তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২২, সোমবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

শ্রীপুরে সেচ কাজে বাঁধা দেয়ায় কৃষকের আত্মহত্যার হুমকি

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ
শ্রীপুরে সেচ কাজে বাঁধা দেয়ায় কৃষকের আত্মহত্যার হুমকি
[ভালুকা ডট কম : ০২ এপ্রিল]
গাজীপুরের শ্রীপুরে কৃষকের বোরো ধানক্ষেতে সেচ কাজে বাঁধা দেয়ার প্রতিবাদে গতকাল শনিবার দুপুরে শ্রীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে কৃষক আত্নহত্যার হুমকি দিয়েছে। গত এক মাস ধরে আড়াই বিঘার জমিতে সেচ দিয়ে পানি না দিতে পেরে জমি ফেঁটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। আর কিছু দিন পার হলে একেবারে জমির বোরো ধানের চারা নষ্ট হয়ে যাবে। ক্ষতিগ্রস্ত হবে কৃষক। পানি দিতে না পেরে আত্মহত্যার হুমকি দিয়েছেন ওই কৃষক।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের কপাটিপাড়া গ্রামে। ভুক্তভোগী কৃষক ওই গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে আলামিন। তিনি থানাসহ ইউনিয়ন পরিষদে একাধিকবার লিখিত অভিযোগ দিয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অভিযুক্তরা হলো একই এলাকার খলিলুর রহমান. আব্দুস সাত্তার, ইসরাফিল হোসেন, তাজউদ্দীন আহমেদ ,নাঈম হোসেন,সোহেল মিয়া, নাজমুল ইসলাম ও সরাফত আলী।

কৃষক আলামিন লিখিত বক্তব্যে বলেন, আব্দুল সাত্তার এর নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবত তার সাথে নানা বিষয় নিয়ে অহেতুক শত্রুতা পোষণ করে আসছে। আমরা পৈত্রিকসূত্রে মালিক হয়ে দার্ঘ ৫০ বছরের অধিক সময় ধরে জমি ভোগ দখল করে চাষাবাধ করে আসছি। হঠাৎ করে আমার প্রতিপক্ষের লোকজন জালজালিয়াতি করে জমিটি তাদের বলে দাবী করছে। এমনকি আব্দুস সাত্তার আমার কাছে চাঁদা দাবী করছে। টাকা না দিলে আমার জমিতে সেচ দিতে দিবে না বলে অনবরত হুমকি দিচ্ছে। আড়াই বিঘা জমির বোরো ধান পানি না দেয়ায় রোদে শুকিয়ে মাটি ফেটে যাচ্ছে। পানির অভাবে মরে যাচ্ছে ক্ষেতের ফসল।

তিনি আরো জানান, তাদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করে ও কোন প্রতিকার পায়নি। আমি অনেক টাকা ঋণ করে ধান চাষ করেছি। ক্ষেতের ধান নষ্ট হয়ে গেলে পরিবার  পরিজন নিয়ে না খেয়ে জীবন কাটাতে হবে। ক্ষেতের ধান নষ্ট হলে তার আত্মহত্যা ছাড়া আর কোন উপায় থাকবেনা।

অভিযুক্ত আব্দুস সাত্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি চাঁদার বিষয়টি সঠিক নয় বলে জানান। আড়াই বিঘা নয় মাত্র ১৩ গন্ঠা জমি নিয়ে বিরোধ। জমিটি তারা বৈধ মালিক বলে দাবী করেন। মাওনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম খোকন বলেন, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে। বোরোধান ওঠার পর বিষয়টি নিষ্পত্তি করার কথা ছিল। কিন্তু তারা আমার কথা রাখেনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এসএম মুয়ীদুল হাসান জানান, বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি খোঁজ নিয়ে কৃষকের সেচ চালুর ব্যবস্থা করা হবে। শ্রীপুর থানার অফির্সাস ইনর্চাজ (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান,অভিযোগের বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।#






সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

মিডিয়া বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৩৪৩০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই