তারিখ : ২২ আগস্ট ২০১৯, বৃহস্পতিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নান্দাইলে বিদ্যালয়ে পরীক্ষার নামে চলছে বাণিজ্য

নান্দাইলে কাশীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে ত্রৈমাসিক পরীক্ষার নামে চলছে বাণিজ্য
[ভালুকা ডট কম : ২০ এপ্রিল]
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার কাশীনগর উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ উপেক্ষা করে ত্রৈমাসিক পরীক্ষার নামে বাণিজ্য চলছে। শ্রেণীভেদে এ পরীক্ষার জন্য ফি বাবদ ২০০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শ্রেণীর পাঠদান কার্যক্রম বৃদ্ধি করা এবং শিক্ষার্থীদের উপর থেকে পরীক্ষার চাপ কমানোর জন্য সরকার প্রায় ছয় বছর পূর্বে বছরে দুটি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তুু কাশীনগর উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেই নির্দেশনা তোয়াক্কা না করে ত্রৈমাসিক পরীক্ষা নিচ্ছেন। পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি নানাবিধ কৌশল অবলম্বন করেছে। পরীক্ষার জন্য শ্রেণীভেদে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন নামে রশিদ না দিয়ে ফি নেওয়া হচ্ছে।

একাধিক অভিভাবক জানান, সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে বিভিন্ন কৌশলে পরীক্ষা নেওয়ার নামে মোটা অংকের বাণিজ্য করছে এই প্রতিষ্ঠান। প্রশাসনের চোখের সামনে এগুলো হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মতিউর রহমানের নিকট সেলফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন দুই-একটি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। পরে বন্ধ করে দিয়েছি।

বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. জামাল উদ্দিন, নব নির্বাচিত অভিভাবক সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম ও মো. মিজানুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ত্রৈমাসিক পরীক্ষার নামে ছাত্রছাত্রীদের নিকট থেকে ফি আদায় করেছেন। নান্দাইল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. রুকন উদ্দিন জানান, সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক ত্রৈমাসিক পরীক্ষা নেওয়ার কোন সুযোগ নেই। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শিক্ষাঙ্গন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৭ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই