তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ১২৭তম জন্মবার্ষিকী
[ভালুকা ডট কম : ০৮ সেপ্টেম্বর]
রবিবার নয়াপল্টনের যাদু মিয়া মিলনায়তনে মহান জাতীয় নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন,হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের একজন মহান পুরোধা,জীবনের অন্তিম মূহুর্ত পর্যন্ত তিনি বিশ্বাস করতেন রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গণতন্ত্রের বিকল্প নেই।

তিনি আরো বলেন, যেসকল মনীষীর মহৎ রাজনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ অঞ্চলে গণতন্ত্রের শুভ সূচনা হয়েছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি আজীবন সংগ্রাম করে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি, সুনাম ও সুখ্যাতি লাভ করেন। সকল লোভ, স্বার্থ ও ক্ষমতার মোহের উর্ধে উঠে গণতান্ত্রিক চেতনাকে সমুন্নত রাখাই ছিল তাঁর সারা জীবনের সাধনা।অখন্ড উপমহাদেশে সাম্রাজ্যবাদী ব্রটিশ শাসনামলে বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্বদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কেন্দ্রীয় বৃটিশ সরকারের সাথে আপোসহীন ও সাহসী ভুমিকা পালন করেন। বয়সে নবীন হলেও অসাধারণ বাগ্নীতা এবং সরকারী নীতির বিরুদ্ধে অনলবর্ষী ও ক্ষুরধার বক্তব্য দ্বারা অল্পদিনের মধ্যেই তিনি পরিষদের ভিতর ও বাহিরে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হন।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক জীবন শুরুর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিনি একজন আপসহীন, অসাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন নেতা হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেন। এ সময় তিনি দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশকে অকাট্য যুক্তিদ্বারা বোঝাতে সক্ষম হন যে রাজনৈতিক, সামাজিক, আর্থিক ও অন্যান্য ক্ষেত্রে মুসলমানদের সহযোগিতা পেতে হলে সর্বক্ষেত্রে জনসংখ্যার অনুপাতে তাদের প্রতিনিধিত্ব থাকা অপরিহার্য। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক বেঙ্গল ন্যাশন্যাল প্যাক্টের ভিত্তিতে শতকরা ৫৬টি চাকুরী অবিভক্ত বাংলার মুসলমানদের প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়। এটা শুধু শহীদ সোহরাওয়ার্দীর অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, দূরদর্শিতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার ফলেই সম্ভব হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করতেন জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই জনগণের মৌলিক অধিকার এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত হতে পারে। তিনি মনে প্রাণে বিশ্বাস করতেন নিরপেক্ষভাবে নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত সরকারের মাধ্যমেই গণতন্ত্রের বিকাশ সম্ভব। গণতন্ত্র ব্যর্থ হয়েছে এ কথা মানতে তিনি কোনও সময়ই রাজী ছিলেন না। তাইতো তিনি ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ হয়ে কোটি কোটি গণতন্ত্রী মানুষের মনে ঠাঁই করে নিয়েছেন।

বাংলাদেশ ন্যাপ ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান কাজী ফারুক হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব মো. আতিকুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, সহ-সম্পাদক এডভোকেট আবদুস সাত্তার, মহানগর যুগ্ম সম্পাদক মো. শামিম ভুইয়া, শ্রম সম্পাদক মো. হাবিবুর রহমান, মহিলা সম্পাদিকা সাদিয়া ইসলাম ঈমন, যুব ন্যাপ সমন্বয়কারী বাহাদুর শামিম আহমেদ পিন্টু প্রমুখ। #





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শুভ জন্মদিন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৮৯ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই