তারিখ : ১৫ জুন ২০২১, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

শ্রীপুরে এ.এন মডেল একাডেমি স্কুলে চলছে পাঠদান

শ্রীপুরে জৈনাবাজারে এ.এন মডেল একাডেমি স্কুলে চলছে পাঠদান
[ভালুকা ডট কম : ২৭ মে]
বাংলাদেশ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এ আক্রান্ত হওয়ায় গত ১৭ই মার্চ ২০ইং হইতে দফায় দফায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করছে সরকার। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ১২ জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় কিছু কিন্ডার গার্টেন নিয়মিত পাঠদান চলছে। তাদের কাছে নেই স্বাস্থ্য বিধির কোন বালাই। একই বেঞ্চে ৩ জন করে শিক্ষার্থী গাদাগাদি করে বসে ক্লাস করছে।

বৃহস্প্রতিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় উপজেলার জৈনা বাজারের আবদার গ্রামে এ.এন মডেল একাডেমি সকাল ৮ টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দ্বিতীয় শিফট করে নিয়মিত পাঠদান করাচ্ছেন ওই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ফাইজউদ্দিন। প্রথম শিফট সকাল ১০টা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় শিফট ১১ টা থেকে ৪টা পর্যন্ত চলে। নিজেকে তেলিহাটি ইউনিয়নের কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশন সভাপতি দাবী করে বলেন শিক্ষকদের বেতন স্কুলের ভাড়া করোনাকালীন সময়ে আমার স্কুল বন্ধ করে রাখলে তাদের বেতন দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয় বিধায় আমি স্কুল খোলা রেখেছি। তবে তার স্কুলে স্বাস্থ্যবিধির নেই কোন বালাই,ছাত্র/ছাত্রীরা মাস্ক পড়ার সুবিধা অসুবিধা সর্ম্পকেও কিছুই ধারনা নেই। এ.এন মডেল একাডেমি স্কুলটি প্লে-১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করেন। স্কুলে রয়েছে  ১শ ৮০জন ছাত্র/ছাত্রী। রয়েছে এগারোজন শিক্ষক। এই স্কুলের একজন অভিভাবক ইতিপূর্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ছিলেন।

সরকারি নিয়মনীতি ও স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে নিজেদের ইচ্ছেমত প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। এ ব্যাপারে এএন মডেল কিন্ডার গার্টেন  স্কুলের পরিচালক ফাইজউদ্দিন বলেন, কিন্ডার গার্টেন এসোসিয়েশনের নেতাদের সাথে আলোচনা করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছি। তবে তিনি কার সাথে আলোচনা করে প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন তা জানাননি। তার প্রতিটি ক্লাস পরিদর্শনে দেখা যায়, পাঠদানে শিক্ষার্থীদের মাঝে কোন মাস্ক ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। বিকেলে দিকে আবার কোচিং সেন্টার পরিচালনা করেন। কিছু সংখ্যাক শিক্ষক আবার প্রাইভেট পড়ান।

এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নুরুল আমিন বলেন, আমরা সরকারের বাহিরে নই। যদি কেহ সরকারি নিষেধাজ্ঞার পরেও প্রতিষ্ঠান চালায়, তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার কামরুল ইসলাম কিন্ডার গার্টেন স্কুলের ব্যাপারে বলেন, সরকার আগামী ১২ জুন  পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়ার পরেও যদি কেউ প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন, তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

শিক্ষাঙ্গন বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩১১ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই