তারিখ : ১৫ আগস্ট ২০২২, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

শ্রীপুরে ধর্ষণের শিকার গার্মেন্টস শ্রমিক

শ্রীপুরে ধর্ষণের শিকার গার্মেন্টস শ্রমিক,ঘটনা জানাজানি হওয়ার ভয়ে হত্যা করলো ধর্ষকরা
[ভালুকা ডট কম : ০৮ জানুয়ারী]
রাশিদা বেগম (৪৫) শ্রীপুর পৌর এলাকার মাধখলা গ্রামে স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করে স্থানীয় ইসরাক স্পিনিং মিলে চাকুরী করতেন। রিক্সাচালক স্বামী শহিদুল ও রাশিদার সামান্য আয়ে কোনমতে চলতো তাদের সংসার। দুই ছেলে নিয়ে রাশিদা-শহিদুল দম্পত্তির ছিল সুখের সংসার। গত (সোমবার) ৩ জানুয়ারি বাড়ি অদূরে দক্ষিণ ভাংনাহাটি এলাকার তালুকদারের ভিটা থেকে পাতায় ঢাকা রাশিদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

মরদেহ উদ্ধারের পর হত্যার রহস্য উদঘাটনে শ্রীপুর থানা পুলিশের টিম। ঘটনার দুই দিনের মধ্যে এহত্যার সাথে জড়ি থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করে।গ্রেফতার ওমর ফারুক (২০) উপজেলার লোহাগাছ বিন্দুবাড়ি গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে ও অপরজন রাব্বি (১৯) একই এলাকার মোঃ হাসমত এর ছেলে। নিহত রাশিদা (৪৫) শ্রীপুর পৌর এলাকার মাধখলা গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী। এর মধ্যে ওমর ফারুক হত্যার দায় স্বীকার আদালতে ১৬৪ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। অভিযুক্ত ওমর ফারুক ও নিহত রাশিদা বেগম পূর্বপরিচিত।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আমজাদ শেখ জানান, রাশিদা বেগম বাড়ির পাশে ইসরাক স্পিনিং মিলস্ লিমিটেড কারখানায় চাকুরি করতেন। গত শনিবার (০২জানুয়ারি) বাড়ির অদূরে দক্ষিণ ভাংনাহাটি এলাকার তালুকদারের ভিটা নামের গজারীবনের লাকড়ি কুড়াতে যায়। সেখানে অভিযুক্ত ওমর ফারুক গরুর জন্য ঘাস ও রাব্বি গরু চড়াচ্ছিল। এর মধ্যে অভিযুক্তরা রাশিদাকে একা পেয়ে তার সাথে শারিরিক সম্পর্ক করার উদ্দেশ্যে পেছনে থেকে জাপটে ধরে। এসময় রাশিদা চিৎকার দিলে তার গলায় থাকা ওড়না দিয়ে তার মুখ বেঁধে জোর পূর্বক ফারুক ও রাব্বি ধর্ষণ করে। এদিকে রাশিদা ও ফারুক একই কারখানার চাকুরি সুবাদে ঘটনাটি প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে ফারুক ও রাব্বি গলায় চাপ দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ জঙ্গলে ফেলে দেয়। স্থানীয়রা পরদিন জঙ্গলে লাকড়ি কুড়াতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

মামলার তদন্তকারী এসআই আমজাদ আরও জানান, হত্যার পর রাশিদা স্বর্ণের নাক ফুল ও গলায় থাকা রূপার চেইন ওমর ফারুক স্থানীয় সাঈদ নামের এক ব্যক্তি কাছে বিক্রির জন্য যায়। পরে সাইদের দেয়া তথ্যেমতে ওমর ফারুককে গ্রেফতার করে পুলিশী হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তার দেয়া তথ্যমতে বোনের বাড়ি জামালপুর থেকে নাকফুল ও রূপার চেন উদ্ধার করা হয়।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, হত্যার দায় স্বীকার করে ওমর ফারুক আদালতে ১৬৪ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অপরাধ জগত বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫১৩১ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই