তারিখ : ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁর গ্রামীণ রাস্তাগুলো মরণ ফাঁদ,চরম দুর্ভোগে মানুষ

নওগাঁর বড়গাছা ইউনিয়নের গ্রামীণ রাস্তাগুলো খানা-খন্দে ভরা মরণ ফাঁদ,চরম দুর্ভোগে হাজার হাজার মানুষ
[ভালুকা ডট কম : ১৯ নভেম্বর]
নওগাঁর রাণীনগরের বড়গাছা ইউনিয়নের গ্রামীণ রাস্তাগুলোর মাঝে মাঝে বড় বড় খানা-খন্দে ভরপুর। রাস্তার কোথাও কোথাও পুরো অংশ ভেঙ্গে গেছে আবার কোথাও ইট উঠে গিয়ে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিনিয়তই স্কুলের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে আর ঘঠেই চলেছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

বর্তমান সরকার যেখানে গ্রামে শহরের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে বধ্য পরিকর সেখানে গ্রামীন এই রাস্তার বেহাল দশার দীর্ঘ সময় পার হলেও তা সংস্কার করার কোন খবর নেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। বর্তমানে বড়গাছা ইউনিয়নের সকল গ্রামের গ্রামীণ রাস্তাগুলো খানা-খন্দে ভরা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। তারই একটি জনগুরুত্বপূর্ন গ্রামীণ রাস্তা সনাতন ধর্মালম্বী অধ্যুষিত গ্রাম কাটরাশইনের মঙ্গলসাহার বাড়ি হতে রাধাগোবিন্দ মন্দিরে যাওয়ার রাস্তা। বর্তমানে এই রাস্তার মাটি ভেঙ্গে ও ইট উঠে গিয়ে বেহালদশায় পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন রাস্তার কোন সংস্কার না করায় তা এখন চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। শুকনো মৌসুমে কোনমতে চলাচল করা গেলেও বর্ষা মৌসুমে চলতে গেলেই ঘটে দুর্ঘটনা। এই রাস্তা দিয়ে ৮০ থেকে ১শতটি ঘরের সংখ্যালঘু মানুষরা চলাচল করে। যাতায়াত করতে পারে না ভ্যানগাড়ী, সাইকেলসহ ছোটখাটো যানবাহন।

কাটরাশইন গ্রামের রনজিত সাহাসহ অনেকেই বলেন আমরা চরম অবহেলিত এলাকায় বসবাস করি। যার কারণে দীর্ঘ সময় পার হলেও গ্রামীন এই অবহেলিত মরণ ফাঁদ রাস্তায় এখনো পর্যন্ত আধুনিকতার কোন ছোঁয়াই লাগেনি। স্থানীয় প্রশাসনকে বিষয়টি অনেকবার জানানোর পর প্রায় ২বছর পার হলেও রাস্তাটি এখনোও বেহাল দশায় পড়ে আছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা এলাকার উন্নয়ন বোঝে না তারা বোঝে নিজেদের পকেট ভরানোর কাজ। তাই আমাদের কপালে সারা বছরই রাস্তা-ঘাট নিয়ে দু:খ্য লেগেই থাকে।

স্থানীয় ওয়ার্ডের মেম্বার শাহানাজ বেগম বলেন আমরা আমাদের সাধ্যমতো কাজ করে যাচ্ছি। যখন যে কাজের বরাদ্দ পাচ্ছি তখন সেই কাজ করছি। এই রাস্তার জন্য বরাদ্দের কথা উপরমহলকে জানিয়েছি বরাদ্দ এলেই কাজ শুরু করবো।

বড়গাছা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম শফু বলেন আমার ইউনিয়নের সকল উন্নয়নমূলক কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে আসছি। তবে আমি একা তো আর সবার মন জয় করতে পারবো না। যথেষ্ট পরিমাণ বরাদ্দ পেলেই সকল রাস্তা-ঘাট সংস্কার ও মেরামত করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুন বলেন, শুধুমাত্র বড়গাছা ইউনিয়নই নয়। উপজেলার সকল গ্রামীণ রাস্তা থেকে শুরু করে সকল প্রকারের রাস্তা-ঘাট মেরামতের বরাদ্দ চেয়ে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর চাহিদা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই পর্যাক্রমিক ভাবে সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই