তারিখ : ২৪ জানুয়ারী ২০২১, রবিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

শ্রীপুরে পোষাক শ্রমিককে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

শ্রীপুরে পোষাক শ্রমিককে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন
[ভালুকা ডট কম : ০৯ জানুয়ারী]
গাজীপুরে শ্রীপুরে এক পোষাক শ্রমিককে মাদক বিক্রির প্রস্তাবে রাজি না হলে চুরির অপবাদ দিয়ে ঘরের ভিতরে আটকিয়ে হাত পা বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করার অভিযোগ ওঠেছে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। শরীরে বিভিন্ন অংশে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত পোষাক শ্রমিক সোহেল রানা উপজেলার মুলাইদ গ্রামের সাইজুদ্দিনের ছেলে।

বৃহস্প্রতিবার দুপুরে উপজেলার গোদারচালা গ্রামে ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর সরকারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলের  পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে শ্রীপুর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়। ওই দিন রাতে সোহেল রানা বাদী হয়ে ৪জনকে অভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলো, মুলাইদ গ্রামের হাফিজ উদ্দিনের ছেলে আকরাম তালুকদার, নুরু মিয়ার ছেলে মনির বেপারী, গোদারচালা গ্রামের ইকবাল সরকারের ছেলে ছাত্রলীগনেতা জাহাঙ্গীর সরকার, টেপিরবাড়ী গ্রামের রাকিব ও রুবেল।

সোহেল রানা ও থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্তরা মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। কয়েকজনের নামে মাদক চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কয়েকদিন আগে অভিযুক্ত আকরাম তালুকদার বিভিন্ন স্থানে ইয়াবা পৌঁছে দেয়ার জন্য সোহেল রানাকে প্রস্তাব দেয়। ওই প্রস্তাবে সোহেল রাজি না হওয়ায় অভিযুক্তরা সোহেলকে প্রাণনাশসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে মুলাইদ গ্রাম থেকে তাকে ডেকে নিয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর সরকারের ফ্ল্যাট বাসার একটি কক্ষে আটকিয়ে রড দিয়ে হাত-পা বেঁধে মারধর করে। এসময় সোহেলের পরিবারের কাছে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মুঠোফোনে ৩৫হাজার টাকা দাবি করে, টাকা নিয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীরের ঠিকানায় আসতে বলে। এসময় তাদের কথাবার্তা সন্দেহজনক হওয়ায় সোহেলের পরিবার ঘটনাটি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে জানায়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সোহেল রানাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনার পরে সোহেল থানায় অভিযোগ দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জাহাঙ্গীর সরকার তার লোকজন নিয়ে আবার তাদের উপর হামলা করে। এসময় তাদেরকে তেলিহাটি ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক শফিক সরকার বাঁধা দিলে তাকে  মারধর করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।

অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর সরকার অভিযোগ অস্বীকার করে মারধর, মোবাইল ফোন ও ডিবি পুলিশ পরিচয়ে টাকা দাবী সঠিক নয়, আমার কারখানা থেকে কিছু সুতা চুরি হয়েছিল সন্দেহজনক তাকে আটকে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান, পোষাক শ্রমিক সোহেল কে মারধররে বিষয়ে একটি পেয়েছি,তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অপরাধ জগত বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩০১ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই