তারিখ : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় স্বাক্ষর জাল করে কোটি টাকা মূল্যের জমি রেজিস্ট্রী

ভালুকায় ভাইয়ের স্বাক্ষর জাল করে কোটি টাকা মূল্যের জমি রেজিস্ট্রী করে দিলেন মাদ্রাসা শিক্ষক
[ভালুকা ডট কম : ১৫ নভেম্বর]
ভালুকায় বড়ভাইয়ের স্বাক্ষর জাল করে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের জমি রেজিস্ট্রী করে দেওয়া অভিযোগ উঠেছে এক মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় জমির মালিকা আব্দুল কাদির বাদি হয়ে দলিল বাতিল দাবি ও প্রতারণার অভিযোগে আদালতে দু’টি মামলা করেছেন।

মামলা সূত্রে জানাযায়, ভালুকা উপজেলার আঙ্গারগাড়া গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেলে আব্দুুল কাদের প্রায় ২৭বছর আগে একই উপজেলার সিডস্টোর এলাকার হেকমত আলীর মেয়ে রেহেনা আক্তারকে পারিবারিক ভাবে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তাদের ঘরে রাতুল হাসান (হৃদয়) ও তাসফিয়া নূর ঐশি নামে দুই সন্তান জন্ম নেয়। সংসার জীবনে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করার সময় আব্দুল কাদের ঢাকায় থাকতেন। সেই সুবাধে দেবর মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুল ওয়াদুদের (কাদেরের সহোদর ছোট ভাই) সাথে ভাবি রেহেনা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এদিকে,গত ২০১১সালের ২৫আগস্ট রেহানা আক্তার স্বামী আবদুল কাদেরকে তালাক দিয়ে বিয়ে করেন দেবর আব্দুল ওয়াদুদকে। ওয়াদুদ উপজেলা জামিরদিয়া দাখিল মাদাসার সহাকারী শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন।

মামলার বাদি আবদুল কাদের জানান, চাকরি জীবনে ১৯৯৮সালে তিনি উপজেলার সিডস্টোর এলাকার আবুল কাশেম ঢালীর কাছ থেকে হবিরবাড়ি মৌজার ১৭০নম্বর দাগের ১৪শতাংশ জমি সাফকবলা মূলে ক্রয় করেন। অদ্যাবধি ওই জমি তার ভোগদখলে রয়েছে এবং বর্তমান বিআরএস রেকর্ডও তার নামে হয়েছে। সম্প্রতি, ওই জমি থেকে তিনি ৪শতাংশ জমি বিক্রি করেন। জমি বিক্রির ঘটনাটি জানতে পেরে তার সাবেক স্ত্রী রেহেনা আক্তার ও রেহানা আক্তারের বর্তমান স্বামী আব্দুুল ওয়াদুদ তাঁকে(কাদের) বিভিন্ন ধরণের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। হুমকির বিষয়ে আব্দুল কাদের ভালুকা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে, আব্দুল কাদের জানতে পারেন, ছোটভাই আব্দুল ওয়াদুদ বড়ভাই সেজে (আবদুল কাদের) নিজের ছবি ব্যবহার ও স্বাক্ষর জাল করে ২০১৩সালের ১৩মে  ওই ১৪ শতাংশ জমি মো. রাতুল হাসান (হৃদয়) ও মোছা. তাসফিয়া নূর ঐশির নামে হেবা দলিল করে দিয়েছেন (দলিল নং ৪৩৭৯)।

ওই ঘটনায় আব্দুল কাদের তাঁর ছোটভাই আব্দুল ওয়াদুদ (৪৫), সাবেক স্ত্রী রেহেনা আক্তার (৪২), দলিল লেখক এসএম ফারুক আহমেদ (সনদ নম্বর-৬২৪২), জাকির হোসেন (৪৫), রফিকুল ইসলাম (৩৮) ও খোরশেদ আলমকে(৪০) আসামি করে ময়মনসিংহ বিজ্ঞ সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটের ৮নম্বর আমলি আদালতে ৪৬৭/৪৬৮/৪১৯ ও ১০৯ ধারায় একটি মামলা করেছেন( মামলা নম্বর-৫৮১/২১)। পাশাপশি, ওই জাল দলিল বাতিলের জন্য তিনি ভালুকা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে আরও একটি মামলা করেন (মামলা নম্বর-৬১৪/২১)।

আব্দুল কাদের ও আব্দুল ওয়াদুদের মামা প্রধান শিক্ষক (অবঃ) নজরুল ইসলাম জানান, হেবা দলিলে যে ছবি ব্যবহার করা হয়েছে তা তার ছোট ভাগ্নে আবদুল ওয়াদুদের।এ বিষয়ে মোবাইলে কথা হলে অভিযুক্ত আবদুল ওয়াদুদ জানান, তার বিরুদ্ধে ভূয়া অভিযোগ আনা হয়েছে। বিষয়টির সাথে তিনি কোন ভাবেই জড়িত না।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৩২৬ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই