তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০১৮, মঙ্গলবার

সংবাদ শিরোনাম

বিস্তারিত বিষয়

ভালুকায় মাংশসহ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে

ভালুকায় মাংশসহ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে
[ভালুকা ডট কম : ১৭ মে]
ভালুকা উপজেলায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। রমজান মাস উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য দোকানে পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রয়েছে। গত পনের দিনে খেঁজুর, মুড়ি, পেঁয়াজ, আলু,বেগুন, ছোলাসহ বেশকিছু পণ্যের দাম ১০-৪০টাকা বেড়েছে। আর দেশী মুরগীর মাংশের দাম বেড়েছে কেজি পতি ১০০টাকা।

সরেজমিনে বাজার, ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা বাজার গুলোতে গত পনের দিন আগের চেয়ে এই সপ্তাহের শেষ দিন পর্যন্ত অন্তত ২৫টি পণ্যের দাম বেড়েছে। মুড়ি প্রতিকেজি ৬০ থেকে বেড়ে ৭০-৭৫ টাকা, মুগ ডাল (বিদেশি) প্রতিকেজি ৯০ থেকে বেড়ে ১০৫-১১০ টাকা, পেঁয়াজ প্রতিকেজি ২৪ থেকে বেড়ে৩৮- ৪২ টাকা, রসুন (বিদেশি) প্রতিকেজি ৮০ থেকে বেড়ে ৯৫-১০০ টাকা, আদা (বিদেশি) প্রতিকেজি ৯০ থেকে বেড়ে ১০০- ১১০ টাকা, মুরগি (দেশি) প্রতিকেজি ৩৫০ থেকে বেড়ে ৪৪০- ৪৬০ টাকা, মুরগি (ব্রয়লার) প্রতিকেজি ১৩৫ থেকে বেড়ে ১৪০-১৫০ টাকা,গরুর মাংশ ৪৫০ থেকে ৪৮০-৫০০ খাঁশির মাংশ ৭০০ থেকে ৭৫০। কাঁচামরিচ প্রতিকেজি ৩০ থেকে  ৪০ টাকা, গোলআলু প্রতিকেজি ১৫ থেকে ২০ টাকা, বেগুন প্রতিকেজি ৩০ থেকে ৬৫- ৮০ টাকা, কাঁচা পেঁপে প্রতিকেজি ২৫ থেকে ৪০ টাকা, শসা প্রতিকেজি ২০ থেকে বেড়ে ৬০ টাকা ও টমেটো প্রতিকেজি ৩০ থেকে বেড়ে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভালুকা বাজার ঘুরে দেখা যায়, চাহিদার অতিরিক্ত সরবরাহ থাকলেও চাল, মুড়ি, ছোলা, ডালজাতীয় পণ্য (মসুর, মুগ, অ্যাংকর), ভোজ্যতেল, চিনি, আলু, মরিচ, বেগুনসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম প্রতিকেজিতে ১০ থেকে ৪০ টাকা বেড়েছে। মুড়ি প্রতিকেজি ৬০ থেকে বেড়ে ৭০ টাকা, ছোলা ৫৫ থেকে বেড়ে ৭০ টাকা, মুগ ডাল ৯৫ থেকে বেড়ে ১২০ টাকা, পেঁয়াজ ২৪ থেকে বেড়ে ৪০ টাকা ও চিনি ৫৪ থেকে বেড়ে ৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভালুকা মেজর ভিটা ও ডিগ্রী কলেজ এলাকার বাজারে কাঁচামরিচ প্রতিকেজি ৩০ থেকে বেড়ে ৩৫-৪০ টাকা, গোল আলু প্রতিকেজি ১৫ থেকে বেড়ে ২০ টাকা, বেগুন প্রতিকেজি ৫০টাকা ৭০-৮৫ টাকা, পেঁপে ৩০-৩৫, টমেটো ৪০ টাকা থেকে ৫০-৬০, করলা ৪০ টাকা থেকে ৫০-৬০, ধুন্দল ৪০ টাকা থেকে ৪০-৫০ ও ঝিঙ্গা ৫০থেকে ৬০ শসা ৫০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভালুকা বাজারে সবজি বিক্রেতা আব্দুল গফুর বলেন,সবজির দাম গত কয়েক দিনে কিছুটা বেড়েছে। আমাদের বেশি দামে কিনে আনতে হয় তাই একটু বেশি দামে বিক্রি করি। আগে শসা ৩০ থেকে ৪০ আর আজকে ৫০ টাকা কেজি, বেগুন আগে প্রতিকেজি ৫০-৬০টাকা আজকে ৭০-৮০ টাকায় বিক্রি করতেছি।

ভালুকা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম নিত্য পণ্যের দামের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,আমি গতকাল শসা কিনেছি ৩০ টাকা কেজি আর আজ সেই এক কেজি শসা কিনতে হয়েছে ৬০ টাকা দিয়ে। সব ধরনের পণ্যের পর্যাপ্ত পরিমান মজুদ রয়েছে। রমজানের রোজা উপলক্ষে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে অতি মুনাফালোভী কিছু ব্যবসায়ী জিনিস পত্রের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

ভালুকা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল আমীন লিটন বলেন,ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা সভা ও বাজারে মাইকিং করা হয়েছে যাতে তারা পণ্যের মধ্যে ভেজাল জাতীয় কোন কিছু না মেশায়। প্রশাসন কে বাজার মনিটর করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ভালুকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বাজার মনিটরিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাসুদ কামাল বলেন, ভেজাল মুক্ত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক পর্যায়ে রাখার জন্য ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্ধ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ কে একত্রিত করে আমরা কয়েকটি বাজার মনিটরিং কমিটি গঠন করেছি। রমজানের প্রথম রোজা থেকেই এই কমিটি গুলো উপজেলার সব বাজার মনিটর করবেন। তিনি আরও জানান,দোকানের সামনে ব্যবসায়ীদের পন্যের মূল্যে তালিকা টানিয়ে রাখা বাধ্যতা মূলক করা হয়েছে।#





সতর্কীকরণ

সতর্কীকরণ : কলাম বিভাগটি ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশের জন্য,আমরা বিশ্বাস করি ব্যাক্তির কথা বলার পূর্ণ স্বাধীনতায় তাই কলাম বিভাগের লিখা সমূহ এবং যে কোন প্রকারের মন্তব্যর জন্য ভালুকা ডট কম কর্তৃপক্ষ দায়ী নয় । প্রত্যেক ব্যাক্তি তার নিজ দ্বায়ীত্বে তার মন্তব্য বা লিখা প্রকাশের জন্য কর্তৃপক্ষ কে দিচ্ছেন ।

কমেন্ট

ভালুকা বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

অনলাইন জরিপ

  • ভালুকা ডট কম এর নতুন কাজ আপনার কাছে ভাল লাগছে ?
    ভোট দিয়েছেন ৫৩৪ জন
    হ্যাঁ
    না
    মন্তব্য নেই