তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

রাণীনগরে ৪১টি পূজা মন্ডপে দূর্গোৎসবের প্রস্তুতি চলছে

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসব দূর্গা পূজা
রাণীনগরে ৪১টি পূজা মন্ডপে দূর্গোৎসবের প্রস্তুতি চলছে
[ভালুকা ডট কম : ১৫ সেপ্টেম্বর]
নওগাঁর রাণীনগরে সম্প্রতি বয়ে যাওয়া স্মরণ কালের বন্যার পানি মাঠ-ঘাঠ থেকে শুকানোর আগেই উপজেলার ৪১টি পূজা মন্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা অনুষ্ঠানের জোর প্রস্তুতি চলছে।পূজা মন্ডপগুলোতে কে কত সুন্দর ভাবে প্রতিমা তৈরি করতে পারে তার জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা শিল্পিরা। ইতিমধ্যে কিছু কিছু পূজা মন্দিরে প্রতিমার অবকাঠামোগত মাটির কাজ শেষ পর্যায়ে। তবে এই প্রতিমাগুলোতে রং এর কাজ করা হবে পূজার কিছুদিন পূর্বে।

সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, রাণীনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে পূজা মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১৯ সেপ্টেম্বর শুভ মহালয়া অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দূর্গা পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এ বছর দেবী দূর্গা নৌকায় আগমন এবং ঘোড়ায় চড়ে গমন করবেন বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে দূর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ২৯ সেপ্টেম্বর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে ৫ দিনব্যাপী এ উৎসব শেষ হবে। এবছর উপজেলার মন্দিরগুলোতে প্রতিমার মন্ডপ তৈরী করছেন পুজা আয়োজকরা। উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে কাশিপুর ইউনিয়নে সব চেয়ে বেশি মন্ডবে পূজা উদযাপিত হয়। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর পূজামন্ডপগুলোকে একটু বিশেষ ভাবে সাজানো হচ্ছে।

প্রতিমা তৈরির কারিগর শ্রী কালীপদ সেন, শ্রী হরে কৃষ্ণ সহ অনেকেই জানান, সম্প্রতি রাণীনগরে ভয়াবহ বন্যার কারণে প্রতিমা তৈরির কারিগররা একটু লোকসানের মুখে পড়েছেন। তবু ব্যবসা ধরে রাখতে তারা অল্প লাভেই তৈরি করছেন প্রতিমা। বর্তমানে তাদের ধম ফেলার ফুরসত নেই। এখন মন্ডবে মন্ডবে চলছে প্রতিমাতে মাটি দিয়ে অবকাঠমো তৈরির কাজ। অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলে পূজার সপ্তাহ খানেক আগে মাকে সাজানোর কাজ চলবে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাণীনগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী নিরঞ্জন সাহা বলেন, উপজেলায় আসন্ন দুর্গা পূজা উদযাপনের সকল প্রস্তুতি পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে। আমাদের পক্ষ থেকে সকল ধরনের প্রদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তবে উপজেলার ভাটকৈ বাজার, পারইল বাজার, খট্টেশ্বর রাণীনগরের হাটখলা, কাশিমপুরের সানাপাড়াতে পূজায় লোকজনের সমাগম বেশি হয় বলে এই সব স্থানকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ন বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাণীনগর উপজেলা শাখার সভাপতি বাবু শ্রী সুবাস চন্দ্র জানান, গত বছর সার্বজনীন ও ব্যক্তিগত মিলিয়ে উপজেলাতে মোট ৪১ টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হয়। তবে এ বছর মন্ডবের সংখ্যা বাড়বে না কমবে সেটা এখনো বলা যাচ্ছে না। সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ন ভাবে পূজা উদযাপনের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আশা করা যায় মায়ের আর্শীবাদে ও সবার সার্বিক সহযোগিতায় এবারো কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই আমরা মাকে বিদায় দিতে পারবো।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: মোস্তাফিজুর রহমান জানান, দূর্গোৎসবে আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আমরা ৩স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। পুলিশের পাশাপাশি আনসার-ভিডিপির সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন। উপজেলার সকল ধর্মের মানুষ সমানভাবে আনন্দ ভোগ করতে পারে সে জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ধর্ম বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই