তারিখ : ১০ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাণীনগরে আমন ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন

রাণীনগরে আমন ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন
[ভালুকা ডট কম : ২১ নভেম্বর]
বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁর রাণীনগরে অভ্যন্তরীন আমন ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সংসদ সদস্য মো: ইসরাফিল আলম বলেছেন বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। প্রতিবছর কৃষকদের জন্য সরকার কোটি কোটি টাকা ভুর্তকি দিয়ে যাচ্ছে। কারণ কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে পালটে যাবে দেশের চিত্র। দিন যতই যাচ্ছে ফসলের উৎপাদন ততই দ্বিগুন হচ্ছে।

দেশের অন্যতম শস্য ভান্ডার হিসেবে পরিচিত জেলা নওগাঁ। জেলার মধ্যে ধান উৎপাদনের শীর্ষে রয়েছে রাণীনগর উপজেলা আর তার পরেই রয়েছে আত্রাই উপজেলা। সারা দেশে রাণীনগর উপজেলায় উৎপাদিত চালের সুনাম রয়েছে। প্রতি মৌসুমে বর্তমানে এই উপজেলায় সরকারি বরাদ্দের চেয়ে তিনগুন বেশি ধান উৎপাদিত হচ্ছে। কিন্তু সেই তুলনায় সরকারি ভাবে ধান ও চাল কেনার বরাদ্দ খুবই কম। চলতি আমন মৌসুমে শুধুমাত্র এই উপজেলায় চিনিআতপসহ বিভিন্ন জাতের ধান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে প্রায় ৮৪হাজার মেট্টিক টন অথচ সরকারি ভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে মাত্র ১হাজার ৮শত ৬১মেট্টিক টন। যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগন্য। অবশিষ্ট কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান কি তাহালে নদীতে ফেলে দেবে? এই উপজেলায় যদি আর একটু বরাদ্দ বেশি দেওয়া হতো তাহলে আরো কৃষকরা উপকৃত হতো। তাই সরকার ও খাদ্য মন্ত্রনালয়ের উচিত উৎপাদন ও উদ্বৃদ্ধ খাদ্যের পরিমাণ যাচাই-বাছাই করে সরকারি ভাবে বরাদ্দ দেওয়া। তবেই এই দুই উপজেলার কৃষকদের ধান চাষ করে আর লোকশান গুনতে হবে না। তারা আগামীতে আরো বেশি করে ধান চাষ করতে উৎসাহিত হবে। কারণ কৃষকদের বাঁচালে এই দেশের অর্থনৈতিক চাকা আরো সচল হবে। সেই সঙ্গে যে সব ছোট ছোট চাতাল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সেই সব চাতাল আবার সচল হবে প্রাণ ফিরে পাবে চাতাল ব্যবসায়ীরা। কর্মসংস্থান খুজে পাবে শত শত দিনমজুরেরা। আর সেই লক্ষ্যেই আমাদের সকলকে এক সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।

উপজেলা খাদ্যগুদাম প্রাঙ্গনে খাদ্য বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন হেলাল।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান জারজিস হাসান মিঠু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা বেগম, খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম সরকার, খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম লিটন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান পিন্টু, বড়গাছা ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম শফু প্রমুখ। এছাড়াও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। চলতি আমন মৌসুমে রাণীনগর উপজেলায় সরকারি ভাবে প্রতি কেজি ধান ২৬টাকা দরে কেনার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১হাজার ৮শত ৬১মেট্টিক টন।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১২২৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই