তারিখ : ১৯ জানুয়ারী ২০২১, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

পত্নীতলায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পুকুর দখলের অভিযোগ

পত্নীতলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লিজ নেওয়া পুকুর দখলের অভিযোগ
[ভালুকা ডট কম : ১৪ জানুয়ারী]
নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলার নিরমইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ এর বিরুদ্ধে ব্যক্তি মালিকানা লিজ নেওয়া পুকুর দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।

তার (চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে সাপাহার উপজেলা সদরের চৌধুরীপাড়ার মৃত: জিল্লুর রহমান চৌধুরী'র ছেলে সদর ইউপির ১ নং ওয়ার্ড সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী অভিযোগ করেন তার লিজ নেয়া পুকুরে হঠাৎ করেই চেয়ারম্যান লোকজন নিয়ে গিয়ে পুকুরে খাবার দেয়া, মাছ ধরা এমনকি পুকুরের পানিতে নামতে নিষেধ করেন এবং অবৈধ্য ভাবে দখলের চেষ্টা করেন।তবে চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন এটি আমারা সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়েছিলাম তাদের আদেশ স্থগিত করায় আমরা আবারও দখলে যাচ্ছি। আর প্রশাসন বলছের পুকুরটি খাস দাবি করে আদালতে মামলা করেছেন সরকার পক্ষ। সেই মামলা চলনাম রয়েছে। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, জেলার পত্নীতলা উপজেলার নিরমইল ইউনিয়নের ফোকন্দা গ্রামে মিজানুর রহমান চৌধুরী নিজ নামিয় ও তার শরিক মালিদের কাছ থেকে প্রায় ৯একর একটি দিঘী (পুকুর) গত বছরের ৫মে তিন বছরের জন্য লিজ নিয়ে মাছ চাষ করে আসছেন। উক্ত লিজ নেয়া পুকুরটি দাতাদের নামে সিএস, এসএ এবং আরএস রেকর্ড প্রাপ্ত হইয়াছে এবং দাতাদের নামে নওগাঁ জেলা জজ আদালত এর ৩৪/১৯ অ: প্র: মোকাদামার রায় ও ডিগ্রি সূত্রে প্রাপ্ত। কিন্তু হঠাৎ গত গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পত্নীতলা উপজেলার নিরমইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ তার লোকজন নিয়ে গিয়ে পুকুরে খাবার দেয়া, মাছ ধরা এমন কি পুকুরের পানিতে নামা নিষেধ করেন। এ অবস্থায় তিনি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন যে কোন সময় তার পুকুরের মাছ লুট হতে পারে। আর তা হলে তিনি বড় ধরনের লোকশানে পরবেন। এমনকি পথে বসবেন। এছাড়া পুকুরের মাছ ধরে নিয়ে যাওয়া ও প্রাণে মেরে ফেলার বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করছেন। এমতাবস্থায় তিনি প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করেছেন।

চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ পুকুরে নামতে নিষেধ করার কথা স্বীকার করে জানান, পুকুরটি আমরা সরকারের কাছ থেকে তিন বছরের জন্য লিজ নিয়েছিলাম। মাঝখানে মিজানুর রহমান চৌধুরী ব্যক্তি মালিকানা দাবী করে আদালত থেকে একটি রায় বের করেন। আমরা সেই আয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুকুরটি তাকে ছেড়ে দেই। এখন ওই আদালতের রায়টির উপর উচ্চ আদালত স্থগিতাদেশ দিয়েছে। আর এর ভিত্তিতে আমরা পুকুরে তাকে নামতে নিষেধ করেছি। কারণ এখনো সরকারের কাছ থেকে আমাদের লিজ নেয়ার মেয়াদ রয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিটন সরকার জানান, পুকুরটি সরকারি খাস সম্পত্তি ছিলো। সে অনুযায়ী সরকারি বিধি মোতাবেক পুকুরটি লিজও দেয়া ছিলো। কিন্তু ব্যক্তি মালিকানা দাবি করে কিছু ব্যক্তি তাদের পক্ষে আদালতের রায় আনেন। সেই আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে ওই ব্যাক্তিদের পুকুরটি বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে এবং পুকুরটি সরকারি খাস সম্পত্তি দাবি করে সরকার পক্ষ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। সেই মামলা আদালতে চলমান রয়েছে। আদালত রায় উচ্চ আদালত স্থগিত করেছেন কিনা সে বিষয়ে এখনো কোন নথি পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার আশ্বাস দেন তিনি।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩০০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই