তারিখ : ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় প্লে শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

ভালুকায় প্লে শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ,আতঙ্কে ভোগছে পরিবার
[ভালুকা ডট কম : ০৭ অক্টোবর]
ভালুকা উপজেলার আশকা গ্রামে প্লে শ্রেণীর সিএনজি চালকের এক মেয়েকে শাঁক তোলে দেয়ার নাম করে আল আমীণ নামে এক লম্পট ধর্ষণ করে। প্রকাশ করলে প্রাণ নাশের হুমকী দেয়। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক পলাতক রয়েছে।ধর্ষক আল আমীন উপজেলার মিরকা গ্রামের রহিম উদ্দিনের ছেলে। ঘটনাটি স্থানীয় ভাবে আপস মীমাংসার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য বুধবার মিরকা গ্রামে সালিশ বসানোর প্রস্তাব দেয়। ঘটনাটি ঘটেছে সমবার বেলা ১১টার সময়।

স্থানীয় সূত্রে জানাযায়,আশকা গ্রামের সিএনজি চালক কামাল মিয়ার মেয়ে মেধা সিঁড়ি আইডিয়াল স্কুলের প্লে শ্রেণীর ছাত্রী তার প্রতিবশী অপর এক মেয়ে ও সহপার্টি হাসানকে নিয়ে বাড়ি পাশে শাঁক তোলতে যায়। এ সময় আল আমীণ তিন শিশুকে লোভ দেখায় ওই পাড়ে আরও অনেক শাঁক আছে। তাদেরকে লোভ দেখিয়ে কামাড়াইড ভিটা জঙ্গলে নিয়ে তিন শিশুকেই উলঙ্গ করে। প্রথমে কামালের মেয়েকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করার সময় শিশুটি জোরে ডাক চিৎকার শুরু করে। এ সময় আল আমীণ তাদেরকে ভয় দেখায় যদি তারা এ ঘটনা বাড়িতে কাউকে জানায় তাহলে খুন করে ফেলবে তিনজনকেই। শিশুরা বাড়িতে এসে ভয়ে কিছু বলে নি। বিকালে ব্যথা শুরু হলে সব ঘটনা তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কাছে খোলে বলে।

বিকটিমের বাবা স্থানীয় গণ্যমাণ্য ব্যক্তি ও ভালুকা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড আশকা গ্রামের ইউপি সদস্য আফাজ উদ্দিনকে ঘটনাটি জানালে তিনি বলেন মিরকা গ্রামের ইউপি সদস্যকে জানাও তাকে নিয়ে আগামী কাল (মঙ্গলবার) মিরকা গ্রামে বসে ঘটনাটি আপস মীমাংসা করে দিবো।এমতঅবস্থায় ভিকটিমের পরিবার আতঙ্কের মাঝে বসবাস করছেন।এ ঘটনায় সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে বিকটিম ও আশপাশের লোকজনের বক্তব্য শুনার পর বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফোনে অবগত করেন।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, আল আমীনকে গত কয়েক বছরে একই ভাবে মিরকা গ্রামের বাবুল মিয়ার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে, হিটু মিয়ার মেয়েকে ও হামিদ মিয়ার মেয়েকে শ্লীলতা হানীর করার অভিযোগে গ্রাম্য সালিশে জুতা পেটা পর্যন্ত করা হয়।

বিকটিমের বাবা কামাল মিয়া জানান, আমার মেয়ের সাথে আল আমীন খারাপ কাজ করেছে। আমি দরিদ্্র মানুষ আমার দ্বারা মামলার চলানো সম্ভব না। যে কারণে আমি থানায় মামলা চালাতে আগ্রহি নেই।

ভালুকা মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন জানান, সন্ধ্যার পর আমাকে ইউএনও স্যার বিষয়টি জানানোর পর আমি একজন অফিসারকে পাঠিয়েছি বিকটিমকে উদ্ধার করে থানা নিয়ে  আসার জন্য।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান,আমি বিষয়টি ওসিকে জানিয়েছি। কোনো ইউপি সদস্য যদি এ জাতীয় মামলা নিস্পত্তি করে দেয় তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য আমি ওসিকে নির্দেশ দিয়েছি।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২২ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই