তারিখ : ১৯ জানুয়ারী ২০২১, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

দেশের ১৫ সরকারী চিনিকলের মধ্যে ছ’টি বন্ধ হচ্ছে

দেশের ১৫ সরকারী চিনিকলের মধ্যে ছ’টি বন্ধ হচ্ছে
[ভালুকা ডট কম : ০৪ ডিসেম্বর]
অব্যাহত লোকসান আর বিপুল পরিমাণ দায়-দেনার ভারে পর্যুদস্ত  দেশের ১৫টি সরকারী চিনিকলের মধ্যে ছ’টি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের এক পরিপত্রে  জানানে হয়েছে, চিনি আহরণের হার, আখের জমি, মিলের  দক্ষতা, লোকসান ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় – এসব বিবেচনায় নিয়ে চলতি আখমাড়াই মৌসুমে ১৫ চিনিকলের মধ্যে ন’টি  চিনিকলে আখ উৎপাদন ও মাড়াই বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে চলতি মৌসুমে আখমাড়াই বন্ধ থাকবে ছয় চিনিকলে। আগামী মৌসুমে বাকি তিন চিনিকলও বন্ধ হবে।

আখমাড়াই স্থগিত হওয়া চিনিকলগুলোর মধ্যে রয়েছে পাবনা সুগার মিল, কুষ্টিয়া সুগার মিল, পঞ্চগড় সুগার মিল, শ্যামপুর সুগার মিল, রংপুর সুগার মিল ও সেতাবগ্ঞ্জ সুগার মিল।সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে,  যেসব মিলে চলতি মৌসুমে আখ মাড়াই করা হবেনা সেসব এলাকায় উৎপাদিত ও কৃষকের সরবরাহকৃত আখ নিকটস্থ চালু চিনিকলে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। উৎপাদন স্থগিত করা  মিল হতে কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীকেও চালুকৃত মিলে সংযুক্ত বা বদলিপূর্বক সমন্বয় করা হবে।

চিনি শিল্পের সংকটের মূলে প্রশাসনিক ব্যর্থতাকে দায়ী করে শ্রমিক নেতারা বলছেন, চিনি কল বন্ধ করে দেবার এটি এক দীর্ঘমেয়াদি ষড়যন্ত্র। খাদ্য ও চিনি শিল্প  কর্পোরেশনের  সচিব কৃষিবিদ মোঃ. আবদুল ওয়াহাব স্বীকার করেছেন, তাদের উৎপাদিত  চিনি তেমন বিক্রি হচ্ছে না। যার কারণে, চিনিকলগুলো চালাতে গিয়ে আর্থিক সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

এদিকে,  সরকারি অর্থ সহায়তা না পাওয়ায় বিএসএফআইসি চলতি মৌসুমে আখ চাষীদের ঋণ দিতে পারে নি। করপোরেশন মনে করছে, এতে আখ উৎপাদন কমতে পারে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে ।এ প্রসঙ্গে  শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার জানান, বাংলাদেশে এতগুলি সুগার মলের দরকার নেই।  চার-পাঁচটি  মিলের উৎপাদন দিয়েই দেশের চাহিদা পূরণ সম্ভব।

দেশের ১৮ লাখ মেট্রিক টন চাহিদার বিপরীতে সর্বশেষ মাড়াই মৌসুমে সরকারি মিলগুলোর মোট উৎপাদন মাত্র ৮২ হাজার টন চিনি। অপরদিকে,  কর্পোরেশনের ঘাড়ে ৭ হাজার ৯০০ কোটি টাকা ব্যাংকঋণের সঙ্গে, চেপে আছে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা আর আখ চাষিদের বকেয়া সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা।

চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন বলছে, গত পাঁচ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকলে ৩ হাজার ৯৭৬ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে সরকার। এ সময় কেজি প্রতি চিনি উৎপাদনে সর্বনিম্ন ১৯০ টাকা থেকে ২৩০ টাকা পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে। অথচ বাজারে তার সর্বোচ্চ দর ৭০ টাকা।#

 



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩০০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই