তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২১, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় পেপে চাষে নাজমুলের সাফল্য

ভালুকায় পেপে চাষে নাজমুলের সাফল্য
[ভালুকা ডট কম : ১৮ সেপ্টেম্বর]
ভালুকার মল্লিকবাড়ী নয় নম্বর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে নাজমুল ইসলাম টপলেডি পেপের আবাদ করে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা পেয়েছেন। বাড়ী সংলগ্ন পৈত্রিক ২০ কাঠা জমিতে তিনি দুই বৎসর যাবৎ পেপে আবাদ করে লাখ লাখ টাকা মুনাফা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। গত বছর ওই জমিতে রেড লেডি ও টপ লেডি জাতের পেপের আবাদ করে ৯ লাখ টাকার মত পেপে বিক্রি করেছিলেন। খরচ বাদ দিয়ে তিনি সারে ৫ লাখ টাকার মত মুনাফা পেয়েছেন। এ বছর ওই জমিতে শুধু টপলেডি জাতের পেপে চাষ করেছেন। বর্তমানে পেপেগুলি পাঁকতে শুরু করায় বিক্রয়োপযোগি হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার নাজমুলের বাগানে গিয়ে দেখা যায় সারি সারি গাছে জরাজরি ঝুলে রয়েছে নয়ন জুরানো ছোট বড় সাইজের সবুজ রঙ্গের পেপে আর পেপে। পেপে চাষি নাজমুল ইসলাম জানান তিনি পৈত্রিক ২০ কাঠা জমিতে দুই বছর যাবৎ পেপের আবাদ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। এর আগে তিনি ব্যবসা করে লোকসানে পরেছিলেন। পেপে আবাদ করে বর্তমানে সংসারে সচ্ছলতা ফিরাতে পেরেছেন।

তিনি জানান জমি চাষ করে ফাল্গুন চৈত্র মাসে পেপের চারা লাগানো হয়। ২০ কাঠা জমিতে চারা রোপন, সার কীটনাশক, পানি সেচ ও পরিচর্যা বাবদ এ পর্যন্ত ৩ লাখ টাকার মত খরচ করেছেন। এ বছর পেপের বাজার মূল্য ভাল থাকায় গত বছরের চেয়ে বেশী মূল্যে বাগান বিক্রি করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।

তিনি জানান পেপে এমনই একটি ফসল যা সম্পুর্ণ ফরমালিন মুক্ত সবজি ও ঔষধি ফল হিসেবে সকলের কাছে সমাদৃত। কেননা পেপের মাঝে ফরমালিন দিলে পেপে পঁচে যায় এ জন্য এটি সম্পুর্ণ ফরমালিন মুক্ত খাবার হিসেবে বাজারে পাওয়া যায়। সবজি হিসাবে পেপের ঝুল তরকারি, ভাজি ভর্তা সকলের প্রিয় খাবার। আবার পাঁকা পেপে রোগীর পথ্য হিসাবে যেমন উপযোগি তেমনি মুখরোচক খাবার হিসেবে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। গত বছর নাজমুলের বাগান পরিচর্যা করতেন মফিজুল নামে এক যুবক এ বছর সে নিজেই একটি পেপে বাগান করেছেন। নাজমুল নাজান তার বাগানের ফলন দেখে বেশ কয়েকজন যুবক পেপে চাষে উদ্বুদ্ধ হয়ে তারা পেপের আবাদ করেছেন।

তিনি জানান একজন যুবক পেপের আবাদ করে সহজেই বেকারত্বের অভিশাপ হতে মুক্তি লাভ করতে পারে। নিজস্ব জমি না থাকলেও অন্যের জমি বর্গা নিয়ে অনায়াসে পেপে আবাদ করতে পারেন। লাভ জনক হওয়ায় ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে পেপে আবাদে চাষীরা আগ্রহী হচ্ছে। উপজেলার মল্লিকাড়ী, চানপুর, কাতলামারি, পাঁচগাও, নয়নপুর, আঙ্গারগাড়া, ডাকাতিয়া, সাতেঙ্গা, হবিরবাড়ী,কাচিনা, পাড়াগাও সহ বিভিন্ন এলাকায় পেপের আবাদ ভাল হয়েছে।

উপ সহকারী উদ্বিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা এনামুল হক জানান এ বছর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ২৮০ হেক্টর জমিতে পেপের আবাদ হয়েছে। যে সকল চাষীরা টপলেডি জাতের পেপে চাষ করেছেন তাদের ফলন খুবই ভল হয়েছে।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩২৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই