তারিখ : ২১ জুন ২০২৪, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

খাজনা খারিজের নামে গলাকাঁটা ফি আদায়

নওগাঁর বলিহার-হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিস
খাজনা খারিজের নামে গলাকাঁটা ফি আদায়
[ভালুকা ডট কম : ১০ এপ্রিল]
নওগাঁ সদর উপজেলার বলিহার গ্রামের আব্দুল মজিদ মন্ডলের বাড়ি, ভিটা, ধানী জমিসহ মোট ১৪দশমিক ৫শতাংশ জমির খাজনা বাবদ সরকারি ভূমি উন্নয়ন কর ও সুদ মিলে রশিদ দেওয়া হয়েছে ১১৮৯টাকা। সেখানে তার কাছে থেকে আদায় করা হয়েছে ১হাজার ৮০০টাকা এবং খারিজ বাবদ তিনি দিয়েছেন ২হাজার ৯০০টাকা। এভাবেই একের পর এক সেবাপ্রত্যাশিরা অভিযোগ তুলেছেন বলিহার-হাঁসাইগাড়ি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের (তহসিলদার) সহকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। সরেজমিনে গিয়ে এসব অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে। ভুমি অফিসে দেখা মিলছে খাজনা খারিজের নামে সাধারণ সেবা প্রত্যাশিদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে গলাকাঁটা ফি।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে বেরিয়ে আসছেন আ: মজিদ মন্ডল। এসময় তিনি বলেন, খাজনা দিলাম। কতটুকু জমির খাজনা ও কতটাকা পরিশোধ করলেন এমন প্রশ্ন করা হলে মজিদ বলেন, আমি গরীব মানুষ। আমার যে ভিটা বসত বাড়ির আছে তার খাজনা দিতে এসেছিলাম। বাড়ি ৮শতক, ভিটা ১.৪শতক এবং কৃষি জমি ৫শতক এই মিলে মোট সাড়ে ১৪শকত জমির খাজনা দিতে এসেছিলাম বকেয়াসহ ১৮০০টাকা নিয়েছে। কিন্তু আপনার চেকে তো ১হাজার ১৮৯টাকা লিখা তাহলে অতিরিক্ত টাকা দিলেন কেন জবাবে তিনি জানান। বেশি টাকা না দিলে তো তারা কাজ করে দিবে না। সরকারি ফি’র চেয়ে বেশি টাকা নেওয়াই হল এদের কাজ এছাড়া তো এরা কলম ধরবে না। এর আগে ৫শতক জমি খারিজ করতে লেগেছে ২হাজার ৯০০টাকা।

একই ইউনিয়নের নাম প্রকাশ না করা শর্তে পয়না গ্রামের এক ব্যক্তি জানান, কিছুদিন আগে জমির খাজনা খারিজ করেছি। এখন নিজ নামে হোল্ডিং করতে এসেছিলাম এরা ২হাজার টাকা দাবী করে। যেখানে হোল্ডিং করতে কোন টাকাই খরচ হয় না। কিন্তু টাকা না দিলে কাজও হবে না। পরে তহসিলদারকে অনুরোধ করে ২০০টাকা কম রাখছে ১৮০০টাকা দিয়ে আসলাম। আপনারা যদি আমার নাম প্রকাশ করেন তাহলে আমার কাজটা আটকে দিবে আর করে দিবে না। অনুগ্রহ করে আমার নামটা প্রকাশ করবেন না।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মশিউর রহমান বলেন, আমি কারো থেকে অতিরিক্ত কোন টাকা নেইনি। চেকে যেটা লেখা আছে সেটাই নিয়েছি। ভূমি অফিসে অনেক ধরনের লোক আসে অনেক কথাবার্তা বলে থাকে আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা কথা বলা হয়েছে।

নওগাঁ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষটি আমার জানা নেই। যদি এমনটা হয়ে থাকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।#



সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অন্যান্য বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৯৩৯০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই