তারিখ : ৩০ নভেম্বর ২০২২, বুধবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় চোখ ওঠার প্রাদুর্ভাব

ভালুকায় চোখ ওঠার প্রাদুর্ভাব,জীবানুনাশক ড্রপ ও কালো চশমার চাহিদা বেড়েছে
[ভালুকা ডট কম : ০১ অক্টোবর]
গত এক সপ্তাহ যাবৎ ভালুকা পৌর এলাকা সহ উপজেলার সর্বত্র কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় জীবানুনাশক ড্রপ ও কালো চশমার চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। চোখের যন্ত্রনা নিরসনের লক্ষে ড্রপ ক্রয়ের হিড়িক পরে যাওয়ায় ঔষদের দোকান গুলিতে জীবানুনাশক চোখের ড্রপ পাওয়া যাচ্ছেনা বলে অনেকে জানিয়েছেন।

চোখ ওঠায় আক্রান্ত রোগীরা প্রতিদিনই চিকিৎসা নিতে ভীড় করছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ঔষদের দোকান গুলিতে। ঔষধ ব্যবসায়ীরা জানায় চোখের ড্রপ খুব বেশী চাহিদা না থাকায় দোকানে তেমন একটা থাকেনা। কিন্তু হটাৎ করে চোখ ওঠা দেখা দেয়ায় জীবানু নাশক ড্রপ যেমন অপটাফেনিকল, মক্সিডেক্স, সিপ্রোফ্লাক্সিলিন, এফনিকল ইত্যাদি ড্রপ চাহিদা বেড়েছে।

সম্প্রতি ছোট বড় সকলে চোখ ওঠায় আক্রান্ত হওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেমন ছাত্র ছাত্রীদের লেখা পড়ার ব্যঘাত ঘটছে তেমনি দৈনন্দিন কাজ কর্মেও মানুষের নানা সমস্যায় পরতে হচ্ছে। খোজ নিয়ে দেখা গেছে কোন পরিবারের একজন সদস্য আক্রান্ত হলে পর্যায়ক্রমে ওই পরিবারের সকলেই এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। অনেকটা ছোঁয়াচে রোগের মত দ্রুত বিস্তার লাভ করতে থাকে একজন থেকে অন্যজনে। চোখ উঠার উপসর্গ খুবই অস্বস্থিকর ও যন্ত্রনাদায়ক। পূর্ব লক্ষণ হিসেবে চোখ লালবর্ণ হয়ে ঘচ ঘচ করে ছোখে খুচা অনুভূত হয়। এ সময় অনেকে যন্ত্রনায় খালি হাতেই চোখে ডলতে থাকেন যা চোখের জন্য ক্ষতির কারন হতে পারে।  এক সময় চোখ দিয়ে অনবরত পানি ঝড়া ও চুলকানি আক্রান্ত ব্যাক্তিকে অস্থির করে তোলে। চোখ ওঠা আবন্থায় রাতে সহজে ঘুম হয়না। দেরিতে ঘুম হলেও সকালে চোখ ফুলে ময়লায় বন্ধ হয়ে থাকে। হালকা ও নরম সুতি কাপড় বিশুদ্ধ পানিতে ভিজিয়ে চোখের ময়লা গ্রাম্য ভাষায় যাকে বলা হয় কেতুর পরিষ্কার করে চোখ মেলাতে হয়।

অনেকে জানান ২০ বছরের মধ্যে চোখ ওঠার এমন ব্যাপকতা দেখেননি। আগের দিনে চোখ ওঠলে পরিষ্কার নরম সুতি কাপড়ে কাঁচা হলুদ মেখে হাতে বেধে কিংবা কানের কাছে রেখে দিতেন যাতে ইনফেকশন না হয়। গ্রামে ঝাড়ফুক ছাড়া তেমন কোন চিকিৎসা ছিলনা।  এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তিন থেকে পাঁচদিন সময়ের মধ্যে আরোগ্য লাভ করা যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ হানানুল হোসাইন জানান কনজাংটিভাইটিস বা চোখ ওঠা ভাইরাস জনিত রোগীর সংখা বাড়ছে তবে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই, ডাক্তারের পরামর্শে চোখে ড্রপ ব্যবহার ও পরিষ্কার কাপড়ে চোখ মুছা কালো চশমা ব্যবহার করলেই এর থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।#

 



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৫৩৫ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই