তারিখ : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাণীনগরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পুষ্টি বাগান

রাণীনগরে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পতিত জমিতে পারিবারিক পুষ্টি বাগান
[ভালুকা ডট কম : ০৯ নভেম্বর]
নওগাঁর রাণীনগরে পারিবারিক পুষ্টি বাগানের সুফল পাচ্ছে কৃষকরা। করোনাকালীন সময়ে সবজি উৎপাদনে কোনো প্রভাব না পড়ে সেই লক্ষ্যে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রতি ইঞ্চি জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পুকুরপাড়, বসতবাড়ির আঙ্গিনাসহ পতিত জমিতে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় পুষ্টি বাগান স্থাপন করেছে কৃষকরা। শুধু পুষ্টি নয়, প্রত্যন্ত এলাকার কৃষকের সংসারে অর্থও জোগান দিচ্ছে এ বাগান।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২০২১ অর্থবছরের ‘অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় উপজেলায় ২০টি প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে। প্রতিজন প্রদর্শনী কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে ১০কেজি ইউরিয়া, টিএসপি, পাঁচ কেজি এমওপিসার, ২০কেজি জৈব্য সার ও আড়াই কেজি বেড়ার নেট, একটি পানির ঝাঁঝরি এবং দুটি বীজপাত্রসহ ১৬ধরনের সবজি বীজ সরবরাহ করেছে কৃষি বিভাগ। ৩০জন কৃষককে দেওয়া হয়েছে দু’দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ। এসব বাগানে উৎপাদিত নানা রকমের বিষমুক্ত সবজি কৃষকরা নিজেদের প্রয়োজন মিটিয়ে বাজারজাত করে বাড়তি অর্থ আয় করছেন। পরিচর্যা ও পরামর্শের বিষয়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছে কৃষি কর্মকর্তারা। পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে এক হাজার প্রদর্শনী স্থাপন করবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

প্রকল্পের সুবিধাভোগী খট্টেশ্বর গ্রামের খিতেস চন্দ্র রায়, বাবলুর রহমানসহ অনেক কৃষক বলেন, বসতবাড়ির পাশের জমি দীর্ঘদিন পতিত ছিলো। কৃষি বিভাগ তাদের পুষ্টি বাগান স্থাপনের নতুন স্বপ্ন দেখায়। আমরা আমাদের উঠানের সবজি বাগান থেকে বিষমুক্ত সবজি দিয়ে নিজেদের ও আশেপাশের মানুষের চাহিদা পূরন করে অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে আর্থিক ভাবে লাভবান হতে পারছি। আর বাজারে পুষ্টি বাগানে উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের দেখাদেখি অনেকেই এই বাগান তৈরি করতে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক আমরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার উৎসাহী কৃষককে এই বাগান সৃজন করতে উদ্বুদ্ধ করে আসছি। কিন্তু বর্তমানে কৃষক ও কৃষাণীদের মাঝে এই পারিবারিক পুষ্টি বাগান ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তাই ক্রমেই পারিবারিক পুষ্টি বাগান জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আগামীতে উপজেলার প্রতিটি বাড়িতে পুষ্টি বাগান স্থাপনের লক্ষে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

কৃষি/শিল্প বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩২৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই