তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

নওগাঁয় কঠোর বিধি নিষেধের ৪দিনে ৮শত ৩৫টি মামলা

নওগাঁয় কঠোর বিধি নিষেধের ৪দিনে ৮শত ৩৫টি মামলা, ২লক্ষাধিক টাকা জরিমানা আদায়
[ভালুকা ডট কম : ২৭ জুলাই]
নওগাঁয় কঠোর ভাবে চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ের কঠোর বিধি নিষেধ। ইতিমধ্যেই সীমান্তবর্তি জেলা নওগাঁর মানুষরা কঠোর বিধি নিসেধের সুফল পেতে শুরু করেছে। গত মে মাসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এই জেলাকে করোনা সংক্রমনের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ন হিসেবে চিহ্নিত করে।

গত জুন মাসে জেলা প্রশাসন নওগাঁ পৌরসভা ও সীমান্তবর্তি নিয়ামতপুর উপজেলাকে দুই দফায় লকডাউন ঘোষনা করেছিলো। এরপরে সারা দেশব্যাপী দ্বিতীয় দফার লকডাউনের আওতায় চলছে। তবে লকডাউনের সুফল পেতে শুরু করেছে জেলাবাসী। বর্তমানে দেশের অন্যান্য জেলায় করোনা ভাইরাস মহামারি আকার ধারন করলেও গত ১সপ্তাহে উল্লেখ্যযোগ হারে নওগাঁয় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুও সংখ্যা কমেছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে গত ২৪ঘন্টায় জেলায় ১৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে যার মধ্যে ১২জনের নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শতকরা শনাক্তের হার ৭.৩শতাংশ। করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে মঙ্গলবার (২৭জুলাই) পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৫হাজার ৭শত ৭৩জন, সুস্থ্য হয়েছেন ৫হাজার ১শত ৮জন আর মৃত্যু বরন করেছে ১১৬জন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে গত ২৩জুলাই থেকে শুরু হওয়া কঠোর বিধি নিষেধের ৪দিনে জেলায় ৮৮টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন অজুহাতে বাহিরে বের হওয়া সাধারন মানুষ ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান খোলাসহ বিভিন্ন অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত মামলা দিয়েছে ৮শত ৩৫টি। এই সব মামলায় ৯শত ১৫জন ব্যক্তিকে দন্ডিত করা হয়েছে আর ২লাখ ৮৩হাজার ৭শত৭০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পুরো জেলায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ৩৪টি ভ্রাম্যমাণ দল কাজ করছে। এছাড়াও কঠোর বিধি নিষেধ মানাতে মাঠে রয়েছে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিজি, গ্রাম পুলিশ, আনছার ভিডিপি ও স্কাউটের স্বেচ্ছাসেবকরা। জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের কঠোর নজরদারীর কারণে অন্যান্য স্থানের তুলনায় নওগাঁ জেলার প্রতিটি আনাচে-কানাচে কঠোর বিধি নিষেধ সফল ভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে নওগাঁর সচেতন মহল।

জেলা প্রশাসক মো: হারুন-অর-রশীদ বলেন সবার সার্বিক সহযোগিতায় নওগাঁয় কঠোর বিধিনিষেধ প্রায় শতভাগ সফল হচ্ছে। এই মহামারি থেকে নিজেসহ আশেপাশের এবং দেশের মানুষকে সুরক্ষা দিতে চলমান কঠোর বিধি নিষেধ যতটুকু সম্ভব আমাদের সবাইকে সফল করতে হবে। যদিও বা সমাজের বিভিন্ন পর্যায়ের নিম্ম ও মধ্য আয়ের মানুষদের অনেক কষ্ট হচ্ছে তবুও এই মহামারি থেকে বাঁচতে সবাইকে বিধি নিষেধকে সঠিক ভাবে মানতে হবে। কারণ আগে সুস্থ্য ভাবে বেঁচে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে আগে পরে অন্যান বিষয়।

তিনি আরো বলেন এই সংকটময় সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে নিম্ম আয়ের মানুষদের মাঝে বিভিন্ন অনুদান প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। সঠিক তথ্য দিয়ে যে কোন নিম্ম আয়ের বেকার হয়ে পড়া মানুষরা জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের নিকট থেকে সরকারি সহায়তা পেতে পারেন। সর্বোপরি এই মহামারি থেকে বাঁচতে সরকারের জারি করা কঠোর বিধি নিষেধগুলো সবাইকে সঠিক ভাবে মানতে, মাস্ক ব্যবহার করতে এবং প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে বের না হতে তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। #



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকার বাইরে বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩১৮ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই