে। আমি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। কিন্তু দলের নির্দেশনা অনুসারে মনোনয়ন না পেলেও নৌকা প্রতিকের হয়ে কাজ করেছি এবং বিজয়ী ছিনিয়ে এনেছি। আমি আশা রাখি বিচক্ষণ নেত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে আমার সবকিছু যাচাই-বাছাই করে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমাকেই নৌকা প্রতিক দিবেন।

কারণ আমি গত ২০০৮ ও ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলাম। এবার জেলা পর্যায়ের সিনিয়র নেতাদের সমর্থনও আমার দিকেই থাকবে বলে আমি আশাবাদি। আমি জনপ্রতিনিধি হয়ে এই উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া দেওয়া নির্বাচনী ইশতেহারকে শতভাগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলায় পরিণত করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপহার দিতে চাই। আমি নির্বাচিত হলে উপজেলাবাসীকে সকল আধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে চেষ্টা করবো। আমার বিশ্বাস আমাকে নৌকা প্রতিক দেওয়া হলে দু’একজন ছাড়া সবাই আমাকেই নির্বাচনে সহযোগিতা করবেন। আমি ও আমার পরিবার উপজেলাবাসীর পাশে আগেও ছিলাম এখনও আছি এবং যতদিন বেঁচে আছি ততদিন থাকবো।

উপজেলা পরিষদ প্রশাসনের একটি শক্তিশালী অংশ। তাই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এই জনপদের কাজ করবেন, মানুষের পাশে থাকবেন এমন একজন শিক্ষিত, সৎ ও ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকে চ’ড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়ার দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল ও এলাকাবাসীরা।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

রাজনীতি বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৭৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই