তারিখ : ২২ জানুয়ারী ২০২২, শনিবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় দুর্নীতির অভিযোগে সুপারকে সাময়িক বরখাস্ত

ভালুকায় দুর্নীতির অর্থ আত্নসাতের অভিযোগে মাদরাসা সুপারকে সাময়িক বরখাস্ত
[ভালুকা ডট কম : ২৮ নভেম্বর]
ভালুকা উপজেলার কাতলামারী ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসার সুপারকে অর্থ আত্নসাৎ. দুর্নীতির,স্বেচ্ছাচারিতা ও অনিয়মের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মাদরাসার সহকারী মৌলভী মো. শাহজাহানকে ভারপ্রাপ্ত সুপার হিসাবে নিয়োগ দিয়ে হয়।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কাতলামারী ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতার সন্তান স্থানীয় ইউপি মেম্বার আবুল কাশেম ফকির ওই মাদরাসার সুপার মাওলনার মোফাজ্জল হকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

তার ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয় সুপার মাদরাসায় আয়া ও নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ দিয়ে ১৮লাখ ও মাদরাসার বিভিন্ন আয় থেকে ২০লাখ টাকা অত্মসাত করেছেন।  অভিযোগের প্রেক্ষিতে এদিকে, মাদরাসার সভাপতি গত ৪নভেম্বর মাদরাসার অন্যান্য শিক্ষক-কর্মীচারীদের উপস্থিতিতে মাদরাসা সুপারকে ৬নভেম্বর তারিখে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির জরুরী সভা আহবানের নির্দেশ দেন। কিন্ত সুপার মোফাজ্জল হক সভাপতির ওই নির্দেশ অমান্য করেন।

রোববার(২৮নভেম্বর) সরেজমিনে মাদরাসায় গেলে কয়েকজন শিক্ষকসহ অন্যান্যরা জানান, মাদরাসার নিরাপত্তাকর্মী ও আয়া পদে একই পরিবারে দুই সদস্যকে (ভাসুর ও ছোটভাইয়ের স্ত্রী) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।পরে কথা হলে অন্যান্য শিক্ষকগণের উপস্থিতিতে মাদরাসার সামাজিক বিজ্ঞান শিক্ষক কামাল হোসেন কামাল জানান,প্রতি বছরই শিক্ষকদের টিউশন ফি উত্তোলন করা হয়। মাদরাসা সুপার ওই ফি উত্তোলন করেন এবং বিভিন্ন খরচের কথা বলে তিনি নিয়ে যান। কোনো শিক্ষককেই টিউশন ফি’র টাকা দেওয়া হয় না।

নিরাপত্তা কর্মী পদে নিয়োগ আলী আকবর জানান, টাকা লেনা দেনার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। বিষয়টি তার বাবা জানেন। তবে, কিছু টাকা দেওয়া হয়েছে বলে বাবার মুখে শোনেছেন। আয়া পদে নিয়োগপ্রাপ্ত মোছা. মাকছুদা আক্তার জানান, আলী আকবর তার ভাসুর। তার নিয়োগে টাকা দেওয়ার বিষয়ে তার বাবা এবং শশুর জানেন।

মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মজনু জানান, মাদরাসার সুপার মোফাজ্জল হক নিয়োগ পাওয়ার পর কখনই মাদরাসার আয় ব্যয়ের হিসাব দেন নি। হিসাব চাইলে বিভিন্ন তালবাহানা করে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তাছাড়া,তার(সভাপতি)স্বাক্ষর ছাড়াই মাদরাসার সুপার সোনালী ব্যংক থেকে মাদরাসায় জেনারেল ফান্ডের টাকা তুলে নিয়েছেন। তাঁকে প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশ এবং ওই নোটিশের জবাব না দেওয়ায় তাঁকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়ছে।

মোবাইল ফোনে কথা হলে সুপার মো. মোফাজ্জল হক জানান, তিনি কারণ দর্শানোর কোনো নোটিশ বা সাময়িক বরখাস্তের চিঠি পাননি। তবে, বিষয়টি লোকমুখে শোনেছেন।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ১৭৮৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই