তারিখ : ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাণীনগরে মাঠে মাঠে ফুটতে শুরু করেছে আমন ধানের শিষ

রাণীনগরে মাঠে মাঠে ফুটতে শুরু করেছে আমন ধানের শিষ,ধানের দাম না থাকায় হতাশ কৃষককুল
[ভালুকা ডট কম : ২৪ অক্টোবর]
নওগাঁর রাণীনগরে চলতি আমন মৌসুমে কৃষি বিভাগের নির্ধারনকৃত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত ৪হাজার ৮০হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুক’লে থাকলে এবারও বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষি বিভাগ ও কৃষকরা। কিন্তু লাগাতার ধানের দাম না পাওয়ায় হতাশ কৃষকক’ল। কৃষকরা বলছেন বাম্পার ফলনে কৃষকদের গলায় ফাঁস পড়বে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য মতে এ বছর আমন মৌসুমে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছিল ১৪হাজার ৪৫হেক্টর। বিপরীতে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে এ বছর আমন চাষ হয়েছে ১৮হাজার ১শত ২৫হেক্টর জমিতে। খরিপ২/২০১৯ রোপা আমন আবাদের আওতায় উল্লেখিত পরিমান জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন মাঠের আমনধানে শিষ ফুটতে শুরু করেছে। তবে এখন পর্যন্ত আবহাওয়া আমনধানের অনুক’লে রয়েছে বলে জানায় কৃষি অফিস।

উপজেলার শিয়ালাগ্রামের কৃষক ছলিম উদ্দিন বলেন এখন ধানের জমি মানে আমাদের গলার ফাঁস। কারণ ধানের দাম না পেলেও আমাদের ধান চাষ করতে হচ্ছে। কারণ এই জমিগুলোতে ধান চাষ করা ছাড়া আর কোন আবাদ করা সম্ভব নয়। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই ধান চাষ করছি। কিন্তু ধানের সঠিক দাম পাওয়ার জন্য কৃষকদের দিকে সরকারের যত্নসহকারে জোরালো নজর দেওয়া উচিত। প্রতি মৌসুমের শেষের দিকে এসে ধানের দাম পড়ে যাচ্ছে জানি না আমন মৌসুমে এসে ধানের দাম কি অবস্থায় দাঁড়াবে? এখন ধানের যে অবস্থা তাতে চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের আশা করা যাচ্ছে।

কাটরাশইন গ্রামের কৃষক রনজিত সাহা বলেন এভাবে ধানের দামের দরপতন চলতে থাকলে কৃষকরা হুতাশে মারা যাবে। অনেক কষ্ট করে কৃষকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ধান উৎপাদন করে কিন্তু তাদের কষ্টের মূল্য কৃষকরা পাচ্ছেন না। তাই কোন উপায়ন্ত না পেয়ে আমরা লোকসান ভেবে ধানের চাষ করে যাচ্ছি। আশা করছি এবারও প্রকৃতি ও আবহাওয়া শেষ পর্যন্ত আমনধানের অনুক’লে থাকলে এবারও ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছি। মাঠে ধানের শিষ যে ভাবে ফুটতে শুরু করেছে তাতে ফলন অনেকটাই ভালো হবে বলে আমি আশা করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন, চাষকৃত ধানের মধ্যে উন্নত ফলনশীল উফশী ও স্থানীয় জাতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য চিনি আতপ এবং বিন্না ফুল উল্লেখযোগ্য। তবে যদি কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত না হানে এবং আবহাওয়া অনুক’লে থাকে তাহলে চলতি মৌসুমেও কৃষকরা আমনধানের বাম্পার ফলন পাবেন। এছাড়াও ধানের সকল রোগ সম্পর্কে কৃষকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরন করা, আলোচনা সভা ও আলোক ফাঁদ প্রদর্শন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আমনধান কৃষকদের ঘরে না ওঠা পর্যন্ত এই সব কার্যক্রম চলবে। প্রতি বছরের চেয়ে এবারও আমনধানের ফলন অনেক বেশি হবে বলে আমি আশাবাদি।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২৩ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই