তারিখ : ১৪ জুন ২০২৪, শুক্রবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

কালিয়াকৈরে ভেঙ্গে ফেলেছে যুবকের হাত পা

কালিয়াকৈরে মাছ চুরির দাঁয়ে ভেঙ্গে ফেলেছে যুবকের হাত পা
[ভালুকা ডট কম : ২৩ মে]                  
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাছ চুরির অভিযোগ এনে জাকির হোসেন নামের এক যুবককে ধরে নিয়ে রাতভর আটকিয়ে রেখে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে হাত-পা। জখম করা হয়েছে শরীরের বিভিন্ন স্থানে।  পরের  দিন সকালে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে মুমুর্ষ অবস্থায়  হাসপাতালে নিয়ে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে বলে ভর্তি করা হয়। অমানবিক এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের নয়াপাড়া এলাকায়।আহত জাকির হোসেন কালিয়াকৈরের নয়াপাড়া এলাকার মৃত বিল্লাল হোসেনের ছেলে। সে এলাকায় অটোরিক্সা চালিয়ে জিবিকা নির্বাহ করে।

আহতের পরিবার সুত্রে জানা যায়, কালিয়াকৈরের নয়াপাড়া এলাকার জহির হোসেনের মাছের খামারে গত কয়েকদিন আগে মাছ চুরির ঘটনা ঘটে। পরে ওই এলাকার জাকির হোসেনকে চুরির ঘটনায় সন্দেহে করে খামারের মালিক জহির হোসেন। গত রবিবার রাত ৮টার দিকে নয়াপাড়া এলাকার রাস্তার পাশ থেকে জাকিরকে ধরে নিয়ে যায় খামারের মালিক জহির। পরে তাকে খামারের অফিস কক্ষে নিয়ে রশি দিয়ে বেধে রেখে লোহার রড দিয়ে রাতভর কয়েক দফায় মারধর করে। তার পিটুনিতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে জাকির। পরের দিন রবিবার সকালে জাকিরের অব¯’া খারাপ হলে পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে মৌচাক পপুলার হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করে জহিরের লোকজন দিয়ে পাহারা দিয়ে রাখে। এসময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এমন অবস্থায কথা জানতে চাইলে বলা হয় সড়ক দুর্ঘটনায় সে আহত হয়েছে। এদিকে রাতভর এবং দিনভর জাকিরের কোন সন্ধান পায়নি তার পরিবার। গত সোমবার রাত ৯টার দিকে জাকিরের পরিবারের লোকজন জানতে পারে জাকির মৌচাক পপুলার হসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তার পা এবং হাত ভেঙ্গে গেছে। খবর পেয়ে জাকিরের পরিবার হাসপাতালে ছুটে আসে।

জাকিরের ছোট ভাই কবির হোসেন বলেন, মাছ চুরির অভিযোগ এনে আমার ভাইকে জহিরের খামারে নিয়ে গিয়ে বেধম মারপিট করা হয়। তার হাত-পা ভেঙ্গে ফেলা হয়। জখম করা হয় শরীরের  বিভিন্ন ¯’ান। পরে আমাদের কিছু না জানিয়ে তাদের লোকজনদের দিয়ে হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয় এবং এখানে বলা হয়েছে রোড এক্সিডেন্টে এমন হয়েছে। চুরি যদি করে থাকে তাহলে তার জন্য আইন আছে। তাই বলে তাকে ধরে নিয়ে এমন অব¯’া করবে।

অভিযুক্ত জহির হোসেন বলেন,আমার খামারের মাছ  চুরি করেছে তাই তার বিচার করা হয়েছে। চুরি করলে তার বিচার করব না। পুলিশের উপর ভরসা নাই।পুলিশ টাকা খেয়ে আসামী ছেড়ে দেয়।
স্থানীয়  বোয়ালী ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও অভিযুক্ত জহিরের চাচা আলাল উদ্দিন বলেন, এভাবে মারা ঠিক হয়নি। বিষয়টি অমানবিক হয়েছে। যতি চুরি করে থাকে আইনের হাতে তুলে দিতে পারতো।
কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) অকবর আলী বলেন, এঘটনায় এখনো কোন অভিযোগ পাইয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।#




সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

অপরাধ জগত বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৯৩৯০ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই